রবিবার, ৩১শে আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে সংঘর্ষে ‘উসকানি’ দেওয়া উদয় কুসুমকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার *** বাংলাদেশে খেলতে এসে কনটেন্ট বানাচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটার *** এক বছরে ১২৩টি সংগঠন ১৬০৪ বার সড়ক অবরোধ করেছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা *** জাতীয় পার্টির মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: আসিফ মাহমুদ *** বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের সময়ে পরিবর্তন *** এনসিপির চার সদস্যের প্রতিনিধি দল যমুনায় *** চীনে মোদির সঙ্গে বৈঠকে সি, সরাসরি ফ্লাইট, বাণিজ্য সম্পর্কসহ আলোচনায় যেসব বিষয় *** ‘মনোমালিন্যের’ পর রুমিন উপহার পাঠিয়েছেন, জানালেন হাসনাত *** ১৪৪ ধারা জারির পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সেনা মোতায়েন *** প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির বৈঠক সন্ধ্যায়

উইঘুর শিক্ষাবিদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:০৫ অপরাহ্ন, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২৩

#

বিশিষ্ট এক উইঘুর শিক্ষাবিদকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে চীন। ২০১৮ সালে চীনা আদালত রাহিল দাউত নামের এই উইঘুর শিক্ষাবিদকে সাজা প্রদান করলে, এ হুকুমের বিরুদ্ধে আপিল করেন তিনি। তবে সম্প্রতি আবারও চীনা আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। ৫৭ বছর বয়সী এ অধ্যাপক চলতি মাসে এ রায় পান।

উইঘুর এবং জিনজিয়াংয়ের মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার বিরোধী কার্যক্রমের জন্য বারবার চীনকে দায়ী করা হয়েছে। মানবাধিকার গোষ্ঠীর দাবি, বিগত কয়েক বছরে চীন সরকার দশ লাখেরও বেশি উইঘুরকে জোরপূর্বক শিক্ষা প্রদানের নাম করে বন্দি করেছে।

রাহিলের মেয়ে নিজের মাকে নির্দোষ হিসেবে দাবি করে তার মুক্তির দাবি জানান।

২০১৮ সালের নভেম্বরে রাহিলকে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে সে বছরেরই ডিসেম্বরে জিনজিয়াং আদালতে রাহিলের গোপন বিচারসভা বসে। গ্রেফতারের আগে রাহিল জিনজিয়াং ইউনিভার্সিটি কলেজ অফ হিউম্যানিটিজে শিক্ষকতা করতেন। 

২০০৭ সালে তিনি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি হার্ভার্ড এবং কেমব্রিজসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা প্রদান করেছেন।

উইঘুর বুদ্ধিজীবীদের গ্রেফতার, আটক এবং হত্যার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল চীনের বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। রাহিলকেও গ্রেফতারের পরিকল্পনা চীন অনেকদিন ধরেই করছিল।

অন্যদিকে মানবাধিকার বিরোধী কার্যক্রমের জন্য বারবার চীনকে দায়ী করা হয়েছে। শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন, অ্যামনেস্টি এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ চীনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করেছে। যদিও চীন বারবার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে। 

গত শুক্রবার, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং জানান, দাউতের মামলার বিষয়ে তার কাছে কোন ধরনের তথ্য নেই।

প্রায় ১২০ লাখ উইঘুর, যারা সংখ্যাগরিষ্ঠভাবে মুসলিম, জিনজিয়াং প্রদেশে বাস করে। আনুষ্ঠানিকভাবে জিনজিয়াং প্রদেশ উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল নামেই পরিচিত।

২০২২ সালে বিবিসি পুলিশ ফাইলের তথ্যসমূহকে একটি সিরিজ আকারে প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায় চীন জোরপূর্বক উইঘুরদের শিক্ষা প্রদানের নামে বন্দি করছে। যারা এ বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেতে চাইছে তাদের নির্দ্বিধায় গুলি করে হত্যাও করছে চীন।

আই. কে. জে/ 

উইঘুর শিক্ষাবিদ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন