সোমবার, ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্বজুড়ে ইরান সরকারের বিরুদ্ধে লাখো মানুষের বিক্ষোভ *** আওয়ামী লীগের ভাঙাচোরা কার্যালয়ে দুপুরে নেতা-কর্মীদের স্লোগান, বিকেলে অগ্নিসংযোগ *** ঠাকুরগাঁওয়ে দেড় বছর পর আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের প্রকাশ্যে স্লোগান *** মধ্যপ্রাচ্যে আবারও মার্কিন রণতরী, কী ঘটছে ইরানের সঙ্গে? *** তারেক রহমানের আগমন জাতীয় রাজনীতির জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত: জামায়াত আমির *** ড. ইউনূস ‘দ্বিতীয় মীরজাফর’ ও ‘আমেরিকার দালাল’, তার পোস্টারে আগুন *** নতুন সরকার যখন বলবে তখনই ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী *** দেশের জন্য কাজ করতে এসে আমার সব সঞ্চয় শেষ, দাবি সেই ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের *** নির্ধারিত সময়ের আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন আইজিপি *** ভারত কি সত্যিই বিএনপি সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়বে

পাকিস্তানি সেনাপ্রধানকে সামরিক কুচকাওয়াজে আমন্ত্রণ জানায়নি আমেরিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, ১৭ই জুন ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকা সফরে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল সৈয়দ আসিম মুনির। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের সমর্থকরা এ বিক্ষোভের আয়োজন করেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে দেশটির বর্তমান ক্ষমতাসীন কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছেন।

এনডিটিভি জানিয়েছে, ওয়াশিংটনে মুনিরের হোটেলের সামনে পাকিস্তানি ও প্রবাসী পাকিস্তানিদের একটি বড় দল জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি তোলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিচ্ছেন, ‘আসিম মুনির তুই কাপুরুষ, তোর লজ্জা থাকা উচিত, তুই গণহত্যাকারী।’ আবার কেউ কেউ তাকে ‘পাকিস্তানিও কী কাতিল’ বা ‘পাকিস্তানিদের খুনি’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

আরও একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মোবাইল ইলেকট্রনিক বিলবোর্ডে লেখা, ‘আসিম মুনির, গণহত্যাকারী’ এবং ‘গণতন্ত্র মরে যায়, যখন বন্দুক কথা বলে।’

এ বিক্ষোভের ডাক আগেই দিয়েছিল পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই। এমনকি সেনাপ্রধানের সফর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার আগেই ওয়াশিংটনে পাকিস্তান দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভের আহ্বান জানানো হয়।

পাকিস্তানি দৈনিক ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রোববার (১৫ই জুন) আমেরিকা পৌঁছান সেনাপ্রধান মুনির। পাঁচ দিনের এ সফরের মূল উদ্দেশ্য আমেরিকার সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত করা।

তবে মুনিরের সফরের সময়কাল আমেরিকার সেনাবাহিনীর ২৫০তম বার্ষিকী উদ্‌যাপনের কাছাকাছি হলেও ডন উল্লেখ করেছে, এ সফর আনুষ্ঠানিকভাবে ওই আয়োজনের অংশ নয়।

এর আগে বিভিন্ন মাধ্যমে গুঞ্জন উঠেছিল, ওয়াশিংটন মিলিটারি প্যারেডে অংশ নিতে আসিম মুনিরকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কিন্তু হোয়াইট হাউস সেই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। ডন জানিয়েছে, তিনি ওই দিন ওয়াশিংটনে থাকলেও ওই সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেননি।

পাকিস্তানি সেনাপ্রধান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250