শনিবার, ২৯শে নভেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সমালোচনামূলক কনটেন্ট সরাতে সরকার অনুরোধ করেনি: প্রেস উইং *** মধ্যরাতে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়েছে বিএনপি *** জালিম একই আছে, লেবাস বদলেছে: সৈয়দ জামিল আহমেদ *** বাউলদের বিরুদ্ধে 'তৌহিদী জনতাকে' বিদেশি শক্তি মাঠে নামাচ্ছে: ফরহাদ মজহার *** হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার খবর নিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা *** প্রধান উপদেষ্টার প্রতি তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা *** কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন *** রাষ্ট্র সংস্কার কি সরকারের কাছে শুধুই ফাঁকা বুলি, প্রশ্ন টিআইবির *** আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব পরিবর্তনে 'বিদেশ থেকে খেলা চলছে', দাবি সজীব ওয়াজেদের *** প্রতিদিন শত শত ছবি দেখে মাহফুজ আনামের পর্যবেক্ষণ ও অনুভূতি

চীনের পুনরুত্থান অবশ্যম্ভাবী, কুচকাওয়াজে সি চিন পিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

সামরিক শক্তিতে বিশ্বের সামনে নতুন আত্মবিশ্বাসের জানান দিল চীন। বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন স্কয়ারে গতকাল বুধবার (৩রা সেপ্টেম্বর) বিজয় দিবসের বিশাল কুচকাওয়াজে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ঘোষণা করেন, চীনের পুনরুত্থান অবশ্যম্ভাবী। এটি আর ঠেকানো যাবে না।

তিনি বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে আধুনিকায়নের পথে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে। এই পুনর্জাগরণ শুধু চীনের জন্য নয়, মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। খবর এএফপির।

কুচকাওয়াজ ছাড়াও বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আকাশে উড়ে যায় যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের বহর, মাঠে প্রদর্শিত হয় ট্যাংক, ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, পানির নিচের ড্রোন এবং অন্যান্য আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম। সবচেয়ে নজর কাড়ে স্থল, সমুদ্র ও আকাশভিত্তিক কৌশলগত পারমাণবিক শক্তি প্রদর্শন।

সিএমজির খবরে বলা হয়, অনুষ্ঠানে সি চিন পিং ভাষণে তার দেশের অতীতের সংগ্রামের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আট দশক আগে চীনা জনগণ বিশ্ববাসীর সঙ্গে মিলে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লড়েছিল। ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করে তারা শান্তির পতাকা উড়িয়েছে। বিপুল ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সেই জয় মানবসভ্যতাকে রক্ষা এবং বিশ্বশান্তির ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে রয়েছে।’

সি চিন পিং সতর্ক করেন, মানবজাতি এখন একটি সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। শান্তি নাকি যুদ্ধ, সংলাপ নাকি সংঘাত, জয়-জয় সহযোগিতা নাকি শূন্য-শূন্য ফলাফল? এমন এক পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সি চিন পিং বলেন, চীনা জনগণ ইতিহাসের সঠিক বাঁকে থাকবে, শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে অটল থাকবে এবং বিশ্ববাসীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে।

সামরিক শক্তিকে চীনের পুনর্জাগরণের অপরিহার্য অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করেন সি চিন পিং। সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পিপলস লিবারেশন আর্মি চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করবে এবং বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিজয় দিবসের মহাসমাবেশ শুরু হয় প্রেসিডেন্ট ও বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের পদযাত্রার মধ্য দিয়ে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনসহ বিশ্বের ২৬টি দেশের নেতারা কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। সামরিক বাহিনীর সদস্যরা আকাশ ও স্থলে নানা নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। আকাশে ছোড়া হয় হাজারো রঙিন বেলুন, সঙ্গে আতশবাজির বর্ণিল আলোকচ্ছটা।

সি চিন পিং

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250