বুধবার, ১৪ই জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মুসলিম ব্রাদারহুডের তিনটি শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের *** শেষ চার মাস মন্ত্রণালয়ে আমাকে কাজ করতে দেওয়া হয়নি: মাহফুজ আলম *** হাদি-মুছাব্বির-সাম্য হত্যার বিচার হতে হবে এ মাটিতে, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল *** বাহরানে প্রবাসীর বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালট, ব্যবস্থা চায় বিএনপি *** অভ্যুত্থানের পর দেশে আট মাস যেভাবে পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী *** পাকিস্তানের ‘দরদ’ দেখানোর প্রয়োজন নেই, বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রসঙ্গে হামিন *** চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি পেলেন ৯ জুলাই যোদ্ধা *** যে ইস্যুতে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি *** ‘সাংবাদিকদের স্নাতক হওয়ার বাধ্যবাধকতায় সাংবিধানিক অধিকার খর্ব হবে’ *** বাম ও মধ্যপন্থী মতাদর্শের তরুণদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আসছে

ওয়াগনার বাহিনী নাইজারে অস্থিরতার সুযোগ নিচ্ছে- ব্লিঙ্কেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:২১ পূর্বাহ্ন, ৯ই আগস্ট ২০২৩

#

ছবি- সংগৃহিত

রাশিয়ার ভাড়াটে যোদ্ধা ওয়াগনার বাহিনী নাইজারে সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে সৃষ্ট অস্থিশীলতার সুযোগ নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

মঙ্গলবার (৮ই আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ব্লিঙ্কেন।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুমকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে নাইজারের সেনাবাহিনী। এর পর থেকে দেশটি জান্তার শাসনে রয়েছে।

বিবিসি’র খবরে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের নেতারা ওয়াগনার গ্রুপের সহযোগিতা চেয়েছেন বলে কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এছাড়া নাইজারের প্রতিবেশী দেশ মালিতে ওয়াগনার যোদ্ধাদের উপস্থিতি রয়েছে।

ব্লিঙ্কেন বলেছেন, তিনি মনে করেন না রাশিয়া বা ওয়াগনার নাইজারে অভ্যুত্থানে উসকানি দিয়েছে। তবে বাহিনীটি সাহেল অঞ্চলের একাংশে নিজেদের উপস্থিতি সম্ভবত বাড়াচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ।

ব্লিঙ্কেন আরো বলেন, আমি মনে করি নাইজারে যা ঘটেছে এবং ঘটছে তাতে রাশিয়া বা ওয়াগনারের উসকানি নেই। কিন্তু তারা এর সুবিধা নিতে চাইছে। ওয়াগনার যেখানেই গেছে সেখানে মৃত্যু, ধ্বংস ও শোষণ হয়েছে। অনিশ্চয়তা কমেনি বরং বেড়েছে।  

তিনি আরো বলেছেন, অপর দেশগুলোতে তারা খারাপ কিছু ছাড়া ভালো কিছু নিয়ে আসেনি এবং ইতোপূর্বে এটির পুনরাবৃত্তিও ঘটছে।

ধারণা করা হয়, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও মালিতে ওয়াগনারের কয়েক হাজার যোদ্ধা রয়েছে। দেশ দুটিতে বাহিনীটির লোভনীয় বাণিজ্যিক স্বার্থ রয়েছে। একই সঙ্গে তারা রাশিয়ার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে ওয়াগনারের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এরপরও নাইজার সেনাবাহিনী সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে বাহিনীটির সহযোগিতা চেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে পশ্চিম আফ্রিকার ১৫টি দেশ নিয়ে গঠিত সংস্থা ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়াস্টার্ন আফ্রিকান স্টেটস (ইকোয়াস)। সংস্থাটি গত রবিবারের (৬ আগস্ট) মধ্যে শাসনক্ষমতা গণতান্ত্রিক সরকারের হাতে  ন্যাস্ত করার আলটিমেটাম দিয়েছিল। তবে তাতে কান দেয়নি নাইজারের জান্তা। এ ব্যাপারে যে করণীয় নির্ধারণ করা হবে তা নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

এম.এস.এইচ/


রাশিয়া অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ওয়াগনার গ্রুপ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250