ছবি: সংগৃহীত
ইরানে সামরিক হামলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পরিপ্রেক্ষিতে তেহরান জানিয়েছে, তারা যুদ্ধ এবং আলোচনা দুটোর জন্যই প্রস্তুত। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ কথা জানান। খবর রয়টার্সের।
বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি গত রোববার (১১ই জানুয়ারি) দাবি করেন, ইরানজুড়ে হওয়া বিক্ষোভকে ‘সহিংস ও রক্তক্ষয়ী বানানোই হয়েছে’ ট্রাম্পকে হস্তক্ষেপ করার অজুহাত দেওয়ার জন্য। এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসতে চেয়ে ফোন করেছে। তবে সেখানে যা ঘটছে, তাতে বৈঠকের আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে হস্তক্ষেপ করতে হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘ইরান আলোচনা করতে চায়। আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারি। একটি বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে। কিন্তু এ বৈঠকের আগেই যা ঘটছে তার কারণে হয়তো আমাদের ব্যবস্থা নিতে হতে পারে।’
ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারে এবং দেশটির বিরোধী পক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এ হুমকির মুখে ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বলে জানালেও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খোলা রেখেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা নিশ্চিত করেছে।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম খোলা রয়েছে। যখনই প্রয়োজন হচ্ছে বার্তা বিনিময় করা হচ্ছে। ঐতিহ্যগতভাবে মধ্যস্থতাকারী সুইজারল্যান্ডের মাধ্যমেও যোগাযোগের পথ খোলা আছে।’ তবে বাঘাই অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ থেকে বোঝা যায় তারা এ বিষয়ে আন্তরিক নয়।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন