শনিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘আসিফ নজরুল তৃতীয় শ্রেণির লেখক’ *** নরসিংদীতে কিশোরীকে অপহরণ ও হত্যা: প্রধান আসামি গাজীপুরে গ্রেপ্তার *** ফাওজুল কবিরের সরকারি বাসায় সাবেক উপদেষ্টাদের ইফতার ও নৈশভোজ *** আমি কিছু দেখিনি, ভুল কিছু করিনি—বিল ক্লিনটনের সাক্ষ্য *** হতাহত নিয়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের পাল্টাপাল্টি দাবি *** ‘কোনো নির্বাচনই শতভাগ নিখুঁত হয় না’ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার বিষয়টি তদন্ত হবে: মির্জা ফখরুল *** তালেবানের পৃষ্ঠপোষক থেকে কেন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠল পাকিস্তান *** ‘ড. ইউনূসের সময়কালে অপসারণ চেষ্টা’—রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের *** কবি মোহন রায়হানকে ‘অপমান’ করায় উদীচীর নিন্দা

পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ক্ষমতা বাড়াবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, ১৮ই জুলাই ২০২৩

#

ডোনাল্ড ট্রাম্প - ছবি: সংগৃহীত

আগামী নির্বাচনে জয়ী হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর পাশাপাশি সরকারের নির্বাহী বিভাগকেও ঢেলে সাজাবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সোমবার (১৭ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মুদ্রাস্ফীতি কমানো, সীমান্ত সুরক্ষা ও মার্কিন সমাজের মূল্যবোধ রক্ষায় প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার এক মুখপাত্র।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রশাসনের ক্ষমতা কমিয়ে আনা ও দেশটির নির্বাহী বিভাগকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প। আর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী বাধা সৃষ্টি করলে তাকে সহজেই চাকরিচ্যুত করার উদ্দেশ্যেই প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়াতে চান তিনি।

সাবেক এ প্রেসিডেন্টের দাবি, মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে সম্পূর্ণ নির্বাহী বিভাগের ওপর প্রেসিডেন্টের পুরোপুরি কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন এ অনুচ্ছেদকে কাজে লাগিয়েই নিজের ‘বিতর্কিত’ কর্মকাণ্ডকে যৌক্তিক বলে দাবি করতেন ট্রাম্প। তাই দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলে এ অনুচ্ছেদকে কাজে লাগিয়ে নিজের ক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন তিনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প যদি নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়াতে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নিজের ইচ্ছামতো সংস্কার আনেন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের উদার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেই সঙ্গে মার্কিন সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার যে ভারসাম্য রয়েছে তাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনকি দেশটিতে কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ারও ঝুঁকি সৃষ্টি হবে।

নিউ ইয়র্ক পোস্ট বলছে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীন সংস্থাগুলো- যেমন ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন, যা টেলিভিশন ও ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর জন্য নিয়ম তৈরি করে ও প্রয়োগ করে এবং ব্যবসায়িক নীতি বা বিধি প্রয়োগকারী সংস্থা ফেডারেল ট্রেড কমিশনের উপর সরাসরি কর্তৃত্ব নিতে চান।

তাছাড়া প্রেসিডেন্টের পছন্দ নয়, এমন কাজে বা প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে না, এমন নিয়ম আবারও ফিরিয়ে আনতে চান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ তম প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের সময় (১৯৬৯-১৯৭৪) এ নিয়ম বাতিল করা হয়।

ট্রাম্প অতি গর্বের সঙ্গে তার এসব ইশতেহার মানুষের কাছে তুলে ধরছেন। নিজের প্রচারাভিযানের ওয়েবসাইটে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ফেডারেল শিক্ষা বিভাগে ‘অনুপ্রবেশকারীদের” খুঁজে বের করে অপসারণ করবেন।

আরো পড়ুন: হিরো আলমের ওপর হামলা নিয়ে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র

মিশিগানের এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, আমরা রাষ্ট্রের অতি গভীরে লুকিয়ে থাকা সমস্যাগুলোকে ধ্বংস করে দেবো। আমরা আমাদের সরকার থেকে যুদ্ধবাজদের বের করে দেব। আমরা বিশ্ববাদী, কমিউনিস্ট, মার্কসবাদী ও ফ্যাসিস্টদের তাড়িয়ে দেব। দেশকে যারা ভালোবাসে না এমন রাজনৈতিক শ্রেণিকে ছুঁড়ে ফেলব।

এম/


ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250