মঙ্গলবার, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৭ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ভারত *** মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগে জাতীয় স্বার্থ দেখা হবে: শামা ওবায়েদ *** মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা মোদির, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ *** দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে দুই বছর সময় লাগবে: তথ্য উপদেষ্টা *** কাবা শরিফের সামনে দাঁড়িয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা বিএনপি কর্মীর *** অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্টেট এক্সিস্ট করেছিল বলে মনে করি না: জাহেদ উর রহমান *** কান্তজীউ মন্দির পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন *** দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: তারেক রহমান *** গ্যাস সংকট ৭ দিনের মধ্যে কেটে যাবে: রিজভী *** আমরা চাই দুই দেশের জনগণের মধ্যে ভালো সম্পর্ক: দীনেশ ত্রিবেদী

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা মোদির, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভ্র বড়ুয়া

🕒 প্রকাশ: ০৩:২০ অপরাহ্ন, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ফাইল ছবি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, ঠিক সেই সময়ে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেছেন, আগামী দিনে ইরানের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক পণ্যের পরিধি বাড়ানো এবং তা বহুমুখী করার ইচ্ছা রয়েছে।

গতকাল সোমবার সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার বৈঠক হয়। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরুর পর এটিই ছিল মোদি ও পেজেশকিয়ানের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় মোদি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে আগামী দিনে বাণিজ্যের পরিধি বাড়ানো ও বহুমুখী করার কথা জানান তিনি। খবরটি প্রকাশ করেছে ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস, ইন্ডিয়া টুডেসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম।

মোদির এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক চাপ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। গত ২৪ আগস্ট মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে ইরানের বিরুদ্ধে একটি বিস্তৃত অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানের অর্থনৈতিক যোগাযোগ ও বৈদেশিক আয়ের পথগুলো বন্ধ করে দেওয়া। প্রথম ধাপেই ৬০টির বেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা অন্য দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও গৌণ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি বাড়ানোর কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট আরও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো মার্কিন অর্থব্যবস্থার আওতা থেকে বাদ পড়তে পারে। গত ২৮ আগস্ট সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানি অর্থ লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত একটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুধু তেহরান নয়, দেশটির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা অন্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও লক্ষ্য করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুই দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, একসময় দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। ভারতের তেহরানস্থ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারত ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য হয়েছিল ১৭ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু এরপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানি তেল আমদানির ওপর বিধিনিষেধের কারণে বাণিজ্য দ্রুত কমে যায়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা নেমে এসেছে মাত্র ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলারে।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে ভারত-ইরান বাণিজ্য প্রায় ৯০ শতাংশ কমেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের ইরানে রপ্তানি ছিল প্রায় ১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে ইরান থেকে ভারতের আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৩৭ কোটি ডলার। কয়েক বছর আগেও চিত্রটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারত ইরান থেকে ১৩ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছিল।

বাণিজ্য কমে যাওয়ার বড় কারণ ছিল ইরানি তেল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারত ইরান থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারের বেশি অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছিল। কিন্তু মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকির কারণে ২০১৯ সালের পর নয়াদিল্লি ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে দেয়। ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ভিত্তিটিই দুর্বল হয়ে পড়ে।

এখন মোদি বাণিজ্য বাড়ানোর কথা বললেও বাস্তবতা সহজ নয়। ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রিকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট করেছেন, প্রধানমন্ত্রী এমন সম্ভাবনা খুঁজে দেখার কথা বলেছেন, যা ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এর সঙ্গে অর্থায়ন, বিমা, পরিবহন ও পণ্য সরবরাহব্যবস্থার বিষয়গুলোও জড়িত।

ভারতের ইরানে বর্তমানে প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে চাল, চা, ওষুধসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য ও ভোগ্যপণ্য। রয়টার্স জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ভারত ইরানে ৩৮ কোটি ৩১ লাখ ডলারের চাল এবং ১ কোটি ৪৩ লাখ ডলারের চা রপ্তানি করেছে। কিন্তু নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে এসব পণ্যের অর্থ পরিশোধ, পরিবহন ও বিমা নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হতে পারে। অতীতে এসব পণ্যের একটি বড় অংশ দুবাই হয়ে ইরানে যেত।

ভারতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো চাবাহার বন্দর। ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এই বন্দরকে ভারত মধ্য এশিয়া ও আফগানিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে দেখে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে বন্দরটির উন্নয়নে বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বন্দরের কার্যক্রমে ভারতের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিক্রম মিশ্রি জানিয়েছেন, চাবাহার নিয়ে ভারত বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে একটি টেকসই পথ বের করা যায়। তার বক্তব্যে বোঝা যায়, ভারত একদিকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়াতে চাইছে, অন্যদিকে চাবাহারকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থও ছাড়তে চাইছে না।

এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্টও দুই দেশের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার ওপর জোর দিয়েছেন। ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস পেজেশকিয়ানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছে, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বড় সুযোগ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার প্রভাব মোকাবিলা করা গেলে ভারত-ইরান সম্পর্ককে আরও উচ্চ পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব বলেও ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। মোদি বলেছেন, পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই নেতার আলোচনা হয়েছে এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সব প্রচেষ্টাকে ভারত সমর্থন করবে। হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, দুই নেতা বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা এবং সমুদ্রপথে চলাচলের স্বাধীনতার বিষয়েও আলোচনা করেছেন।

এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি ভারতের জন্য বিশেষ উদ্বেগের। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি এই প্রণালি। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কারণে সেখানে জাহাজ চলাচল কমে গেছে। রয়টার্স-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দিন আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কম ছিল। ফলে ভারতের মতো জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশের জন্য ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক শুধু বাণিজ্যের বিষয় নয়, জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গেও যুক্ত।

তবে ভারতের কৌশল শুধু ইরানকে ঘিরে নয়। একই সময়ে বিশকেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন মোদি। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি নিয়েও সেখানে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়া থেকে ভারতের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কেনার পর দুই দেশের বাণিজ্য ভারসাম্য আরও রাশিয়ার পক্ষে চলে গেছে। ভারতের পররাষ্ট্রসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, রাশিয়ায় ভারতীয় পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে আলোচনা চলছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে মোদি ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন। তিনি মানবিক দিক থেকে যুদ্ধ বন্ধের ওপর জোর দেন এবং শান্তির সব প্রচেষ্টায় ভারতের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

সব মিলিয়ে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর মোদির ঘোষণা ভারতের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও ইরান, রাশিয়া ও অন্যান্য শক্তির সঙ্গেও নিজস্ব অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ বজায় রাখতে চাইছে নয়াদিল্লি। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে সেই ভারসাম্য রক্ষা করা আগের তুলনায় অনেক কঠিন।

কারণ, ওয়াশিংটন এখন শুধু ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েই থেমে থাকছে না; ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা তৃতীয় দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মার্কিন অর্থব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিচ্ছে। ফলে মোদি যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের কথা বলেছেন, সেটি বাস্তবে কতটা সম্ভব হবে, তা নির্ভর করবে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা, পরিবহন, বিমা, চাবাহার বন্দরের কার্যক্রম এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রয়োগের মাত্রার ওপর।

তবু এই ঘোষণার রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট। ভারত ইরানের সঙ্গে তার পুরোনো সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করতে চাইছে না। বরং নিষেধাজ্ঞার সীমাবদ্ধতার মধ্যেই বাণিজ্যের নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করে সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। আর এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্র যখন তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করার নতুন অভিযান শুরু করেছে, ঠিক সেই সময় মোদির বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

নরেন্দ্র মোদি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ভারত

🕒 প্রকাশ: ০৩:৫২ অপরাহ্ন, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬

মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগে জাতীয় স্বার্থ দেখা হবে: শামা ওবায়েদ

🕒 প্রকাশ: ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর ঘোষণা মোদির, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

🕒 প্রকাশ: ০৩:২০ অপরাহ্ন, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে দুই বছর সময় লাগবে: তথ্য উপদেষ্টা

🕒 প্রকাশ: ০৩:০৮ অপরাহ্ন, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাবা শরিফের সামনে দাঁড়িয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা বিএনপি কর্মীর

🕒 প্রকাশ: ০৩:০১ অপরাহ্ন, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250