বৃহস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
২০শে চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা *** চাকরিপ্রার্থী না হয়ে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার *** যারা 'ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ' চান, তাদের উদ্দেশ্যে যা বললেন ডেভিড বার্গম্যান *** আমেরিকা থেকে আমদানি পণ্যের শুল্ক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ: প্রেস সচিব *** বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭% শুল্ক আরোপ করল আমেরিকা *** বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা *** ২৬ কোটি টাকায় ঈদের ৬ সিনেমা *** স্বামীকে ইউক্রেনীয় নারীদের ধর্ষণে উৎসাহ, রুশ নারীর কারাদণ্ড *** ঈদের ছুটিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার শঙ্কা *** ড. ইউনূসের 'সেভেন সিস্টার্স' নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

জানা গেলো বেইলি রোডে আগুন লাাগার ‘আসল কারণ’

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৪০ অপরাহ্ন, ২১শে এপ্রিল ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের বহুতল ভবনে গত ২৯শে ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে শিশুসহ ৪৬ জনের প্রাণহানি হয়। ঘটনার পর ভবনটি পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্তে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হিসেবে সম্ভাব্য একাধিক কারণ উল্লেখ করে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা।

অগ্নিকাণ্ডের পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্তকালীন এ ঘটনায় আসামিরা পলাতক থাকায় তদন্তে বিলম্বের কথা জানায়েছিল ফায়ার সার্ভিস।

তবে ফায়ার সার্ভিসের তদন্তে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ বের হয়ে এসেছে। তদন্ত শেষে সংস্থাটি বলছে, ভবনটির নিচতলার ‘চুমুক’ নামের চা-কফির দোকানের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। এছাড়া ভবনে গ্যাস জমে থাকায় সেই আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

শনিবার (২০শে এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের তদন্ত রিপোর্টে আগুন লাগার কারণ হিসেবে চুলার আগুন ও গ্যাসের কথা এসেছে। চুলা থেকে আগুন ধরার পর জমে থাকা গ্যাসের কারণে সেটি ভবনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

আর েপড়ুন: বেইলি রোডে আগুনে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলায় আগুনের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে প্রথমে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- চা-কফির দোকান চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং কাচ্চি ভাই নামে আরেকটি খাবারের দোকানের ব্যবস্থাপক জয়নুদ্দিন জিসান।

এরপর আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে আগুনের ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এসকে/ 

ফায়ার সার্ভিস বেইলি রোডে আগুন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন