ফাইল ছবি
সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা আমির হামজার নারীঘটিত যে বিষয় সামনে এসেছে এ সম্পর্কে দলটির আমির শফিকুর রহমান আগেই জানতেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার দাবি, এ নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা আলোচনা করেছিলেন। আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব দাবি করেন রাশেদ খান।
ফেসবুকে তিনি বলেন, ‘আমির হামজার নারীঘটিত বিষয়টি সম্পর্কে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানও জানতেন। এটি নিয়ে জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আলোচনাও করেছিলেন।’
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ইসলামিক বক্তা তারেক মনোয়ার আমির হামজাকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করেন বলে দাবি রাশেদ খানের। একই সঙ্গে তাকে বাটনফোন ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘মূলত কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের কোনো যোগ্য প্রার্থী না থাকায় লম্পট আমির হামজাকেই নমিনেশন দেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।’
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক পোস্টে আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও হাতে এসেছে বলে দাবি করেন রাশেদ খান। ফ্যাক্ট চেকে এগুলোর সত্যতাও মিলেছে বলে জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, ‘আমার কাছে আমির হামজার নারীঘটিত তথ্যপ্রমাণগুলো এসেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে। কিছু অডিও ও স্ক্রিন রেকর্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি দ্য ডিসেন্ট এবং রিউমার স্ক্যানারের সঙ্গেও যোগাযোগ করি। হয়তো তারা তাদের মতো করে অনুসন্ধান করছে। ডিসেন্ট আমির হামজার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু যোগাযোগ করতে পারেনি। তবে তাদের কাছ থেকে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে দেরি হওয়ার প্রেক্ষিতে অন্য একটি মাধ্যম থেকে অডিও-ভিডিও-এর সত্যতা পাই।’
নারীঘটিত এই ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে জামায়াত আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার ও এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবে বলে আশা করেন রাশেদ খান।
খবরটি শেয়ার করুন