রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মমতার আমলে পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা হয়েছিল: ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী *** উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষার কারণে ১,৩৯৯টি ভূমিকম্প হয়ে থাকতে পারে: গবেষণা *** হুতিদের মোকাবিলায় এবার সৌদির পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা তুরস্কের! যুদ্ধ করবে কি? *** কমলাপুর রেলস্টেশনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ *** তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর আগামী নভেম্বরে করা যায় কি না, আলোচনায় ঢাকা-দিল্লি *** জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান *** মন্ত্রী বড়, নাকি সংসদ সদস্য—কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রশ্ন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের *** আওয়ামী লীগ-জামায়াত এক হয়েও বিএনপির কিছুই করতে পারেনি: এমপি চাঁদ *** তেজগাঁওয়ে মসজিদে গোপন বৈঠক: উগ্রবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১২ জন ৩ দিনের রিমান্ডে *** কেরানীগঞ্জে থানার সামনে ট্রাকে আগুন, আব্দুল্লাহপুরে ককটেল বিস্ফোরণ

সার্জিও গোরের আলোচনায় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরার প্রসঙ্গ থাকবে?

বিশেষ প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০২:৫১ অপরাহ্ন, ২৯শে জুলাই ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরের প্রথম ঢাকা সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সফরের আগে কোনো আনুষ্ঠানিক এজেন্ডা প্রকাশ না হওয়ায় জল্পনা-কল্পনাও বেড়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একটি অংশের মধ্যে এমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা, দলটির সভাপতি শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা এবং কারাবন্দী নেতাদের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনা হতে পারে। তবে এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ সরকার বা অন্য কোনো সংশ্লিষ্ট পক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এগুলোকে রাজনৈতিক মহলের আলোচনা বা প্রত্যাশা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

প্রকাশ্যে যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা বলছে সার্জিও গোরের সফরের মূল গুরুত্ব বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনা এবং পরিবর্তিত আঞ্চলিক ভূরাজনীতিকে ঘিরে। সফরের সময়ও তাৎপর্যপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাত্র এক মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের ঢাকা সফর স্বাভাবিকভাবেই ওয়াশিংটনের কৌশলগত আগ্রহের বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছে।

গত ২৩ জুলাই ফিলিপাইনের ম্যানিলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সার্জিও গোরের বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকায় দ্বিতীয় দফার বৈঠক ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ আরও জোরদার হচ্ছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সফরের জন্য কোনো নির্দিষ্ট এজেন্ডা নির্ধারণ না থাকায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক থেকে শুরু করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতি—সবই আলোচনায় আসতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় আগ্রহ বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার বোঝা। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সমান্তরালভাবে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। ঢাকার এই ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি ভবিষ্যতে কোন দিকে যাবে, সেটিই যুক্তরাষ্ট্র জানতে চাইতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, তিস্তা প্রকল্প, মোংলা বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে যে সমঝোতা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক মহলেও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। রয়টার্স-এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিযোগিতা যে অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তাকেন্দ্রিক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে, সে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। একই ধরনের মূল্যায়ন করেছে দ্য ডিপ্লোম্যাট, যেখানে বলা হয়েছে বঙ্গোপসাগর এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি কৌশলগত হয়ে উঠেছে।

জাপানভিত্তিক নিক্কেই এশিয়ার বিশ্লেষণেও দক্ষিণ এশিয়ার সমুদ্রবন্দর, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং কৌশলগত অবকাঠামোকে ভবিষ্যতের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মোংলা বন্দর বা চট্টগ্রামকেন্দ্রিক সহযোগিতা যুক্তরাষ্ট্রের নজরে থাকাই স্বাভাবিক।

ভারতের দ্য হিন্দু এবং দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত বিশ্লেষণগুলোতে তিস্তা প্রকল্পকে কেবল পানি বণ্টনের বিষয় নয়, বরং ভারত-চীন কৌশলগত প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবেও দেখা হয়েছে। সে কারণে সার্জিও গোরের ঢাকা সফরে তিস্তা প্রকল্প এবং চীনের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশ 'অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড' (এআরটি) স্বাক্ষর করেছে। এরপর বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কৃষিপণ্য, জ্বালানি এবং বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। সাম্প্রতিক শুল্ক পুনর্নির্ধারণেও বাংলাদেশকে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে রাখা হয়েছে। ফলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও আলোচনায় আসতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশকে পশ্চিমা উৎস থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহে উৎসাহিত করে আসছে। তবে বাংলাদেশ সব সময় বলে এসেছে, প্রতিরক্ষা ক্রয়ের সিদ্ধান্ত জাতীয় প্রয়োজন এবং কৌশলগত স্বার্থ বিবেচনা করেই নেওয়া হবে।

রোহিঙ্গা সংকটও সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সার্জিও গোর কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করবেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, রয়টার্স এবং আল জাজিরার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে রাখাইন রাজ্যের অবনতিশীল পরিস্থিতি, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার অনিশ্চয়তা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সহায়তার অন্যতম বড় অংশীদার।

রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা। তিনি সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফিরে আদালতে হাজির হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং তার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। এই ঘোষণার পর বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নতুন করে আলোচনায় আসে।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় মনে করছেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলে দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রশ্ন এবং কারাবন্দী নেতাদের বিষয়ও পরোক্ষভাবে আলোচনায় আসতে পারে। তবে কেউ কেউ স্বীকার করছেন, সার্জিও গোরের সফরের আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচিতে এসব বিষয় রয়েছে—এমন কোনো তথ্য তাদের কাছেও নেই।

দলের কয়েক নেতা, যারা পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি, তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার ঘোষণার পর বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছে। তাদের ধারণা, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময়ের সময় এই বিষয়টি নীতিগতভাবে উত্থাপিত হতে পারে। তবে তারা এটিও বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সম্পর্কে প্রকাশ্যে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই এবং বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত প্রত্যাশা তৈরি করাও সমীচীন হবে না।

তবে এখানেই সতর্কতা প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কিংবা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম পুনর্বহাল নিয়ে কোনো অবস্থান ঘোষণা করেনি। একইভাবে সার্জিও গোরের সফরের আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচিতেও এসব বিষয় নেই। ফলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে যে প্রত্যাশা বা আলোচনা রয়েছে, তা এখনো যাচাইযোগ্য কূটনৈতিক তথ্য নয়।

মানবাধিকার, বিচারপ্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি—এই বিষয়গুলো অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতিগত অগ্রাধিকার। তাই বাংলাদেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ, আইনের শাসন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে ঘিরে আলোচনা হবে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কও আলোচনার অংশ হতে পারে। সার্জিও গোর একই সঙ্গে ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা, উত্তর-পূর্ব ভারতের সংযোগ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়েও তার আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক। দ্য প্রিন্ট-এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখন জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে ভারত, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র—তিন পক্ষের সঙ্গেই সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার নীতি অনুসরণ করছে। ওয়াশিংটন এই নীতির দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা বোঝার চেষ্টা করবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের বাইরে নয়। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি সহযোগিতা এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারত্বের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগাযোগ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়গুলোও ওয়াশিংটনের পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে কূটনৈতিক মহলের ধারণা।

সব মিলিয়ে সার্জিও গোরের ঢাকা সফরকে কোনো একক রাজনৈতিক ইস্যুর মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি এমন এক সময়ের সফর, যখন বাংলাদেশ একই সঙ্গে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া এবং অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে এগোতে চাইছে। এই বাস্তবতায় ওয়াশিংটনের প্রধান আগ্রহ বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান, ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতি এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে ঢাকার ভূমিকা বোঝা।

আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা কিংবা কারাবন্দী নেতাদের মুক্তির প্রশ্ন রাজনৈতিক আলোচনায় থাকলেও, সেগুলো যে সার্জিও গোরের সফরের নিশ্চিত আলোচ্য বিষয়—এমন কোনো প্রমাণ এখনো সামনে আসেনি। বরং কূটনৈতিক রীতিনীতি বলছে, প্রকাশ্যে বাণিজ্য, নিরাপত্তা, মানবিক সহযোগিতা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলোই গুরুত্ব পাবে; আর রাজনৈতিক ও কৌশলগত সংবেদনশীল বিষয়গুলোর একটি অংশ আলোচিত হলেও সেগুলোর সবকিছু জনসমক্ষে আসবে না।

ফলে এই সফরের প্রকৃত তাৎপর্য হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হবে না। তবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের পরবর্তী ধাপ, আঞ্চলিক কৌশলগত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমীকরণ বোঝার ক্ষেত্রে সার্জিও গোরের এই সফর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

শেখ হাসিনা সার্জিও গোর

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

মমতার আমলে পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা হয়েছিল: ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষার কারণে ১,৩৯৯টি ভূমিকম্প হয়ে থাকতে পারে: গবেষণা

🕒 প্রকাশ: ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর চরিত্রে রাশমিকা

🕒 প্রকাশ: ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

হুতিদের মোকাবিলায় এবার সৌদির পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা তুরস্কের! যুদ্ধ করবে কি?

🕒 প্রকাশ: ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

কমলাপুর রেলস্টেশনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ

🕒 প্রকাশ: ০১:২২ পূর্বাহ্ন, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250