সোমবার, ৫ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৯শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** প্রথম আলো-ডেইলি স্টারে আগুন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার: মতিউর রহমান *** রাবিতে ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ, চার সাংবাদিকসহ আহত ১০ *** গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আসেনি: মতিউর রহমান *** চাঁদে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের প্রতিযোগিতায় পরাশক্তিরা *** ইংল্যান্ডের কাছে রেকর্ড ব্যবধানে হেরে ‘লজ্জিত’ মদ্রিচ *** নিন্দা করতে করতে নিন্দা শব্দের ওজন কমে যাচ্ছে—এলপিজির দাম নিয়ে পরওয়ার *** দাম বাড়ল অটোগ্যাসেরও *** বিডিনিউজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সম্পাদক বিশ্বদীপ দাশ *** বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ: মাইকেল মিলার *** রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বড়লোক জামাই পাওয়ার পন্থা শিখিয়ে বছরে আয় ২২৮ কোটি টাকা!

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, ১৫ই জুলাই ২০২৪

#

প্রতীকী ছবি (সংগৃহীত)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বড়লোক জামাই কীভাবে পেতে হয় তা শেখান তিনি। আর এতে তার বছরে আয় ২২৮ কোটি টাকা। বলা হচ্ছিল চীনের ইনফ্লুয়েন্সার লে চুয়ানকুর কথা।   

হংকংভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমের পোস্ট থেকে জানা যায়, চীনে লাভগুরু হিসেবে জনপ্রিয়তা বাড়ছে চুয়ানকুর। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পর্ক ও আর্থিক বিষয়ে বিভিন্ন রকম পরামর্শ দেন। আর এতে তাঁর আয় বছরে ১৪ কোটি ২০ লাখ ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২২৮ কোটি টাকা)। 

তবে তার পরামর্শ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই ইনফ্লুয়েন্সার অনেককেই অনৈতিক পরামর্শ দেন। তার মতে, সম্পর্ক ও বিয়ের মানে হলো আর্থিক লাভের উপায়।

আরো পড়ুন : স্বামীর গায়ের রং কালো হওয়ায় বাপের বাড়ি চলে গেলেন স্ত্রী!

কয়েকটি ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, বিয়ে হচ্ছে ‘সুরক্ষিত’ ভবনে যাওয়া, টাকা হচ্ছে খাবার ও গর্ভাবস্থা হচ্ছে একটি বল বহন করা। তিনি বলেন, সব সম্পর্কই সুবিধা বিনিময়ের জন্যই। নিজের সুবিধা বাড়ানোর জন্যই সব কিছু করা উচিত। 

চুয়ানকুর একটি লাইভস্ট্রিমে একজন যদি পরামর্শ চান তাহলে তাঁর কাছ থেকে ফি বাবদ ১৫৫ ডলার করে নেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রাইভেট কাউন্সেলিং প্যাকেজের জন্য নেওয়া হয় ১ হাজার ৪০০ ডলার।

এরইমধ্যে চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবো থেকে চুয়ানকুকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে তিনি এখন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

লে চুয়ানকুর এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘ভালোবাসা আর টাকা দুটোই চাওয়ায় দোষ কী?’ 

আরেক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘তিনি মেয়েদেরকে পুরুষদের ব্যবহার করতে শেখান। তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতাকে উৎসাহিত করেন। কিন্তু তিনি কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা অর্জন করেন। এটা কি ভণ্ডামি নয়?’

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং

এস/কেবি

বিয়ে

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250