ফাইল ছবি
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা ও বিপুলসংখ্যক মানুষের জমায়েতের ঘটনায় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এত মানুষ কীভাবে জড়ো হলেন এবং এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগে থেকে কিছু জানত কি না- এমন প্রশ্ন করেন তিনি।
আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ১২ দলীয় জোট আয়োজিত ‘দেশের চলমান সংকট ও দেশপ্রেমিক শক্তির করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে রিজভী এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, দলটি আবারও হঠাৎ করে ‘উঁকি দেওয়ার’ চেষ্টা করছে। বিপুলসংখ্যক মানুষ কীভাবে সেখানে জড়ো হলেন, তা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
রিজভীর বক্তব্যের বরাত দিয়ে আজকের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি জানতে চান—নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলের এমন তৎপরতা সম্পর্কে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অবগত ছিল কি না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
এ সময় দেশের চলমান বিভিন্ন সংকট নিয়েও কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মাত্র ছয় মাসের হওয়ায় এসব সংকটের পুরো দায় তাদের ওপর দেওয়া যায় না। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় আমদানিতেও প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী। এসব ঘটনার পেছনে কোনো নাশকতা বা ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভী আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহত মানুষের আত্মত্যাগের পর দেশে আবার সহিংস রাজনীতি প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেওয়া যাবে না। ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার।
খবরটি শেয়ার করুন