বুধবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আমলাতন্ত্র জগদ্দল পাথরের মতো জনগণের বুকে চেপে বসেছে, কিছুই করা যায় না: ফাওজুল কবির খান *** আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের ওপর শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র *** ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণমাধ্যমকর্মীদেরই আদায় করতে হবে’ *** নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘সিম্প্যাথি’ পেতে মিথ্যা বলছেন: মির্জা আব্বাস *** ড্রোন বানাবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সহায়তা করবে চীন *** নারী ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির কাছে ৭১ সংগঠনের ১০ সুপারিশ *** ‘নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না’ *** ‘কাজের টোপ’ দিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে বাংলাদেশিদের পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধে *** পায়ে পাড়া দিয়ে কেউ যদি আশা করে আমরা চুপ থাকব, তা হবে না: শফিকুর রহমান *** বিচ্ছেদের পর গলায় স্ত্রীর ছবি ঝুলিয়ে দুধ দিয়ে গোসল

ড. আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে যা জানা গেল

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১০:১৯ অপরাহ্ন, ২৬শে নভেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাবেক সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজের ব্যক্তিগত জীবন,  রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং নারীঘটিত নানা দিক নিয়ে গত ৩রা নভেম্বর দৈনিক ইনকিলাবে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দিলরুবা নামে এক নারীর সঙ্গে তিনি পরকীয়ায় জড়িয়েছেন, দেশের একাধিক রিসোর্টে তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে।

এবার আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে পরিচয়ের বিস্তারিত গোপন করে অতন্দ্রানু রিপা নামের আরেক নারী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন, তাকে গর্ভবতী করা এবং পরে তার গর্ভপাত করানোর অভিযোগ তুলেছেন এক ভিডিওতে। অভিযোগে ওই নারী বলেন, তিনি গর্ভবতী হলে দিলরুবা শারমিনের পরামর্শে গর্ভপাত করান। আরেক নারীর পরামর্শে কেন তিনি ভ্রুণ হত্যায় রাজি হলেন, এর যৌক্তিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি তার ভিডিওতে। যা পাওয়া গেছে, সেটি নিতান্তই দুর্বল ব্যাখ্যা।

তবে ইনকিলাবের প্রতিবেদনে উল্লেখিত ও পরিচয়ের বিস্তারিত লুকিয়ে রাখা নারীর ভিডিওতে অভিযুক্ত  দিলরুবা শারমিন একই ব্যক্তি বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার সঙ্গে আলী রীয়াজের যোগাযোগ থাকার বিষয়টি এর মধ্যে মূলধারার গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হয়েছে। গত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলেও প্রভাবশালীদের সঙ্গে দিলরুবার যোগাযোগ ছিল। অতন্দ্রানু রিপার করা অভিযোগের অনুসন্ধানে এসব তথ্য জানা গেছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আলী রীয়াজকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার রেশ কাটতে না কাটতেই তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন, গর্ভবতী করা এবং পরে তার গর্ভপাত করানোর অভিযোগ তুলেছেন রিপা।

এ বিষয়ে ওই নারীর একটি ভিডিও বার্তা ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গতকাল মঙ্গলবার (২৫শে নভেম্বর) ভাইরাল হয়েছে। নানা শ্রেণি-পেশার নেটিজেনের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সাংবাদিক, কবি, লেখকদের সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে বিষয়টি ওঠে আসছে। ভিডিওর 'চাঞ্চল্যকর' তথ্য নিয়ে গতকাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় চলছে। এক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে শেয়ার হচ্ছে ভিডিওটি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক জনের বিরুদ্ধে এর আগে নানা অভিযোগে, সত্য-অসত্য তথ্যের ভিডিও ভাইরাল হতে দেখা গেছে। তবে আলী রীয়াজের ভিডিওটির মতো সেগুলোকে এতো আলোচিত হতে দেখা যায়নি সাংবাদিক, কবি, লেখকদের মধ্যে। ফেসবুকে সেগুলোর এতো শেয়ার হতেও দেখা যায়নি। সরকার সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যাওয়া ভিডিও বিএনপির সমর্থকদের সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করতে খুব কম দেখা গেলেও আলী রীয়াজ সংক্রান্ত ভিডিওটির ক্ষেত্রে আলাদা চিত্র দেখা গেছে।

বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো অভিযোগ ছড়ালে এর অনুসন্ধান করে মূলধারার গণমাধ্যম প্রতিবেদনে সত্য তুলে ধরার রীতি প্রচলিত আছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও বিষয়টি স্বীকৃত চর্চা। এদেশের গণমাধ্যমগুলোও তা করে থাকে। সামাজিক মাধ্যমের তুলনায় মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতি পাঠক-দর্শকের আস্থা বেশি থাকে। শেষ পর্যন্ত সচেতন পাঠক-দর্শকেরা মূলধারার গণমাধ্যম থেকেই সত্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চান। তাই সুখবর ডটকম অনুসন্ধান করেছে বিষয়টির।

ভাইরাল ভিডিওতে অতন্দ্রানু রিপা দাবি করেন, বিয়ে করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আলী রীয়াজ তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ে তোলেন। যৌন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সময় আলী রীয়াজ জানান, তার ভ্যাসেকটমি (পুরুষের বন্ধ্যাকরণের জন্য একধরনের অস্থায়ী  অস্ত্রোপচার) করানো আছে। ফলে তার যৌনসঙ্গমের সময় জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করার দরকার নেই।

ভুক্তভোগী নারীর দাবি, আলী রীয়াজ সত্য বলেননি। আলী রীয়াজের মতো প্রতিষ্ঠিত নাগরিক এমন অসতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত আদৌ নেবেন কিনা, এ প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া 'তথ্য' বলছে, ঢাকার ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ওই নারীর গর্ভপাত করানো হয়। তবে ঘটনাটি কোন মাসের কত তারিখের, এ বিষয়ে কোনো তথ্য তিনি উল্লেখ করেননি। ওই নারীর ভিডিওর প্রচারক ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলো বিদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।

ঘটনাটি কোন মাসের কত তারিখের, এ বিষয়ে জানতে ঘটনাটির প্রচারক প্রায় পাঁচটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ইনবক্সে যোগাযোগ করলেও তারা নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। এসব অ্যাকাউন্টের পরিচয় তা-ই উহ্য রাখছে সুখবর। গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের দেওয়া তথ্য বলছে, ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গত এক বছরের মধ্যে অতন্দ্রানু রিপা নামের কোনো নারীর গর্ভপাতের ঘটনার রেকর্ড তাদের কাছে নেই। তবে অনেক সময় কোনো কোনো নারী ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় গর্ভপাতের সময় ছদ্মনামের আশ্রয় নিয়ে থাকেন।

বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের আরেকটি মাধ্যম হতে পারে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ। ওই নারী আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন মুখ ঢেকে। ফলে সিসিটিভি ফুটেজে তাকে চেনার কোনো উপায় নেই। তিনি কত তারিখে ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন, বিষয়টি জানা গেলে সিসিটিভির ফুটেজ যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হত। গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে তিনি আদৌ গিয়েছিলেন কিনা, তা-ই যাচাই করা যায়নি।

অতন্দ্রানু রিপা নামের কোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্টও পাওয়া যায়নি। কেউ কেউ বলছেন, অ্যাকাউন্টটি ডিঅ্যাক্টিভেট করা আছে। রাজধানীতে প্রতিষ্ঠিত অন্তত বারোজন কবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সুখবর ডটকম, তাদের কেউ অতন্দ্রানু রিপা নামের 'কবিকে' ব্যক্তিগতভাবে চেনেন কিনা, তা জানার জন্য। তাদের কেউ রিপার নাম শোনেননি কখনো, তাকে দেখেনওনি। রিপা ভিডিওতে দাবি করেছেন, তিনি নাকি কবিতা লেখেন। গুগলে অনুসন্ধান করেও এই নামের কোনো কবির কবিতার বই প্রকাশের কথা জানা যায়নি।

ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাহিত্যপাতায় এই নামের কারো কবিতা কখনো ছাপা হওয়ার তথ্য খোঁজ নিলে পাওয়া যায়নি। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রকাশিত স্থানীয় পত্রিকার ওয়েবসাইট ঘেঁটেও এই নামের কারো কবিতা পাওয়া যায়নি। ফেসবুকেও পাওয়া যায়নি এই নামের কারো কবিতা। এই নামের কোনো 'নারী কবি' আদৌ আছেন বলে নানাভাবে চেষ্টা করেও জানা যায়নি।

বিদেশ থেকে পরিচালিত ফেসবুক আইডিতে রিপার পক্ষে, বা আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে যা লেখা হচ্ছে, এর এক ধরনের জবাব পাওয়া যাচ্ছে 'দিলরুবা শারমিন সুস্মিতা' নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। এই অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে বলা হয়েছে, আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় রিপাকে গ্রেপ্তার করে আজ বুধবার (২৬শে নভেম্বর) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি ফেসবুকে ছড়ালেও কোন থানার মামলায় কোন আদালত তাকে কখন কারাগারে পাঠালেন, এ বিষয়ে কেউ সদুত্তর দিতে পারছেন না।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দী নিবন্ধন তথ্য বলছে, অতন্দ্রানু রিপা নামের কোনো বন্দীর নাম বুধবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়নি। নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে ভাইরাল ভিডিওটি বিদেশে বসে প্রচার করা কোনো চক্রের কাজ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ঘটনার সত্যতা থাকলে ভিডিও বার্তায় এভাবে বায়বীয় অভিযোগ না করে রিপা আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ ছিল।

নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন এমন অন্তত তিনজন মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, কথিত ভুক্তভোগী নারী যদি সত্যিই এ বিষয়ে আইনি প্রতিকার, বা বিচার চাইতেন, তাহলে আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ জানানোর ধরনটা ভিন্ন হত। তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে না হলেও নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ রেখে এ বিষয়ে অভিযোগ করতেন। তার অভিযোগের ধরন দেখে মনে হচ্ছে, এটা স্রেফ ব্যক্তিগত চরিত্রহনন ও দোষারোপের জন্য দুর্বল ভিত্তির ওপর সাজানো একটা ভিডিও।

সুখবর ডটকমের অনুসন্ধানে দিলরুবা শারমিন নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি অভিযুক্ত দিলরুবা শারমিনই পরিচালনা করেন কিনা, এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অ্যাকাউন্টটি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ভেরিফায়েড করা নয়। এর ইনবক্সে সংবাদকর্মী পরিচয়ে কথা বলতে চাওয়ার বার্তা পাঠিয়ে নয় ঘন্টার মধ্যেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।  অ্যাকাউন্টটির প্রোফাইলও ফেসবুকের নিয়মে লকড করা। তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া মুঠোফোন নম্বরটিও নিষ্ক্রিয় দেখাচ্ছে। দিলরুবা শারমিন নিজেকে একজন আইনি পরামর্শক হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন বলে জানা গেছে।

ড. আলী রীয়াজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গত ৩রা নভেম্বর ইনকিলাবের প্রকাশিত প্রতিবেদনটি প্রবাসী সাংবাদিক নাজমুস সাকিবের অভিযোগের ভিত্তিতে সাজানো। অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় নাগরিক টিভির একটি টকশোতে সাকিব এসব গুরুতর অভিযোগ আনেন। শুরুতেই আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে অতীতে পরকীয়া ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, আলী রীয়াজ যখন যুক্তরাজ্যে ছিলেন, তখন তিনি বিবিসি বাংলার একজন নারী সাংবাদিক ও সংস্কৃতি কর্মীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ান।

আলোচিত এই প্রবাসী সাংবাদিকের অভিযোগের জবাব দেননি আলী রীয়াজ। ইনকিলাবের প্রকাশিত প্রতিবেদনটির বিষয়ে তিনি কোনো প্রতিবাদপত্র পাঠিয়েছেন বলে জানা যায়নি। উল্লেখ্য, ড. আলী রীয়াজ পাঁচ বছর বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের লন্ডন কার্যালয়ে প্রযোজক ও জ্যেষ্ঠ সম্প্রচার সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন।

তবে আজ এক বিবৃতিতে আলী রীয়াজকে নিয়ে অতন্দ্রানু রিপা নামের এক নারী মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ভিডিও বক্তব্য প্রচার করছেন এবং তার চরিত্রহননের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। ড. রীয়াজ ওই নারীকে চেনেন না জানিয়ে প্রেস উইং বলেছে, সরকার বিষয়টির দিকে গভীরভাবে নজর রাখছে এবং এই মর্মে ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয় বিবেচনা করবে।

আজ ‘মানহানিকর বক্তব্য প্রচার বিষয়ে অধ্যাপক আলী রীয়াজের বিবৃতি’ শিরোনামে এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এসব কথা বলেছে। অতন্দ্রানু রিপা নামের ওই নারী গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলী রীয়াজের চরিত্রহননের এই অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছে প্রেস উইং।

বার্তায় বলা হয়েছে, ‘অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, তিনি এ বক্তব্য প্রচারকারী নারীকে চেনেন না। তার সঙ্গে যোগাযোগ বা সম্পর্কের বিষয়ে যেসব দাবি করা হয়েছে, তা সর্বৈব মিথ্যা। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ধরনের মিথ্যা বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে।’

অধ্যাপক আলী রীয়াজ আলী রীয়াজ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250