বুধবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী করে তুলতে পারে’ *** মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে বিসিএস ক্যাডার, সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে *** নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না যুক্তরাষ্ট্র, খোঁজ-খবর রাখবে *** ‘প্রধান উপদেষ্টা ব্যস্ত, তাই ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠিয়েছেন’ *** ‘একজন সাংবাদিক জেলখানায় আছে, অথচ কেউ কিছু লেখেননি’ *** রোনালদো কি ৩৬৩ কোটি টাকার বিলাসবহুল ‘রিটায়ার্ড হোম’ বিক্রি করে দিচ্ছেন *** নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড মোতায়েন *** সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো *** জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে, সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত *** পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৩৩ হাজার প্রবাসী, দেশে পৌঁছেছে ২৯৭২৮

বহিরাগত নাগরিকদের উপর চীনের দমন-পীড়ন নীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, ২৫শে এপ্রিল ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ভিন্ন মতাদর্শের নাগরিকদের উপর সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে চুপ করানোর চেষ্টা করে অনেক শাসকগোষ্ঠী। তবে বর্তমানে এ কার্যক্রম আরো এক ধাপ এগিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে প্রায় ৩১ টি দেশ অন্যান্য দেশে বসবাসরত ভিন্নমতাবলম্বীদের উপর নির্যাতন চালিয়েছে। লাখ লাখ লোককে হয়রানি এবং ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে ভয় দেখানো হয়েছে। ভ্রমণ সংক্রান্ত নথি লুকিয়ে রাখা, কনস্যুলার পরিষেবাগুলো অস্বীকার করা এবং তাদের আত্মীয় পরিজনদের হুমকির মাধ্যমে মূলত নাগরিকদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। 

চীন এমনই একটি দেশ, যা প্রতিনিয়ত অন্যান্য দেশে বসবাসরত নাগরিকদেরকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। উইঘুর, তিব্বতিদের উপর চীনের দমন-পীড়ন নীতির বিরোধিতাকারী এবং রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদেরকে লক্ষ্য করে হুমকি প্রদান করেছে চীন। 

কিন্তু নেদারল্যান্ডসে প্রথমবারের মতো একটি ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে নেতৃস্থানীয় সংবাদপত্র "ডি ভোল্কস্কার্ন্ট" এর ডাচ সাংবাদিককে অজানা কারণে চীনা প্রতিনিধিরা হুমকি প্রদান করেছে। জানা যায়, মারিজে ভ্লাস্ক্যাম্প নামক এই সাংবাদিক ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত চীনের সংবাদদাতা ছিলেন। তিনি চীনে থাকাকালীন বিভিন্ন সংবেদনশীল বিষয়ে সমালোচনামূলক লেখালেখি করেছেন। নেদারল্যান্ডসেও তিনি ভিন্ন মতাবলম্বীদের সমর্থন প্রদান করেন। এজন্য তাকে চীনা প্রতিনিধিরা ভয়ভীতি দেখায়।

তিব্বত সাপোর্ট গ্রুপের সেক্রেটারি, সেরিং জাম্পা, অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপর চীনের দমন পীড়ন নীতির কথা তুলে ধরেন। সম্প্রতি, এপ্রিল মাসে "ডি ভোল্কস্কার্ন্ট" পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে জাতীয় সমন্বয়কের মনোযোগ প্রদানের আহ্বান জানানো হয়। ডাচ সরকার বিষয়টিকে অতি গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে গৃহীত প্রস্তাবিত ব্যবস্থা ব্যাখ্যা করে সংসদে একটি চিঠি প্রেরণ করেছে।

বিভিন্ন দেশে চীনাদের স্থাপিত অবৈধ পুলিশ স্টেশন তাদের দমন পীড়ন নীতি চালাতে সহযোগিতা করছে। তাছাড়াও শিকারদের ফাঁদে ফেলার জন্য ইন্টারনেট বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারও করছে চীন। তবে চীনের এই অবৈধ কার্যকলাপ রুখতে অবশ্যই প্রতিটি দেশকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এমএইচডি/ আই. কে. জে/

আরো পড়ুন:

পাকিস্তানে ছয়টি চীনা ফোন টাওয়ারে আগুন দিয়েছে বিএলএ

বহিরাগত নাগরিক চীন দমন-পীড়ন নীতি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250