রবিবার, ৩১শে আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ভিকারুননিসায় হিজাব বিতর্ক: বরখাস্ত শিক্ষিকাকে পুনর্বহালে সময় দিল শিক্ষার্থীরা *** মোদির পর চীনে পুতিন *** প্রাথমিকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শিগগির, কমিটি গঠন *** চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে সংঘর্ষে ‘উসকানি’ দেওয়া উদয় কুসুমকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার *** বাংলাদেশে খেলতে এসে কনটেন্ট বানাচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটার *** এক বছরে ১২৩টি সংগঠন ১৬০৪ বার সড়ক অবরোধ করেছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা *** জাতীয় পার্টির মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: আসিফ মাহমুদ *** বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের সময়ে পরিবর্তন *** এনসিপির চার সদস্যের প্রতিনিধি দল যমুনায় *** চীনে মোদির সঙ্গে বৈঠকে সি, সরাসরি ফ্লাইট, বাণিজ্য সম্পর্কসহ আলোচনায় যেসব বিষয়

আগামী সংসদে ফেসবুক নিবন্ধনের আইন হবে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৪:০৮ অপরাহ্ন, ২১শে নভেম্বর ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আগামী সংসদে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাংলাদেশে বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন নিতে আইন হবে বলে আশা করি। 

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের গুজব প্রতিরোধ সেল এবং ফ্যাক্টস চেকিং কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

গুজব প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সঙ্গে সরকার আলোচনা করছে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেটাও একটা বড় প্রতিবন্ধকতা। ভারত আইন করেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সব সার্ভিস প্রোভাইডারের সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আইন করেছে, সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। যুক্তরাজ্য আইন করেছে, সেখানে নিবন্ধিত হতে হবে। অন্যান্য দেশে আইন করেছে। আমাদের দেশে এখনো আইনটি হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা তাদের (সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম) সঙ্গে আলোচনা করছি, বারবার তাগাদা দিচ্ছি। এখানে অফিস করার জন্য বলছি, বাংলাদেশে আইনের নিবন্ধিত হওয়ার জন্য বলছি। তবে তাদের এখানে নিবন্ধিত হতেই হবে সেই বাধ্যবাধকতা আরোপ করা আইনটি এখনো করা হয়নি। সেটি করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। এখন তো আইন করার সময় নেই। আগামী পার্লামেন্টে ইনশাআল্লাহ এ বিষয়ে আইন হবে।

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশ থেকে যে এ ধরণের গুজব ছড়ানো হয় সেগুলোর ব্যাপারে আমরা ওয়াকিবহাল এবং আগের তুলনায় সেটি কমেছে। আপনারা দেখেছেন, এই গুজব ছড়ানোর জন্য বিএনপি এবং জামাত তাদের যে সব পেইড এজেন্টদেরকে ঠিক মতো পয়সা দেয়নি, সেই প্রেক্ষিতে যারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তাদের অডিও ভাইরাল হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিরা কয়েক জায়গায় মামলাও করেছে। সুতরাং কেউ যদি মনে করে যে বিদেশে বসে বসে গুজব রটাবে আর সে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকবে সেটি কিন্তু নয়।’  

এখন নির্বাচন নিয়েও অনেক গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করা হবে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘করোনার টিকার বিরুদ্ধে এবং পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় গুজবের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকার জন্য মূলধারার গণমাধ্যমকে আমি ধন্যবাদ জানাই। সাংবাদিকদের অনুরোধ করবো, আগে যেমন আপনারা জাতির প্রয়োজনের নিরিখে এবং করোনার সময়েও যেভাবে কাজ করেছেন এখন নির্বাচনকে সামনে রেখে যাতে কেউ গুজব ছড়াতে না পারে, অপপ্রচার করতে না পারে, সে জন্য আপনারা আগের মতোই গুজবের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবেন, সেটিই আমার প্রত্যাশা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজবের বিরুদ্ধে যদি “কাউন্টার পোস্ট” দেওয়া হয় তাহলে গুজব সহজে ছড়াবে না। এ জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।’

ওআ/

ফেসবুক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন