রবিবার, ২৫শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ফ্রান্সে ৪ লাখ মানুষের বিক্ষোভ, বাড়ছে উত্তেজনা–সংঘর্ষ *** আজই ইরানে ফের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প *** সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশের নিয়ম-কানুন পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর *** এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর *** টঙ্গীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ *** তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে উচ্চকক্ষ থেকে নিয়োগের প্রস্তাব *** সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিকের লাশ দাফনে বাধা, গোপনে গার্ড অব অনার *** মৃত্যুর জন্য ইউএনওকে দায়ী করে এসি ল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট, পরিবারের দাবি মানসিক সমস্যা *** সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডে কূটনৈতিক যোগাযোগের ফাঁক উন্মোচিত, ঢাকার অজান্তেই আরও ২০ জনের পরিণতি অনিশ্চিত *** আসিফ আকবরের চালকের পেছনের আসন বরাবর গুলি করা হয়

প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম, উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা

শাওন দত্ত

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩০ অপরাহ্ন, ৮ই আগস্ট ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামীকাল রোববার (৯ আগস্ট) এক দিনের সফরে কক্সবাজারের মহেশখালী এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে প্রশাসনের পাশাপাশি বৃহত্তর চট্টগ্রামের বিএনপি ও দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সফর নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তা, সড়ক যোগাযোগ, হেলিকপ্টার অবতরণ, অনুষ্ঠানস্থল প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জোর প্রস্তুতি চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত করা সফরসূচি অনুযায়ী, রোববার সকাল ৯টায় কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। সেখানে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার কথাও রয়েছে।

মহেশখালীর কর্মসূচি শেষে দুপুর ১২টার দিকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন এলাকায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। এ সময় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি গৃহহারা ১০০ পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

জাগো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাঁশখালী পৌরসভা ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০টি পরিবারকে এসব ঘরের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। যেসব পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং নিজেদের অর্থে নতুন ঘর নির্মাণের সামর্থ্য নেই, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বাহারছড়া এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের জন্য মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণের পাশাপাশি হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য দুটি হেলিপ্যাডও প্রস্তুত করা হয়েছে।

বাঁশখালীর এই কর্মসূচিতে কোনো জনসভা রাখা হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখতে বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে উপস্থিত হতে পারেন বলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন বাসসকে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তার কারণে জনসভা না থাকলেও তাকে স্বাগত জানাতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে পারেন—এ বিষয়টি মাথায় রেখে দলীয়ভাবে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে দুপুর ১টার দিকে ফটিকছড়িতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সাক্ষাৎকে অরাজনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছে হেফাজতে ইসলাম। শপথ গ্রহণের সময় আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাতের যে প্রতিশ্রুতি তারেক রহমান দিয়েছিলেন, সেটি রক্ষার অংশ হিসেবেই এ সাক্ষাৎ হচ্ছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তবে এই সাক্ষাতে স্থানীয় উন্নয়ন ও জনস্বার্থের বিভিন্ন বিষয়ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানা গেছে। ফটিকছড়ির স্থানীয় নেতারা সরকারি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা, কয়েকটি কলেজ সরকারিকরণ, তরুণদের জন্য উন্নত শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি, স্থানীয় জনগণের জন্য গ্যাসের ব্যবহার নিশ্চিত করা, চা-বাগান ও রাবারবাগানে গ্যাস-সংযোগ এবং শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার মতো বিভিন্ন দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতে চান। এ ছাড়া ৫০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন, চট্টগ্রাম থেকে নাজিরহাট হয়ে রামগড় পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ এবং চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার দাবিও রয়েছে।

ফটিকছড়ির কর্মসূচি শেষে হাটহাজারীতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে প্রয়াত শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন।

জাগো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রয়াত জুনাইদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারতের কর্মসূচিও থাকতে পারে। এরপর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় সংক্ষিপ্ত বিরতি শেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

হাটহাজারীর পুনর্বাসন কর্মসূচিতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের সহায়তা দেওয়া হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারকে এক লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা রয়েছে। একই অনুষ্ঠানে ১৫ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায়ও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে শতাধিক তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপির পক্ষ থেকে পৃথক প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। ফটিকছড়িতে অস্থায়ী হেলিপ্যাড থেকে নাজিরহাট নতুন সেতু পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে মানবপ্রাচীর তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ফটিকছড়িতে আসছেন—এ খবরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তার ভাষায়, প্রধানমন্ত্রীকে বরণকে কেন্দ্র করে পুরো ফটিকছড়িতে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে প্রশাসনের প্রস্তুতিও জোরদার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন বাসসকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো দল কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জাগো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানস্থল ও হেলিপ্যাডসংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ নিয়ন্ত্রণ এবং যানবাহন চলাচল ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠেও মঞ্চ নির্মাণ, সড়ক সংস্কার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাটিকেই সফরের রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির পাশাপাশি দলটির ১১টি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেবেন। জাগো নিউজের তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে প্রায় ৫৫০ থেকে ৬০০ নেতাকর্মীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বাসসকে জানিয়েছেন, একটি নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের পদধারী নেতাদের সভায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে পদে না থাকা এমন কিছু জ্যেষ্ঠ নেতাকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে, যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা বলছেন, এবারের সাংগঠনিক সভার বিশেষত্ব হচ্ছে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ। সাধারণত এ ধরনের সভায় সীমিতসংখ্যক শীর্ষ নেতা অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেও এবার চট্টগ্রামের তিন সাংগঠনিক ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভায় সাংগঠনিক পরিস্থিতি, স্থানীয় সমস্যা, দলীয় কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি তৃণমূলের নেতাদের বক্তব্য শুনে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতারা বলছেন, দলের চেয়ারপারসন হিসেবে তারেক রহমান বরাবরই তৃণমূলের নেতাকর্মীদের গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরেও সেই রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন ঘটাতে চাইছেন তিনি। ফলে সাংগঠনিক সভাটি শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠক নয়, বরং মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও দলীয় সাংগঠনিক অবস্থার মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর চট্টগ্রামে তারেক রহমানের এটিই প্রথম সফর। এর আগে চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি বক্তব্য দিয়েছিলেন। ফলে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম চট্টগ্রাম সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক—দুই মহলেই আলাদা গুরুত্ব তৈরি হয়েছে।

সব কর্মসূচি শেষে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এক দিনের এই সফরে একদিকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন, অন্যদিকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন, আলেমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, প্রয়াত ধর্মীয় নেতাদের কবর জিয়ারত এবং দলের তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও জনসম্পৃক্ততার একাধিক দিক উঠে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250