শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** অনলাইনে মত প্রকাশে ভয়, নিজেদের ‘গুটিয়ে নিচ্ছেন’ সাংবাদিকদের কেউ কেউ: জরিপ *** বন্যায় মৃত নারীর কান থেকে গয়না চুরি, ভিডিও ভাইরালের পর গ্রেপ্তার ২ *** নেপাল-তিব্বতে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৫২ *** নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৮৯ *** ‘স্যার, কসম করেন’, ধরা পড়ার আগে পুলিশের সঙ্গে মোবারকের কথোপকথন *** বাংলাদেশ যেন মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ না দেয়, সেই বার্তা দিতেই কী ঢাকায় এসেছিলেন পরাগ জৈন *** ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান বিএনপি নেতার, ভিডিও ছড়াতেই শোকজ *** অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিরোধী দলের ওয়াকআউট *** বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী *** ‘বোঝাপড়ার বিরোধী দল’ নিয়ে প্রশ্ন, সংসদে বারবার হট্টগোল—ছয়মাসেই কেন ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার

জানা গেলো বেইলি রোডে আগুন লাাগার ‘আসল কারণ’

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৪০ অপরাহ্ন, ২১শে এপ্রিল ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের বহুতল ভবনে গত ২৯শে ফেব্রুয়ারি দিনগত রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে শিশুসহ ৪৬ জনের প্রাণহানি হয়। ঘটনার পর ভবনটি পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্তে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হিসেবে সম্ভাব্য একাধিক কারণ উল্লেখ করে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা।

অগ্নিকাণ্ডের পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্তকালীন এ ঘটনায় আসামিরা পলাতক থাকায় তদন্তে বিলম্বের কথা জানায়েছিল ফায়ার সার্ভিস।

তবে ফায়ার সার্ভিসের তদন্তে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ বের হয়ে এসেছে। তদন্ত শেষে সংস্থাটি বলছে, ভবনটির নিচতলার ‘চুমুক’ নামের চা-কফির দোকানের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। এছাড়া ভবনে গ্যাস জমে থাকায় সেই আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

শনিবার (২০শে এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের তদন্ত রিপোর্টে আগুন লাগার কারণ হিসেবে চুলার আগুন ও গ্যাসের কথা এসেছে। চুলা থেকে আগুন ধরার পর জমে থাকা গ্যাসের কারণে সেটি ভবনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

আর েপড়ুন: বেইলি রোডে আগুনে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। মামলায় আগুনের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে প্রথমে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- চা-কফির দোকান চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং কাচ্চি ভাই নামে আরেকটি খাবারের দোকানের ব্যবস্থাপক জয়নুদ্দিন জিসান।

এরপর আরও তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে আগুনের ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এসকে/ 

ফায়ার সার্ভিস বেইলি রোডে আগুন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250