বুধবার, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মাদ্রাসার জন্য পাকিস্তানে ভাঙা হলো ১০০ বছরের পুরোনো মন্দির *** জ্বালানিসংকট নিরসনে পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী *** সংবাদ পরিবেশনের পর সঠিক না হলে গণমাধ্যম তা সরিয়ে নিতে পারে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী *** দেশে ফেরার ঘোষণা ও সরকারের সঙ্গে ‘গোপন সমঝোতা’ প্রসঙ্গে কী বলছেন শেখ হাসিনা *** বাংলাদেশ থেকে ছয় মাসে দুই লাখ কর্মী নিয়োগে প্রতিমন্ত্রীর দাবি প্রত্যাখ্যান মালয়েশিয়ার *** দেশজুড়ে বোমা বিস্ফোরণ ও উদ্ধারে নতুন উদ্বেগ, পেছনে কি একই গোষ্ঠী? *** চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণ: ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার *** ‘মক্কা চুক্তিকে’ ইরানের বিরুদ্ধে মনে করে না তেহরান, বাংলাদেশের সিদ্ধান্তেও উদ্বিগ্ন নয় *** প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী দীনেশ ত্রিবেদী *** কারাগারে অসুস্থ ফারজানা রূপা হাসপাতালে

মাদ্রাসার জন্য পাকিস্তানে ভাঙা হলো ১০০ বছরের পুরোনো মন্দির

শাওন দত্ত

🕒 প্রকাশ: ০৮:৪১ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: এনডিটিভি

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের নারোওয়াল জেলায় শতবর্ষী একটি হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা, সংখ্যালঘু অধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, পাশের একটি মাদ্রাসার পরিধি বাড়াতে গত ২১ আগস্ট সিরাজ গ্রামের প্রায় ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরোনো মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং মন্দিরটি আগের আদলে পুনর্নির্মাণের দাবি উঠেছে।

তবে পাকিস্তানের সরকারি কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি অস্বীকার করেছে। দেশটির ধর্মীয় সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ডের (ইটিপিবি) কর্মকর্তাদের ভাষ্য, মন্দিরটি পরিকল্পিতভাবে ভাঙা হয়নি; ভারী বৃষ্টির কারণে এর একটি অংশ ধসে পড়েছে। পাঞ্জাব সরকারও একই বক্তব্য দিয়েছে। ফলে মন্দিরটি কীভাবে ধ্বংস হলো, তা নিয়ে এখন পরস্পরবিরোধী দুটি দাবি সামনে এসেছে।

পাকিস্তানের সংবাদপত্র ডন গতকাল ১ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, নারোওয়াল জেলার সিরাজ গ্রামের ওই মন্দিরটি ২১ আগস্ট ধ্বংস হয়। মন্দিরটি প্রায় ১ হাজার বর্গমিটার জায়গাজুড়ে ছিল। লাহোর থেকে সিরাজ গ্রামের দূরত্ব প্রায় ১৩০ কিলোমিটার।

সংখ্যালঘু অধিকারভিত্তিক পাকিস্তান মাসিহা মিল্লাত পার্টির চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রা অভিযোগ করেছেন, একদল লোক মন্দিরটি ভেঙে ফেলে এবং পরে সেখান থেকে ইট, শিখরের ধাতব অংশসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নেয়। তার দাবি, মন্দিরের পাশের জমি আগে একটি মাদ্রাসার জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছিল। পরে ভাড়া বকেয়া থাকা এবং নির্ধারিত কাজে জমি ব্যবহার না করার অভিযোগে সেই ইজারা বাতিল করা হয়।

সাহোত্রা বলেন, মন্দির-সংলগ্ন সম্পত্তির কিছু অংশে অবৈধ দখলদারদের অবস্থানের বিষয়টি রাজস্ব বিভাগের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইটিপিবির শিয়ালকোট কার্যালয় গত ২৯ জানুয়ারি ওই জমি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ এবং সম্পত্তি সিলগালা করার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন করা হয়নি।

এ নিয়ে তিনি গত ২৮ আগস্ট পাঞ্জাবের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে দেখা করে লিখিত আবেদন দিয়েছেন। সেখানে মন্দির ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় স্থাপনাটি রক্ষায় দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সাহোত্রার অভিযোগ, মন্দির ভাঙার ঘটনায় নিষিদ্ধ কট্টরপন্থী সংগঠন তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তানের (টিএলপি) সদস্যরা জড়িত ছিলেন। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

স্থানীয় হিন্দু নেতা রতন লালও ঘটনাটির তদন্ত দাবি করেছেন। নারোওয়াল জেলা শান্তি কমিটি ও পাক ধর্ম আস্থান হিন্দু কমিটির সদস্য রতন লালের অভিযোগ, জেলা প্রশাসন ও ইটিপিবি মন্দিরটি রক্ষা কিংবা কথিত অবৈধ দখলদারদের সরাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। তার মতে, প্রশাসনিক ব্যর্থতার সুযোগেই মন্দিরটি ধ্বংস করা হয়েছে।

রতন লাল আরও বলেন, মাদ্রাসাটি এখনো সেখানে কার্যক্রম চালাচ্ছে। এ কারণে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা ওই স্থানে যেতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

তবে সরকারি বক্তব্য একেবারেই ভিন্ন। ডনকে ইটিপিবির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইফতিখার রানা বলেন, মন্দিরটি ভারী বৃষ্টির কারণে ধসে পড়েছে। তার ভাষ্য, সরকারি নথিতে মন্দিরটির কোনো নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ নেই। তবে স্থাপনাটি ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরোনো বলে তিনি স্বীকার করেন।

ইফতিখার রানা আরও জানান, মন্দিরের পাশের জমি একটি মাদ্রাসার জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছিল। তবে মন্দির যে জমির ওপর ছিল, সেটি কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে ইটিপিবির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব সরকারও ইটিপিবির বক্তব্যকে সমর্থন করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী সরদার রমেশ সিং অরোরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং মন্দিরের একটি অংশ ধসে পড়েছে বলে দেখতে পেয়েছেন। সরকার মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-ও ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে একই ধরনের তথ্য দিয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, সংখ্যালঘু সংগঠনগুলো মন্দিরের জমি পাশের মাদ্রাসার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্দেশ্যে স্থাপনাটি সরিয়ে ফেলার অভিযোগ তুলেছে। একই সঙ্গে তারা মন্দির পুনর্নির্মাণ, ঘটনার তদন্ত এবং ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছে।

নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্দিরটি প্রায় ১ হাজার বর্গমিটার জায়গার ওপর নির্মিত ছিল এবং এর বয়স ১০০ থেকে ১২৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই প্রতিবেদনে সরকারি কর্মকর্তাদের বৃষ্টির কারণে স্থাপনাটি ধসে পড়ার বক্তব্যের পাশাপাশি হিন্দু নেতাদের মাদ্রাসার জন্য জমি দখলের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে।

ডন জানিয়েছে, মন্দিরের পাশের জমি মাদ্রাসার জন্য ইজারা দেওয়া হলেও মন্দিরের নিজস্ব জমি ইজারা দেওয়া হয়নি—সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটিই। অন্যদিকে সংখ্যালঘু অধিকারকর্মীদের বক্তব্য হলো, জমির ইজারা বাতিলের পরও অবৈধ দখলদারদের সরানো হয়নি। ফলে মন্দিরের নিরাপত্তা নিয়ে আগে থেকেই ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

ঘটনার সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও সামনে এসেছে। গত ১১ এপ্রিলের একটি পুলিশ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মন্দিরটির নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি এবং স্থাপনাটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ আগে থেকেই অবগত ছিল বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। বিষয়টি সত্য হলে মন্দির রক্ষায় প্রশাসনের আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।

এ ঘটনায় পাকিস্তানে সংখ্যালঘু ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, এর আগে চলতি বছরের জুনেও পাঞ্জাবের ফারুকাবাদে প্রায় ১২৫ বছরের পুরোনো একটি শিখ গুরুদুয়ারা ভেঙে ফেলার ঘটনা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গুরুদুয়ারা শ্রী গুরু সিং সভা স্থানীয় এক ব্যবসায়ী প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমতি ছাড়াই ভেঙে ফেলেছিলেন বলে পাঞ্জাব সরকারের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন। পরে শিখ সম্প্রদায়ের প্রতিবাদের পর পাঞ্জাব সরকার স্থাপনাটি পুনর্নির্মাণের নির্দেশ দেয় এবং জমির মালিকানা ও ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নেয়।

নয়াদিল্লির পক্ষ থেকেও ওই গুরুদুয়ারা ভাঙার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল। হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে গুরুতর ও নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করে পাকিস্তানকে তদন্ত এবং সংখ্যালঘু ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছিল।

এর মধ্যেই নারোওয়ালের মন্দির নিয়ে নতুন অভিযোগ সামনে আসায় পাকিস্তানের ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সংখ্যালঘুদের উপাসনালয় রক্ষার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে একই প্রদেশে কয়েক মাসের ব্যবধানে একটি গুরুদুয়ারা এবং একটি প্রাচীন মন্দিরের স্থাপনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে পাকিস্তান সরকার সম্প্রতি সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্থাপনা সংরক্ষণে নিজেদের উদ্যোগের কথা জানিয়েছে। ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির বিভিন্ন ঐতিহাসিক মন্দির ও গুরুদুয়ারার সংরক্ষণ ও পুনর্নির্মাণের কাজ চলছে। জুলাইয়ে বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, পেশোয়ার, জেহলাম, পাঞ্জাবের পাঞ্জা সাহিব এবং নারোওয়ালের বাওলি মন্দিরে সংরক্ষণকাজ চলছে। একই সময়ে সুক্কুরের সাধু বেলা মন্দির পুনরুদ্ধারের জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানানো হয়।

ফলে সিরাজ গ্রামের মন্দিরের ঘটনা এখন শুধু একটি পুরোনো স্থাপনা ধসে পড়ার বিষয় হিসেবে থাকছে না। অভিযোগকারীদের দাবি সত্য হলে এটি হবে একটি সংখ্যালঘু ধর্মীয় স্থাপনা দখল ও ধ্বংসের ঘটনা; আর সরকারের বক্তব্য সত্য হলে অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা দ্রুত পুনর্নির্মাণের বিষয়। কোনটি সত্য, তা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আসলাম পারভেজ সাহোত্রা মন্দিরটি আগের রূপে পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি পাঞ্জাবের হিন্দু মন্দির, শিখদের গুরুদুয়ারা ও খ্রিষ্টানদের গির্জা এবং এসব ধর্মীয় স্থাপনার সম্পত্তি সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন। আর সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মন্দিরটি পুনর্নির্মাণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তদন্ত হলে মন্দিরটি কীভাবে ধ্বংস হলো, পাশের জমির ইজারা ও দখলের অবস্থা কী ছিল এবং নিরাপত্তা নিয়ে আগের সতর্কতার পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মন্দির

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

মাদ্রাসার জন্য পাকিস্তানে ভাঙা হলো ১০০ বছরের পুরোনো মন্দির

🕒 প্রকাশ: ০৮:৪১ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানিসংকট নিরসনে পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৮:১২ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংবাদ পরিবেশনের পর সঠিক না হলে গণমাধ্যম তা সরিয়ে নিতে পারে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৮:০৫ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ফেরার ঘোষণা ও সরকারের সঙ্গে ‘গোপন সমঝোতা’ প্রসঙ্গে কী বলছেন শেখ হাসিনা

🕒 প্রকাশ: ০৭:২৫ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে ছয় মাসে দুই লাখ কর্মী নিয়োগে প্রতিমন্ত্রীর দাবি প্রত্যাখ্যান মালয়েশিয়ার

🕒 প্রকাশ: ০৫:২৮ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250