মঙ্গলবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘ড. ইউনূসের মতো অপরাধীদের জেলে থাকা উচিত’ *** ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে ৩রা মার্চ *** এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারে দাম কমল ১৫ টাকা *** ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষিত মামলাগুলোও খতিয়ে দেখবেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর *** গভর্নরকে স্বৈরাচার আখ্যা: শোকজের পরদিন তিন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি *** পুলিশের নতুন আইজি আলী হোসেন ফকির *** অস্থির মেক্সিকো থেকে একজন কর্মীকে ফেরাতে সব ফ্লাইটে টিকিট কিনল এক কোম্পানি *** প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টা কে কোন দায়িত্ব পেলেন *** শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন ও বগুড়া-৬-এর উপনির্বাচন হতে পারে ৯ই এপ্রিল *** কোটা নয়, মেধা বিবেচনায় আমার বাংলা একাডেমি পুরস্কার: ইসরাইল খান

মেহেরপুরে আগাম গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজে কৃষকের বাজিমাত

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৫৭ অপরাহ্ন, ২রা ডিসেম্বর ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

মেহেরপুরে আগাম গ্রীষ্মকালীন নাসিক জাতের পেঁয়াজ চাষে সফলতা পেয়েছেন কৃষকরা। এ বছর জেলাজুড়ে দুই হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হচ্ছে। পেঁয়াজের জমিতে সাথি ফসল হিসেবে মুলা ও পালং শাকও আবাদ করছেন তারা।

এদিকে নতুন পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করায় কেজিতে ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা কমে  ক্রেতারা পেঁয়াজ কিনতে পারছেন।

কৃষকরা বলছেন, ভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি না হলে এবং ন্যায্য দাম পেলে তারা লাভবান হবেন। 

কৃষি বিভাগ বলছে, গ্রীষ্মকালীন আগাম জাতের পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। 

সীমান্তবর্তী জেলা মেহেরপুরের মাঠজুড়ে গ্রীষ্মকালীন নাসিক-৫৩ জাতের পেঁয়াজ চাষ হচ্ছে। গেল বছর পেঁয়াজের ভালো দাম পেয়ে এ বছরে আগাম জাতের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ আবাদ করেন  অধিকাংশ কৃষক। 

সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে পেঁয়াজের চারা রোপণ করে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে উঠতে শুরু করেছে। প্রতিবিঘা জমিতে ৬০ থেকে ৬৫ মন পেঁয়াজ হবে বলে আশা কৃষকদের।

জেলা কৃষি অফিসের ডেভেলপমেন্ট কর্মকর্তা আশরাফুন্নেসা গণমাধ্যমকে বলেন, মেহেরপুর জেলার তিনটি উপজেলার বিভিন্ন মাঠে এ বছর নাসিক-৫৩ জাতের পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে। এ জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদন হবে প্রায় ৪৮ হাজার ২০০ টন। এক কাঠা জমিতে সাড়ে তিন থেকে ৪ মণ পেঁয়াজ উৎপাদন হওয়ার আশা চাষিদের। যা জেলার চাহিদার প্রায় তিনগুণ। 

গাংনীর জুগিন্দা গ্রামের পেঁয়াজ চাষি সাহারুল ইসলাম, ফয়েজ উদদীন, আব্দুল কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা এর আগে কখনও গ্রীষ্মকালীন নাসিক-৫৩ জাতের পেঁয়াজের আবাদ করিনি। স্থানীয় পলাশীপাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির কৃষি অফিসারের পরামর্শ পেয়ে এ বছর গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের আবাদ করি। পেঁয়াজ অনেক ভালো হয়েছে। ফলনও ভালো হচ্ছে। বাজারে নতুন পেঁয়াজের চাহিদা বেশি। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জমি থেকে পেঁয়াজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা থেকে ৯০ টাকা কেজি।

আমাদের জেলায় কমবেশি বিভিন্ন জাতের পেঁয়াজ আবাদ হয়। গেল বছর দুএকজন কৃষক গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ আবাদ করে লাভবান হন। এ বছর পেঁয়াজের আবাদে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক। একইসঙ্গে পেঁয়াজের জমিতে সাথি ফসল হিসেবে মুলা ও পালং শাক আবাদ করেছেন চাষিরা।

আরো পড়ুন : বেশি দামে আলু বিক্রি, ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

এস/ আই.কে.জে/ 


পেঁয়াজ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250