ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
নিম্নমানের পাঠ্যবই সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, পাঠ্যবইয়ের মানের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। ইতিমধ্যে যেসব নিম্নমানের বই পাওয়া গেছে, সেগুলো বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আজ শনিবার বিকেলে আয়োজিত ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাঠ্যপুস্তক ছাপায় গুণগত মানের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। কাগজ, কালি, ছাপাখানা—কোনো ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়া হবে না। নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী চান দেশীয় মুদ্রণশিল্প গড়ে উঠুক। এ কারণে এ বছর বিদেশি কোনো কোম্পানিকে মুদ্রণের কাজ দেওয়া হয়নি।
ভবিষ্যতে মিড ডে মিল কর্মসূচি সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু রয়েছে। ভবিষ্যতে এ কর্মসূচি সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
মানসম্মত খাবার সরবরাহের লক্ষ্যে মিড ডে মিল কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কুপনব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা কুপন দিয়ে ক্যানটিন থেকে নিজেদের খাবার কিনতে পারবে। খাদ্যতালিকায় আরও নতুন খাবার যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে খাবার সরবরাহের প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণের চিন্তাও রয়েছে। প্রথমে কয়েকটি জেলায় এ ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে পরে সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।
খবরটি শেয়ার করুন