ছবি: সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে আনার পর লাতিন আমেরিকার আরও তিন দেশের প্রতি সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মাদক চোরাচালানে সরকারের সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টের অভিযোগ তুললেন কিউবা, মেক্সিকো ও কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে। তথ্যসূত্র: বিবিসি।
এ ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুর কথা বলে আবারও ডেনমার্কের অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের এই আগ্রাসনে শুধু আন্তর্জাতিক প্রথাই ভঙ্গ হয়নি; বরং এই অপহরণের মাধ্যমে এটা স্পষ্ট হয়েছে, কোনো আইন এখন কাজ করছে না।
ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর খনিজ সম্পদ আহরণের জোর দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মূল্যস্ফীতি সামাল দেওয়ার জন্য এই পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলেছেন প্রকাশ্যেই।
বলা হয়ে থাকে, উত্তর আমেরিকার সুদূর উত্তর-পূর্বে সুমেরু অঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। দ্বীপটির এ বিপুল সম্পদ অনেকের আগ্রহের জায়গা। তবে এর খনিজ সম্পদের বেশির ভাগ অব্যবহৃত অবস্থায় আছে।
নিকোলা মাদুরোকে অপহরণের পর গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আবারও কথা বললেন তিনি। গত রোববার আবারও জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যু তুলে এই গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা তিনি বলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য আটলান্টিকে গত রোববার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন। এই এলাকা আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই প্রয়োজন।’ তার মতে, এলাকাটি ঘিরে রেখেছে রাশিয়া ও চীনের জাহাজগুলো।
ট্রাম্পের এই সাক্ষাৎকার প্রকাশের পরপরই হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলারের স্ত্রী কেটি মিলার গ্রিনল্যান্ডের একটি ছবি প্রকাশ করেন। এতে দেখা যায়, পুরো গ্রিনল্যান্ড ঢেকে আছে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায়। এর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘খুব শিগগির’।
খবরটি শেয়ার করুন