রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সীমা লঙ্ঘন না করার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর *** বরাদ্দ করা কক্ষে উইপোকা, মধ্যরাতে সার্কিট হাউস ছাড়লেন জামায়াত নেতা *** হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছুঁইছুঁই *** আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অপরাধী নন, রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার: শেখ হাসিনা *** মদপানে পুলিশ কর্মকর্তার মাতলামি, কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার *** জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী *** দাবি না মানলে সরকার পতনের আন্দোলন: শফিকুর রহমান *** জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে *** ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লা উত্তোলনের উদ্যোগ নিলে গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি *** লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে না, সরকারকে সময় দিতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

বেড়েছে তিস্তার পানি, খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ গেট

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:০৮ অপরাহ্ন, ১৯শে জুন ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বাড়তে শুরু করেছে তিস্তা নদীর পানি। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৯৩ সেন্টিমিটার। যা বিপদসীমার দশমিক ২২ সেন্টিমিটার (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এর আগে সকাল ৬টা ও সকাল ৯টায় এই পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার ও ৫২ দশমিক ২ সেন্টিমিটার।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাত থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করেছে। সকাল থেকে অবশ্য পানি কমতে শুরু করেছে। এভাবে কমতে থাকলে বিকেলের দিকে পানি পুরোপুরি কমে যেতে পারে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি বেড়েছে। তবে ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: ১৩ হাজার টিকিট পেতে ৫৩ লাখ হিট, এক ঘণ্টায় সব আসন শেষ


তিনি আরও বলেন, বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়া-কমার মধ্যে থাকবে। পানি বাড়লে তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। বন্যা মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সর্বদা প্রস্তুত আছে।

এদিকে হঠাৎ তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারী ও লালমনিরহাটের নদী-তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরের অনেক বসতবাড়িতে পানি উঠেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এছাড়া ফসলের খেত পানিতে ডুবে গিয়ে ফসলহানির আশঙ্কায় আছেন কৃষকরা। পানি বাড়ার ফলে গবাদি পশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন অনেকে।

ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই এলাকার বাসিন্দা রমজান আলী বলেন, হঠাৎ রাতে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। পানি বেড়ে যাওয়ায় রাতে আমরা জেগেছিলাম, এখন পানি কিছুটা কমেছে।

একই এলাকার একরামুল হক বলেন, এতদিন তো নদীতে পানি ছিল না। হঠাৎ পানি বাড়ছে। ভারত মনে হয় পানি ছেড়ে দিয়েছে। আমাদের যখন পানি লাগে তখন ভারত পানি দেয় না। আর এখন হঠাৎ তারা পানি ছেড়ে দিয়ে আমাদের এলাকায় বন্যা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।

টেপা খড়িবাড়ী পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক  বলেন, আমার এলাকার কিছু জায়গায় পানি প্রবেশের খবর পেয়েছি। ওসব এলাকাগুলোতে সবসময় খোঁজ-খবর রাখছি।

এসি/আইকেজে 

তিস্তা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250