সোমবার, ১২ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্তরা’ এক হতে পারে, এমপিদের সতর্ক করলেন তারেক রহমান *** অপকর্মে জড়ালে নেতা-এমপি-মন্ত্রী কারও ছাড় নেই: প্রধানমন্ত্রী *** দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘প্রতারক’ দুয়োর জবাব মাঠেই দিল ম্যানসিটি *** সৌদি আরবের বিমানবন্দরে আবারও হুতিদের হামলা, টার্মিনালে আগুন *** রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আটকা পড়েছেন অন্তত ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী *** ‘লড়াই মাত্র শুরু’—দেশজুড়ে আন্দোলনের ঘোষণা ককরোচদের *** শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় *** রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে অঙ্গীকারবদ্ধ বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** সৌদিতে মক্কা-মদিনার বাইরে নতুন হামলার হুমকি হুতিদের

ফুলকপি ও লাউয়ের মিশ্র চাষে লাভবান জামালপুরের কৃষক আনিস

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, ৩০শে নভেম্বর ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচড ইউনিয়নের বাওরামারি এলাকার বাসিন্দা মো. আনিস। তার বয়স ৪৫ অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে ৩০ বছর ধরেই কৃষক হিসেবে যুক্ত আছেন। কৃষিকাজ করেই তিনি সফল। প্রতি বছর বিভিন্ন মৌসুমি শাক-সবজি চাষ করেন। এবারও নিজের ৩ বিঘা জমিতে ফুলকপি ও লাউয়ের মিশ্র চাষ করেছেন। নিয়মিত যত্ন নিচ্ছেন। তার বিশ্বাস এবারও লাভবান হবেন।

মো. আনিস পরিবারের হাল ধরে আছেন কৃষিকাজের ওপর নির্ভর করে। নিজের ৩টি ক্ষেতে এবার ১৭ হাজার ফুলকপি লাগিয়েছেন। তার ওপর মাচা দিয়ে ২০০ লাউয়ের চারা রোপণ করেছেন। যা কয়েকদিনের মধ্যে উত্তোলন করে বাজারে তুলতে পারবেন।

এই কৃষক জানান, ১৭ হাজার ফুলকপি চারার প্রত্যেকটিতে ৫-৬ টাকা করে ব্যয় হয়েছে। ২০০ লাউ চারা ও মাচার জন্য ব্যয় হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। ফুলকপি চারা রোপণে এ পর্যন্ত ৯০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা খরচ করেছেন। আরও কিছু টাকা খরচ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। রোপণের দেড় মাস পরই উত্তোলন করা হয় এসব সবজি। নিয়ম অনুযায়ী আগামী ২০ দিনের মধ্যে ফুলকপি তুলতে পারবেন। ফুলকপি শেষ হয়ে আসার আগেই লাউ উত্তোলন শুরু হবে। এ মিশ্র চাষে তিনি বেশি লাভবান হওয়ার আশা করছেন।

মো. আনিস বলেন, ‘প্রায় ৩-৪ লাখ টাকার সবজি বিক্রি করা সম্ভব। বিগত দিনেও প্রায় ৫০ শতাংশ লাভ করে আসছি। এ বছর মিশ্র ফসলি ক্ষেতে জৈব, টিএসপি আর গোবর সার প্রয়োগ করেছি। তিনদিন পর পর চারায় পানি দিই। অক্টোবরের মাঝামাঝি চারা রোপণ করা হয়।’

আরও পড়ুন: আমন ধান কাটার মওসুমে কৃষকের ঘরে নবান্নের উৎসব

তার সহযোগী সুজনের দেখভালে এখন পর্যন্ত ভালো ফলনের দেখা পেয়েছেন। প্রতি বছরই ১৭ থেকে সাড়ে ১৭ হাজার চারার মধ্যে অন্তত ১ হাজার ফুলকপি চারা বাদ যায়। এতে তেমন কোনো সমস্যা হয় না। নিয়মিত কাজ করা সুজন বলেন, ‘এবার মিশ্র ক্ষেতে বাম্পার ফলন হয়েছে। এবারও ভালো লাভবান হবো। এখন পর্যন্ত আবাদের তেমন কোনো চারা বাদ যায়নি। সে ক্ষেত্রে অল্প কিছু চারা বাদ পড়লেও প্রভাব পড়বে না।’

জামালপুর কৃষি কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘বর্তমানে জামালপুরে ১১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে কৃষকেরা শীতকালীন চাষাবাদ করছেন। আমরা নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমরা শুধু ফুলকপি ও লাউ চাষির সুবিধা দেওয়ার কথা ভাবি না। সব কৃষিপণ্য চাষিদের সেবা দিতে হয়। তবে মিশ্র ফসল চাষ করে একাধিক কৃষক বেশি লাভবান হচ্ছেন। 

এসি/ আই.কে.জে/

মিশ্র চাষ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250