শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** তালেবানের পৃষ্ঠপোষক থেকে কেন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠল পাকিস্তান *** ‘ড. ইউনূসের সময়কালে অপসারণ চেষ্টা’—রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের *** কবি মোহন রায়হানকে ‘অপমান’ করায় উদীচীর নিন্দা *** কুষ্টিয়ার ‘ওপরওয়ালা’ দাবি করে দেওয়া আমির হামজার বক্তব্য ভাইরাল *** অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ট্যাক্স বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী *** ‘ইউনূস সরকারের মতো তারেক সরকারকে সময় দিতে চান না মাহফুজ আনাম’ *** মন্ত্রীপর্যায়ে ‘কাঁচা’ কথাবার্তা অপরাধকে উসকে দিচ্ছে: জামায়াত আমির *** বগুড়া থেকে শুরু ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, উদ্বোধন ১০ই মার্চ *** সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানের আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে: সাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট *** দেশে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল খুলনার কাছে

‘ড. ইউনূসের সময়কালে অপসারণ চেষ্টা’—রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৮:২৫ অপরাহ্ন, ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ–সংক্রান্ত তথ্য রাষ্ট্রপতি গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান রাষ্ট্রপতির একটি সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের ঘটনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি অনেক তথ্য প্রকাশ করেননি। সেদিন উপস্থিত রাজনৈতিক নেতাদের কাছে শেখ হাসিনার কথিত পদত্যাগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি যা বলেছিলেন এবং পরে জাতির উদ্দেশে যা জানিয়েছিলেন, তা বর্তমান বক্তব্যের সঙ্গে মিলছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

জামায়াত আমির প্রশ্ন তোলেন, সেদিন কোটি মানুষ যা শুনেছে, রাষ্ট্রপতি তখন যা বলেছেন এবং এখন যা বলছেন—এই পার্থক্যের ব্যাখ্যা কী তিনি দেবেন? 

শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ ওই সময়কার ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে সচেতন এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।  

কয়েক দিন আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সময় তাকে অসাংবিধানিকভাবে অপসারণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তার দাবি, ওই সময়ে দেশকে অস্থিতিশীল করা এবং একটি সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির প্রচেষ্টা হয়েছিল।

২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করার পর রাষ্ট্রপতি টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে বলেছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ক্ষেত্রে এই পদত্যাগ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি পদত্যাগপত্রের বিষয়ে কেবল শুনেছেন, এর লিখিত কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। পদত্যাগপত্র সংগ্রহের চেষ্টা করেও তা পাওয়া যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতির এই অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এবং তাকে অপসারণের দাবিও ওঠে। রাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাকে একাধিকবার পদ থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

শফিকুর রহমান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250