শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর *** আমস্টারডামে ইহুদি স্কুলে বিস্ফোরণ *** ‘জামায়াত-এনসিপি অসভ্যতা করবে, এটাই স্বাভাবিক’ *** হাদি হত্যা: ফয়সালকে পালাতে ‘সাহায্যকারী’ ফিলিপ সাংমা পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার *** নিষেধাজ্ঞা কাটাতে আন্তর্জাতিক তৎপরতা, নির্বাচনী রাজনীতিতে শক্তিশালী হয়ে ফিরতে চায় আওয়ামী লীগ *** রাত থেকে গণপরিবহনে তেল নেওয়ার সীমা থাকছে না: সড়কমন্ত্রী *** তিন মাস পর জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর *** হয়তো এখনই নয়, তবে ইরান সরকারের পতন হবেই: ট্রাম্প *** ‘পদত্যাগ ও মেয়াদ পূর্ণ করার কথা—সাহাবুদ্দিন দুটিই বলেন প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিতে’ *** সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ‘সাধাসিধা’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অন্য আরো যে সকল রোজা আপনি রাখতে পারেন

ধর্ম ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:০৫ অপরাহ্ন, ৬ই মে ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও মুমিন-মুসলমানরা সারা বছরই রমজানে কৃত আমলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। রমজানের রোজা শেষ হলেও অবশিষ্ট মাসগুলোতে বহু নফল রোজা রয়েছে। সামর্থ্য অনুযায়ী সেসব রোজা রাখার চেষ্টা করা। যেমন-

>> শাওয়াল মাসের ছয় রোজা-

হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসের রোজা রাখল। অতঃপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।’ সহিহ মুসলিম : ১১৬৪

>> আইয়ামে বিজের রোজা-

প্রতি চান্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তিন দিনের রোজাকে (আইয়ামে বিজের রোজা) বলে। নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা এবং রমজান মাসের রোজা সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য।’ সহিহ মুসলিম : ১১৬২

আর এ রোজা প্রতি চান্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রাখা উত্তম। পরিভাষায় এ দিনগুলো ‘আইয়ামে বিজ’ নামে পরিচিত। ‘বিজ’ আরবি শব্দ, অর্থ সাদা, উজ্জ্বল। প্রত্যেক চান্দ্রমাসের এ দিনগুলোতে যেহেতু চাঁদের আলো পূর্ণ উজ্জ্বল থাকে এজন্য এই তারিখগুলোকে ‘আইয়ামে বিজ’ বলা হয়।

আরো পড়ুন: মহানবী (সা.) যে তিন সুগন্ধি পছন্দ করতেন

>> প্রতি বৃহস্পতি ও সোমবার রোজা রাখা-

নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘সোম ও বৃহস্পতিবার বান্দার আমলসমূহ আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। তাই আমি পছন্দ করি যে, আমার আমল পেশ হোক এমতাবস্থায় যে, আমি তখন রোজাদার।’ জামে তিরমিজি : ৭৪৭

>> আরাফার দিনের রোজা-

হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) বিগত বছরের এবং পরবর্তী বছরের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ সহিহ মুসলিম : ১১৬২

>> আশুরার রোজা-

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, নবীজি (সা.) বলেন, ‘আশুরার রোজা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, এর দ্বারা তিনি বিগত বছরের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।’ সহিহ মুসলিম : ১১৬২

>> শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখা-

শাবান মাসে অধিক পরিমাণে রোজা রাখা উত্তম। হাদিসে বর্ণিত আছে, হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাস ছাড়া বছরের অন্য কোনো মাসে এত অধিক (নফল) রোজা রাখতেন না। সহিহ মুসলিম : ৭৮২

এমএইচডি/ আই. কে. জে/

রোজা ইসলাম শাওয়াল মুমিন মুসলমান হজরত রাসুলুল্লাহ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250