শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১লা কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সময় বাংলাদেশের ওয়াকআউট *** হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, মোট ১১৮১ *** দুর্গাপূজার আগে প্রতিমা ভাঙচুর ও মন্দিরে হামলার ৩৪ ঘটনা: পূজা উদযাপন পরিষদ *** জাপানকে টপকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ অর্থনীতির পথে ভারত *** দুর্গাপূজায় প্রথমবারের মতো বিআরটিসির বিশেষ বাস সার্ভিস, চালু ২০ অক্টোবর *** সৌদির বিমানবন্দরে বিধিনিষেধ: ১০৩ ফ্লাইটে প্রভাব, ভোগান্তিতে ১৫৭৭৯ যাত্রী *** পাকিস্তানে স্কুলের ছাদ ধসে শিক্ষার্থী-শিক্ষকসহ নিহত ২৮ *** বকেয়া দাবিতে গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে সরানো হলো শ্রমিকদের *** চার ঘণ্টা পর সড়ক ছাড়লেন উত্তরার পোশাকশ্রমিকেরা *** ব্রিকসের পর বিমসটেকেও বাংলাদেশের ‘যথোপযুক্ত প্রতিনিধি’ না থাকা নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন জয়সওয়াল

বলিউডে হিন্দু অভিনেত্রীরা ইসলামপন্থীদের সংস্পর্শে এসে বামপন্থী হয়ে যায়: কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, ৪ঠা আগস্ট ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে সোচ্চার ও বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য পরিচিত বলিউড অভিনেত্রী ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বার্তায় নিজেকে ‘জাগ্রত হিন্দু’ হিসেবে গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, একসময় তিনি একজন ‘উদারপন্থী’ বা ‘মধ্যপন্থী’ হিন্দু ছিলেন। তবে বর্তমানে তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ও বিজেপির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ভাবধারায় রূপান্তরিত হতে চান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক বার্তায় কঙ্গনা বলেন, সমালোচকেরা তার অতীত নিয়ে কী বলছেন তা নিয়ে তিনি কোনো আত্মপক্ষ সমর্থন করতে চান না। বরং তিনি একটি সুনির্দিষ্ট ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ধারার দিকে এগোতে চান।

ইনস্টাগ্রাম বার্তায় কঙ্গনা বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি আগে একজন সাধারণ ও উদারপন্থী হিন্দু ছিলাম। আজ আমাকে নানাভাবে হেনস্তা করে প্রশ্ন করা হচ্ছে যে আমি কবে থেকে “সংঘি” হলাম? আমি বলতে চাই, আমি সংঘি হতে চাই। আমি বিজেপি এবং আরএসএসের আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন সচেতন হিন্দু হতে চাই।’

রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে নিজের রূপান্তরিত হওয়াকে ‘ধর্মান্তর’ বা ‘মতাদর্শগত পরিবর্তন’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, তার বেছে নেওয়া এই সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক পথকে যেন সমাজে অপরাধ হিসেবে না দেখা হয়।

বিনোদন জগতের হিন্দু ধর্মাবলম্বী অভিনেত্রীদের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অবস্থান নিয়েও মন্তব্য করেন এই বিজেপি সাংসদ। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, বলিউডের বহু নারী সহকর্মীকে তিনি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

কঙ্গনার দাবি, ‘সিনেমাজগতের এই হিন্দু অভিনেত্রীরা ধর্ম বা রাজনীতির ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকেন এবং তাদের নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকে না। সাধারণত তরুণ বয়সে এই ধরনের নিরপেক্ষতা দেখা যায়। কিন্তু পরবর্তীতে ইসলামপন্থীদের সংস্পর্শে এসে তাদের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন হতে শুরু করে এবং তারা বামপন্থী মতাদর্শে ঝুঁকে পড়ে।’

তবে ভারতের সংবিধানের কথা উল্লেখ করে কঙ্গনা যোগ করেন, যে কারও যেকোনো মতাদর্শ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে। একইভাবে হিন্দু নারীদেরও নিজেদের ধর্মীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা পালনের অধিকার থাকা উচিত।

অতীতে বিভিন্ন পার্টিতে অংশ নেওয়া বা সিনেমায় ‘আইটেম নম্বর’ করা নিয়ে সমালোচকদের মন্তব্যেরও জবাব দেন কঙ্গনা।

তিনি বলেন, ‘আমি অতীতে সবকিছুই করেছি। আমি আইটেম নম্বরের বিরুদ্ধে বা সমান পারিশ্রমিক নিয়ে আন্দোলন করিনি—এ কথা বলে আমি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চাই না। হ্যাঁ, আমি একসময় ভিন্ন মানসিকতার একজন উদারপন্থী হিন্দু ছিলাম।’

নিজের অধিকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘তাহলে আজ যদি আমি একজন সুনির্দিষ্ট আদর্শের অনুসারী ও সচেতন হিন্দু হতে চাই, তবে সেই পথ আমার জন্য কেন বন্ধ থাকবে? এই ধরনের দ্বিমুখী নীতি চলতে পারে না।’

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, একজন হিন্দু নারী হিসেবে নিজের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ বেছে নেওয়ার সম্পূর্ণ সংবিধানসম্মত স্বাধীনতা তার রয়েছে।

কঙ্গনা রানাওয়াত

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250