সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** চার এসপিকে বদলি-পদায়ন *** এমপি নজরুলের গ্রেপ্তারে স্পিকারকে চিঠি দিচ্ছে পুলিশ, দ্বিতীয় স্ত্রীর চিরকুটের তদন্ত চলছে *** বাড়ছে হুতিদের হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে ইরানের হুঁশিয়ারি *** জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী *** সাগরে শক্তিশালী হচ্ছে লঘুচাপ, ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি ঝড়ের আভাস *** আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যেভাবে ছড়াল আগুন *** আশুলিয়ায় কাভার্ড ভ্যান থেকে ৬ লাশ উদ্ধার *** জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রথম স্ত্রীসহ থানায় এমপি নজরুল *** সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা *** কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন

রায়ের অপেক্ষায় পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলা, আদালতে আসামি সোহেল-স্বপ্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, ৭ই জুন ২০২৬

#

ফাইল ছবি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ রোববার। বেলা ১১টায় মামলাটির রায় ঘোষণা করা হতে পারে। এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বলেন, রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলার রায় বেলা ১১টায় ঘোষণা করা হতে পারে।

এর আগে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একই মামলার অপর আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনই হাজতখানায় রয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল রোববার রায়ের তারিখ ধার্য করেন।

গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর পল্লবীর সেকশন-১১-এর একটি বাসার ৫ তলা ভবনের তৃতীয় তলার উত্তর পাশের কক্ষের বেডরুম থেকে আট বছরের শিশু দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার কাঁধ থেকে দুই হাত আংশিক বিচ্ছিন্ন ছিল। একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় ২০ মে ভোরে ওই শিশুর বাবা পল্লবী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই সোহেল রানা আদালতে জবানবন্দি দিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন।

এরপর ২৪ মে বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান। ওই দিনই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ১ জুন অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। ১ জুন অভিযোগ গঠনের পরদিনই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়।

গত মঙ্গলবার এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। এই মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250