শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিধ্বস্ত পরমাণু স্থাপনা ফের নির্মাণ করছে ইরান *** ‘ছেলেরে কই খুঁজব, জঙ্গলে নাকি পানিতে’—নিখোঁজ সন্তানের সন্ধান চেয়ে কুবি শিক্ষকের আহাজারি *** জার্মানিতে ‘নব্য-নাৎসিদের উত্থান’ দেখে আতঙ্কিত ইউরোপ, বদলে যাচ্ছে কি রাজনীতির সমীকরণ *** প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর কেন সংক্ষিপ্ত হচ্ছে *** প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে উঠলেন ফুটপাতে বাস করা গোলাপি বেগম *** রাজধানীতে ৪ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার বাসে আগুন *** দুই দেশের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে পলাতক নানকের বিলাসী জীবন *** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের বৈঠক রাত ৯টায়: দ্য ওয়াল *** তেজগাঁওয়ে মসজিদে গোপন বৈঠক, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ *** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিলের গুজব, নেপথ্যে কাদের–নানকপন্থীরা?

বৃষ্টির জন্য নবিজি (সা.) যে দোয়া করেছিলেন

ধর্ম ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:২১ অপরাহ্ন, ২৯শে এপ্রিল ২০২৩

#

প্রতীকী ছবি

বৃষ্টির জন্য নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দোয়া করেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু সে দোয়াটি কী?

হজরত জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন একদিন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে কতিপয় লোক (বৃষ্টি না হওয়ায়) ক্রন্দনরত অবস্থায় এলে তিনি দোয়া করলেন-

اللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيثًا مَرِيئًا مَرِيعاً نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ عَاجِلاً غَيْرَ آجِلٍ ‏

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মাসক্বিনা গাইছান মুগিছান মারিয়ান মারিআন নাফিআন গাইরা দাররিন আঝেলান গাইরা আঝেলিন।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো।’

বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তাদের উপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যায় (এবং বৃষ্টি হয়)।’ (আবু দাউদ ১১৬৯, ইবনু খুযাইমা ১৪১৬, মেশকাত ১৫০৭)

আরো পড়ুন: যে ৪ কাজ মুমিনের মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়

অন্য বর্ণনায় এসেছে, হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, এক বেদুইন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসুল! আমি অবশ্যই এমন এক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আপনার কাছে উপস্থিত হয়েছি যাদের রাখালদের পর্যাপ্ত আহারের সংস্থান নেই, এমনকি তারা তাদের চতুস্পদ জন্তুর বেঁচে থাকার আশাও ত্যাগ করেছে। তিনি (নবীজি) নামাজ পড়লেন এরপর মিম্বারে উঠে আল্লাহ্‌র প্রশংসা করলেন, এরপর দোয়া করলেন-

اللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيثًا مَرِيئًا طَبَقًا مَرِيعًا غَدَقًا عَاجِلاً غَيْرَ رَائِثٍ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মাসক্বিনা গাইছান মুগিছান মারিয়ান ত্ববাকান মারআন গাদাক্বান আঝেলান গাইরা রায়িছিন।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাদের সাহায্যকারী বৃষ্টির পানি দান করুন যা সুপেয়, পর্যাপ্ত, ফসল উৎপাদক, প্রচুর, অবলম্বনে, বিলম্বে নয়।’

এরপর তিনি মিম্বার থেকে নামলেন। এরপর যে সকল লোকই তাঁর কাছে এসেছে তারাই বলেছে, আমাদের এখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে।’ (ইবনে মাজাহ ১২৭০)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, অনাবৃষ্টিতে নামাজ পড়ে উল্লেখিত দোয়া পড়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করা। হাদিসের ওপর আমল করা। আশা করা যায়, আল্লাহ বৃষ্টি দান করবেন।

এমএইচডি/ আই. কে. জে/

হাদিস বৃষ্টির জন্য দোয়া নবিজি (সা.) মুমিন মুসলমান আল্লাহ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250