রবিবার, ৪ঠা অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিডিনিউজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সম্পাদক বিশ্বদীপ দাশ *** বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ: মাইকেল মিলার *** রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: ব্রিটিশ হাইকমিশনার *** আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি, বিএনপি-জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের হট্টগোল, হাতাহাতি *** একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অপমানিত করার হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: শফিকুর রহমান *** রিমান্ড শেষে কারাগারে আখতারুজ্জামান *** ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পপন্থি-বামপন্থির লড়াই: আজ ভোট, মুখোমুখি লুলা ও ফ্লাভিও *** এশিয়ান গেমসেও একটি রেকর্ডে নাম উঠে গেল সূর্যবংশীর *** ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বেড়ে ১৮৩৭ *** একজন সাংবাদিক কীভাবে একই সঙ্গে কোনো দলপন্থী হতে পারেন: মাহফুজ আনাম

সুখবর এক্সপ্লেইনার

ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পপন্থি-বামপন্থির লড়াই: আজ ভোট, মুখোমুখি লুলা ও ফ্লাভিও

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, ৪ঠা অক্টোবর ২০২৬

#

ছবি: এএফপি

দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশ ব্রাজিলে আজ ৪ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট। একদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও বামপন্থি ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা। অন্যদিকে ডানপন্থি লিবারেল পার্টির সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো—সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর ছেলে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক মিত্র হিসেবে পরিচিত। ফলে এবারের নির্বাচন শুধু ব্রাজিলের ক্ষমতার পালাবদলের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব, চীনের সঙ্গে ব্রাজিলের সম্পর্ক, ব্রিকসের ভবিষ্যৎ এবং দক্ষিণ গোলার্ধের ভূরাজনৈতিক অবস্থান।

৪ অক্টোবরের ভোটকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে তাই ব্রাজিলকে ঘিরে আগ্রহ বেড়েছে। রয়টার্স বলেছে, এবারের নির্বাচন দুর্নীতি, অর্থনৈতিক চাপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের অভিযোগে অত্যন্ত বিভক্ত হয়ে পড়েছে। দুই প্রধান প্রার্থীই একে অপরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়ানোর অভিযোগ তুলছেন। কোনো প্রার্থী বৈধ ভোটের ৫০ শতাংশের বেশি না পেলে ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে।

ব্রাজিলের সুপিরিয়র ইলেক্টোরাল ট্রাইব্যুনালের তথ্য অনুযায়ী, শুরুতে প্রেসিডেন্ট পদে ১৩টি প্রার্থিতা ছিল। পরে কয়েকটি প্রার্থিতা বাতিল ও প্রত্যাহারের পর নির্বাচনী লড়াইয়ে ১২টি প্রার্থিতা রয়েছে। তবে বাস্তবে জনমত জরিপে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা লুলা ও ফ্লাভিওর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

এই নির্বাচনকে ২০২২ সালের নির্বাচনের ধারাবাহিকতা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। চার বছর আগে লুলা দ্বিতীয় দফার ভোটে জইর বলসোনারোকে ৫০ দশমিক ৯ শতাংশ বনাম ৪৯ দশমিক ১ শতাংশ ভোটে পরাজিত করেছিলেন। ফল ঘোষণার পর বলসোনারোর সমর্থকদের একাংশ ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ব্রাসিলিয়ার কংগ্রেস ভবন, সুপ্রিম কোর্ট ও প্রেসিডেন্ট ভবনে হামলা চালায়। পরে জইর বলসোনারোকে নির্বাচনের ফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে দীর্ঘ কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি গৃহবন্দি।

বাবা নির্বাচনে নেই, কিন্তু তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারই ফ্লাভিওর প্রচারণার বড় ভিত্তি। ৪৫ বছর বয়সী এই সিনেটর প্রকাশ্যে বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে তিনি তার বাবাসহ ২০২৩ সালের দাঙ্গা ও অভ্যুত্থান-চেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের জন্য সাধারণ ক্ষমা বা ক্ষমা প্রদানের উদ্যোগ নেবেন। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের বিশ্লেষক শ্যানন কে ও’নিলের মতে, ফ্লাভিওর প্রচারণায় তার পারিবারিক পরিচয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান; নীতির পাশাপাশি বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে তিনি সামনে রাখছেন।

এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা। ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লাভিওকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে সমর্থন ঘোষণা করেননি। তবে ২৬ মে ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে ফ্লাভিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তার প্রার্থিতার প্রতি প্রকাশ্য সমর্থনের বার্তা দেন। ফ্লাভিও তখন ব্রাজিলকে ট্রাম্প-সমর্থিত ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ জোটে যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেন। ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি আবারও বলেন, নির্বাচিত হলে ব্রাজিলকে ওই জোটে যুক্ত করবেন।

এখানেই লুলার সঙ্গে ফ্লাভিওর রাজনৈতিক পার্থক্য সবচেয়ে স্পষ্ট। লুলা ব্রাজিলের পররাষ্ট্রনীতিতে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন, চীন ও অন্যান্য উদীয়মান শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক এবং ব্রিকসকে গুরুত্ব দেন। বিপরীতে ফ্লাভিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, কঠোর অপরাধ দমন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্যোগে অংশ নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

লন্ডনের চ্যাথাম হাউসের লাতিন আমেরিকা কর্মসূচির পরিচালক ক্রিস্টোফার সাবাতিনি লিখেছেন, ফ্লাভিও ক্ষমতায় গেলে ব্রাজিলের ব্রিকস-ভূমিকা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে এবং দেশটি ট্রাম্পের আঞ্চলিক নীতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হতে পারে। তবে তার বিশ্লেষণেই একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা আছে—চীনের সঙ্গে ব্রাজিলের গভীর বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে কোনো বলসোনারো সরকারও সব ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের অবস্থানের সঙ্গে পুরোপুরি একমত হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে ব্রাজিলের উদ্বেগ অবশ্য শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ নেই। ৩০ সেপ্টেম্বর রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, সেপ্টেম্বরে ফ্রান্স ও জার্মানির একটি প্রতিনিধিদল ব্রাসিলিয়ায় গেলে ব্রাজিলের গোয়েন্দা সংস্থা আবিন তাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সম্ভাব্য নির্বাচনী হস্তক্ষেপের বিষয়ে তথ্য দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, আবিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের কথা জানিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ অভিযোগের জবাব দেয়নি এবং আগে ব্রাজিলের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ফলে বিষয়টি এখনো অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে, প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে নয়।

ভোটের শেষ মুহূর্তে জরিপেও দেখা যাচ্ছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ৩ অক্টোবর প্রকাশিত দাতাফোলহার জরিপে বৈধ ভোটের হিসাবে লুলা পেয়েছেন ৪৫ শতাংশ এবং ফ্লাভিও ৪২ শতাংশ। জরিপটির ভুলের সীমা দুই শতাংশীয় পয়েন্ট। দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য লড়াইয়ের হিসাবেও লুলা ৪৭ শতাংশ এবং ফ্লাভিও ৪৬ শতাংশে ছিলেন—অর্থাৎ ব্যবধানটি ভুলের সীমার মধ্যে। জরিপে ৪ হাজার ৬ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।

রয়টার্সও ৩ অক্টোবরের একাধিক জরিপের সমন্বিত চিত্র তুলে ধরে বলেছে, প্রথম দফায় কেউ ৫০ শতাংশ পেরিয়ে যাওয়ার অবস্থানে নেই এবং দ্বিতীয় দফার সম্ভাবনাই জোরালো। একই সঙ্গে সংবাদ সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, দুই প্রার্থীর প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই ভোটারদের বড় অংশের নেতিবাচক মনোভাব রয়েছে।

নির্বাচনের আরেকটি বড় বিষয় দুর্নীতি। ড্যানিয়েল ভোরকারো ও বিলুপ্ত ব্যাংক মাস্টারকে ঘিরে কেলেঙ্কারি শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ভোরকারোর সঙ্গে ফ্লাভিওর যোগাযোগ এবং তার বাবাকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি তদন্তে এসেছে। ফ্লাভিও অর্থ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও কোনো অন্যায় করার কথা অস্বীকার করেছেন। একই তদন্তে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেকজান্দ্রে দে মোরায়েসের সঙ্গে ভোরকারোর যোগাযোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মোরায়েস অন্যায় করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ফলাফল হলো, নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে দুর্নীতির প্রশ্নটি দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ফোলহা দে সাও পাওলোর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ব্যাংক মাস্টার কেলেঙ্কারি ভোটারদের কাছে তুলনামূলকভাবে বেশি বামপন্থি শিবিরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে উঠেছে, যদিও তদন্তে ডানপন্থি ও মধ্যপন্থি রাজনীতির ব্যক্তিরাও জড়িত। অর্থাৎ কেলেঙ্কারিটির রাজনৈতিক প্রভাব এবং বাস্তব তদন্তে কারা জড়িত—এই দুই বিষয়কে এক করে দেখার ঝুঁকি রয়েছে।

অর্থনীতি ও অপরাধও ভোটারদের সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জীবনযাত্রার ব্যয়, পারিবারিক ঋণ, অপরাধ ও মাদকচক্রের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। একই সময়ে সরকারি ঋণ মোট দেশজ উৎপাদনের ৮২ শতাংশের ওপরে এবং চলতি ও আগামী বছরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও কমানো হয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকসের লাতিন আমেরিকা বিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ আলবের্তো রামোসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, লুলা রাষ্ট্রনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো বজায় রেখে তুলনামূলক সীমিত ব্যয়সংযমের পথে থাকতে পারেন; ফ্লাভিওর অর্থনৈতিক অবস্থান হবে ব্যয় কমানো, বেসরকারিকরণ ও আর্থিক শৃঙ্খলার দিকে বেশি ঝুঁকে থাকা।

লুলার জন্য বড় প্রশ্ন হলো, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সামাজিক কর্মসূচির জনপ্রিয়তা দিয়ে তিনি অর্থনৈতিক চাপ ও দুর্নীতির অভিযোগ কতটা সামলাতে পারেন। অন্যদিকে ফ্লাভিওর জন্য প্রশ্ন হলো, বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার তার জন্য ভোটের শক্তি তৈরি করলেও একই উত্তরাধিকার কি অতীতের সংঘাত, অভ্যুত্থান-চেষ্টা ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কও সামনে টেনে আনছে না।

চ্যাথাম হাউসের ক্রিস্টোফার সাবাতিনি মনে করেন, এবারের নির্বাচন কেবল লুলা ও বলসোনারো পরিবারের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই নয়; এটি ব্রাজিলের পররাষ্ট্রনীতি, বহুপক্ষীয় কূটনীতি এবং বিশ্ব রাজনীতিতে দেশটির অবস্থানের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর বিশ্লেষণে, লুলা থাকলে ব্রাজিলের বর্তমান বহুপক্ষীয় অবস্থান অনেকটাই অব্যাহত থাকবে; ফ্লাভিও জিতলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ার পাশাপাশি ব্রিকস ও বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনীতিতে ব্রাজিলের ভূমিকার পুনর্বিন্যাস ঘটতে পারে।

তাই ৪ অক্টোবরের ভোটকে শুধু একজন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়বে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক মেরুকরণ, বিচার বিভাগের ভূমিকা, দুর্নীতির অভিযোগ, অর্থনৈতিক চাপ এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে দেশটির অবস্থান। প্রথম দফায় কেউ বৈধ ভোটের অর্ধেকের বেশি না পেলে ২৫ অক্টোবর আবার ভোট হবে। সে ক্ষেত্রে আজকের ফল শুধু কে এগিয়ে থাকলেন তা নয়, দ্বিতীয় দফার রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে গেল—তারও গুরুত্বপূর্ণ সূচক হয়ে উঠবে।

লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা ফ্লাভিও বলসোনারো

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

বিডিনিউজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সম্পাদক বিশ্বদীপ দাশ

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩০ অপরাহ্ন, ৪ঠা অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ: মাইকেল মিলার

🕒 প্রকাশ: ০৭:২১ অপরাহ্ন, ৪ঠা অক্টোবর ২০২৬

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

🕒 প্রকাশ: ০৭:১৫ অপরাহ্ন, ৪ঠা অক্টোবর ২০২৬

আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি, বিএনপি-জামায়াতপন্থি আইনজীবীদের হট্টগোল, হাতাহাতি

🕒 প্রকাশ: ০৭:০৮ অপরাহ্ন, ৪ঠা অক্টোবর ২০২৬

একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অপমানিত করার হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: শফিকুর রহমান

🕒 প্রকাশ: ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, ৪ঠা অক্টোবর ২০২৬

Footer Up 970x250