রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর *** ইইউর ৬১ বাণিজ্য বাধার ৪৮টিরই সমাধান করা হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী *** সাংস্কৃতিক ঐক্যই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি: সংস্কৃতিমন্ত্রী *** নিখোঁজ শিশুদের জন্য পুলিশের বিশেষ সেল গঠনের দাবি স্বজনদের *** রোহিঙ্গা ইস্যু যেন অন্য কোনো সংকটে চাপা না পড়ে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার জন্মভূমি ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল, বিকেলে নাগরিক সংবর্ধনা *** শেষকৃত্য সম্পন্ন করার ১৫ দিন পর কারাগার থেকে ফোনকল—‘আপনার ছেলে জীবিত’ *** ফের সোনার দামে পতন, ভরিতে কত *** মিসরে মাদক মামলায় টিভি উপস্থাপকসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড *** গোপালগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ৩০

প্রকাশ্যে এলেই মবের কবলে পড়ছেন সাংবাদিক প্রভাষ আমিন, গণমাধ্যমে উদ্বেগ

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, ১৬ই জুলাই ২০২৬

#

ফাইল ছবি

ঢাকার তেজগাঁওয়ে ইম্পালস হাসপাতালের সামনে আল মদিনা রেস্টুরেন্ট। বুধবার, ১৫ জুলাই রাত। সেখানে একসঙ্গে বসেছিলেন তিন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক—প্রভাষ আমিন, মুন্নী সাহা ও জ ই মামুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের ঘিরে ধরেন কয়েক ব্যক্তি। শুরু হয় প্রশ্ন, মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ এবং প্রকাশ্য জিজ্ঞাসাবাদ। পরে অন্য সাংবাদিকদের তৎপরতা ও পুলিশের উপস্থিতিতে তারা নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই সাংবাদিক সমাজে নতুন করে আলোচনায় আসে একটি প্রশ্ন—দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কথিত বিতর্কিত বা সমালোচিত হিসেবে চিহ্নিত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত? বিশেষ করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও কলামিস্ট প্রভাষ আমিনকে ঘিরে গত দুই বছরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি কার্যত প্রকাশ্যে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন না। কোথাও যাওয়ার ঘোষণা এলেই প্রতিবাদের ডাক, কোথাও যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা শঙ্কা, আর প্রকাশ্যে দেখা দিলেই মবের মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি—এমন এক বাস্তবতার মধ্যে পড়েছেন তিনি।

দৈনিক সমকালের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আবু সালেহ রনি গতকাল বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিন সাংবাদিকের মবের মুখে পড়ার ঘটনার কথা জানান। তিনি লেখেন, রাজনৈতিক মতভেদ বা অতীতের অবস্থান নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে হেনস্তা করার সুযোগ নেই। তিনি জানান, সহকর্মীদের দ্রুত তৎপরতা এবং পুলিশের উপস্থিতির কারণেই তিন সাংবাদিক নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে সক্ষম হন।

ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েক ব্যক্তি তিন সাংবাদিককে ঘিরে প্রশ্ন করছেন এবং ভিডিও ধারণ করছেন। তবে কী কারণে তাদের ঘিরে ধরা হয়েছিল কিংবা কারা এতে জড়িত ছিলেন, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন ছিল না। বরং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে প্রভাষ আমিনের জীবনে তৈরি হওয়া এক দীর্ঘ ধারাবাহিকতার সর্বশেষ অধ্যায় বলেই মনে করছেন অনেক গণমাধ্যম বিশ্লেষক।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করেছিলেন প্রভাষ আমিন ও ফারজানা রূপা। পরবর্তীকালে সেই সাক্ষাৎকারের বিভিন্ন অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মনে করেন, ওই সময় শেখ হাসিনার কিছু বক্তব্য জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল এবং আন্দোলনের গতি বাড়াতে ভূমিকা রেখেছিল। তবে আন্দোলন বা সরকার পতনের কারণকে কেবল ওই প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করা যায় না; রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ একাধিক কারণ মিলেই ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পথ তৈরি হয়েছিল।

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। সেই সময় দেশের গণমাধ্যমেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। বিভিন্ন টেলিভিশন, পত্রিকা ও অনলাইন মাধ্যমে সম্পাদকীয় ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে রদবদল হয়। প্রভাষ আমিন এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) পদ হারান। একই সময় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হয় এবং সরকারি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডও বাতিল করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট নথি ও তৎকালীন সংবাদে উল্লেখ ছিল।

শুধু প্রভাষ আমিন নন, মুন্নী সাহা, জ ই মামুন, ফারজানা রূপাসহ আরও অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়। এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের অনেকে। অন্যদিকে, অভিযোগকারীরা বলেছেন, তদন্তের মাধ্যমেই সত্য উদ্‌ঘাটিত হওয়া উচিত।

আঠারো মাস পর অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পরও প্রভাষ আমিনের স্বাভাবিক জনজীবনে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়নি বলে মনে করছেন তার সহকর্মীদের অনেকেই।

এর একটি বড় উদাহরণ দেখা যায় চলতি বছরের মে মাসে। ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নিউ হোস্টেল পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কুমিল্লায় যাওয়ার কথা ছিল তার। অনুষ্ঠানটি পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এলাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সফরের আগেই 'জুলাই রক্ষা আন্দোলন' নামে একটি সংগঠন ঘোষণা দেয়, প্রভাষ আমিন কুমিল্লায় গেলে তাকে প্রতিহত করা হবে।

সংগঠনটির সমন্বয়ক আবু রায়হান এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, প্রভাষ আমিন অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন। প্রভাষ আমিন প্রকাশ্যে এসব রাজনৈতিক অভিযোগের সঙ্গে একমত নন বলে বিভিন্ন সময় মন্তব্য করেছেন। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত ওই অনুষ্ঠানে যাননি। অনেকের মতে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেটিই ছিল তার প্রথম প্রকাশ্যে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা।

মে মাসে সম্ভাব্য প্রতিহতের মুখে সফর বাতিল এবং জুলাইয়ে রাজধানীর মাঝখানে প্রকাশ্য হেনস্তা—দুই ঘটনাই দেখায় যে তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনও কাটেনি।

একই ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন মুন্নী সাহাও। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি একাধিকবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রলের শিকার হন। গত বছর রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় জনতার হাতে অবরুদ্ধ হওয়ার পর পুলিশ তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে হেফাজতে নিয়ে যায় বলে জানায়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি মুক্ত হন। জ ই মামুনও ২০২৪ সালের আগস্টের পর হত্যা মামলার আসামি হন এবং বিভিন্ন সময় হয়রানির অভিযোগ সামনে আসে।

গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কোনো সাংবাদিককে লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক প্রচারণা চালানো হলে বাস্তব জীবনেও তার নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে। অনলাইন ট্রল অনেক সময় অফলাইন হয়রানির পরিবেশ তৈরি করে।

দেশের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উদ্বেগ রয়েছে। সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক মামলা, হয়রানি, জনতার সহিংসতা এবং অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে। সংগঠনটি বলেছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক প্রতিশোধের চক্র ভাঙা নতুন সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।

একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস। সংস্থাটি তাদের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে উল্লেখ করেছে, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আড়াইশোর বেশি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা ও অন্যান্য গুরুতর অভিযোগে মামলা হয়েছে, কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে এবং নারী সাংবাদিকেরা অনলাইন ঘৃণা প্রচারণার শিকার হচ্ছেন। সংগঠনটির মতে, রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি।

২০২৪ সালের শেষ দিকে সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিলের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন এবং সংবাদমাধ্যম পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠানগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে। তাদের বক্তব্য, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত সুযোগ সীমিত করা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিপন্থী।

আইনবিদদের মতে, 'মব জাস্টিস' বা জনতার হাতে আইন তুলে নেওয়ার প্রবণতা শুধু অভিযুক্ত ব্যক্তির জন্য নয়, বিচারব্যবস্থার জন্যও ক্ষতিকর। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার তদন্ত করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার করবে আদালত। জনতার প্রকাশ্য জিজ্ঞাসাবাদ, ভিডিও ধারণ, অপমান বা ভয়ভীতি প্রদর্শন আইনের শাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

প্রভাষ আমিনকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে। একসময়ের আলোচিত টেলিভিশন উপস্থাপক ও কলামিস্ট আজ কোথাও যাওয়ার আগে নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন। কুমিল্লায় যেতে পারেননি, রাজধানীতে হেনস্তার মুখে পড়েছেন। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি এখনও প্রক্রিয়াধীন। অভিযোগ প্রমাণ হয়নি, আবার অভিযোগ প্রত্যাহারও হয়নি। এই অবস্থায় তাকে ঘিরে জনতার প্রতিক্রিয়া এবং পাল্টা উদ্বেগ—দুই-ই সমানভাবে আলোচনায় রয়েছে।

সাংবাদিক সমাজের অনেকের ভাষ্য, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবাদিকের লেখা, বক্তব্য বা অবস্থান নিয়ে সমালোচনা হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেই সমালোচনার জবাব যদি আদালতের বদলে জনতার ভিড় দেয়, তবে সেটি শেষ পর্যন্ত ব্যক্তি নয়, পুরো গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকেই অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়। বুধবার রাতের ঘটনাও সেই প্রশ্নটিকেই আবার সামনে এনে দিয়েছে—দেশে সাংবাদিকেরা কি মতের কারণে নিরাপত্তাহীনতার ভয় ছাড়া প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে পারবেন?

সাংবাদিক প্রভাষ আমিন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইইউর ৬১ বাণিজ্য বাধার ৪৮টিরই সমাধান করা হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাংস্কৃতিক ঐক্যই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি: সংস্কৃতিমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিখোঁজ শিশুদের জন্য পুলিশের বিশেষ সেল গঠনের দাবি স্বজনদের

🕒 প্রকাশ: ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোহিঙ্গা ইস্যু যেন অন্য কোনো সংকটে চাপা না পড়ে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250