ছবি: সংগৃহীত
ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা চালানো হলে কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
দেশটির নবগঠিত ‘ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদ’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান কেবল আক্রান্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং হুমকির ‘স্পষ্ট ইঙ্গিত’ পাওয়া গেলে প্রয়োজনে আগাম সামরিক ব্যবস্থা নেবে।
মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘটিত ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।
পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা হচ্ছে একটি ‘রেডলাইন’ বা অলঙ্ঘনীয় সীমা, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না। তবে ইরানের এই কঠোর অবস্থানের পেছনে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকেরা।
গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান যদি শান্তিকামী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘উদ্ধার’ করতে এগিয়ে আসবে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে সরাসরি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে তেহরান।
এ ছাড়া ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতন এবং লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতির প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। ইরান সরকার দাবি করছে, এই বিক্ষোভের পেছনে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের সরাসরি উসকানি রয়েছে।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন