মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মানবতাবিরোধী অপরাধ: জিয়াউল আহসানের হাজিরা ভার্চুয়ালি *** বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও কমাল আইএমএফ, মূলে জ্বালানি ও ব্যাংক খাতে সংকট *** ২২ ঘণ্টা ধরে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য *** বিমানবন্দরে বারবার প্রাণঘাতী হামলা, সৌদির আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা কেন বাজেনি *** দুর্গাপূজায় নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধসহ ১৬ নির্দেশনা *** সোনার দাম চার দিন পর কমল কত *** এসআইআর স্থগিতসহ ১০ দফা দাবি রাহুল গান্ধীর *** নিজেকে সর্বকালের সেরা ও পরিপূর্ণ ফুটবলার দাবি রোনালদোর *** অপমানিত ড. ইউনূস, বার্লিন সফর বাতিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের ওয়েবসাইট থেকে নাম বাদ *** সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা দিল পুলিশ

প্রাথমিকের অবশিষ্ট ৮১৭ প্রার্থীর নিয়োগের বিষয়টি পর্যালোচনাধীন: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত অবশিষ্ট ৮১৭ প্রার্থীর নিয়োগ সংক্রান্ত পর্যালোচনার কাজ ১ অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন করবে সরকার। আজ সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন বা যাচাই-বাছাই বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে এবং ওই সময়ের মধ্যে কোনোটি অমীমাংসিত থাকলে সঠিকটি সংখ্যা জানা যাবে। চূড়ান্ত সংখ্যাটি ২০, ৫০ নাকি ১০০ হবে, তা আমরা এখনো জানি না।

তিনি বলেন, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীর মধ্যে ১৩ হাজার ৮৫৪ জন চূড়ান্ত আবেদন জমা দিয়েছেন, আর ৫৩০ জন দেননি। সম্ভবত অন্য কোথাও চাকরি পাওয়ায় তারা আবেদন করেননি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দিচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রী মিলন জানান, যাচাই-বাছাই প্রতিবেদন না পৌঁছানো, ঠিকানা পরিবর্তন করা বা যোগাযোগ করতে না পারার কারণে কিছু ক্ষেত্রে এখনো নিয়োগপত্র দেওয়া সম্ভব হয়নি।

তিনি জানান, প্রয়োজনীয় তথ্য আসার সঙ্গে সঙ্গে তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই একটি সরকারি বাধ্যবাধকতা এবং এটি সম্পন্ন করতেই হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। মন্ত্রী প্রার্থীদের ১ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের সমালোচনা করে সেগুলোকে বিভ্রান্তিকর আখ্যা দেন। সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের একাংশ নিয়োগপত্রের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করার একদিন পর মন্ত্রী এ বিষয়ে কথা বললেন।

গতকাল আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এলাকা থেকে মিছিল বের করে শাহবাগ থানার সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন। তারা জানান, নিজেদের দাবি আদায়ে 'সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ' ব্যানারে আন্দোলন করছেন।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়। সেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।

তিনটি পার্বত্য জেলা বাদে ৬১টি জেলায় ৯ জানুয়ারি দেশব্যাপী লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন।

চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর নির্বাচিত প্রার্থীরা নিয়োগপত্র ও পদায়নের দাবিতে শাহবাগ এবং মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ করেন।

৩ মে মন্ত্রী বলেছিলেন, নির্বাচিত কোনো প্রার্থীকেই বাদ দেওয়া হবে না এবং 'খুব শিগগির' নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২ আগস্ট ঘোষণা দেয়, নিয়োগপ্রাপ্তরা যেন ১ অক্টোবরের মধ্যে তাদের নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে রিপোর্ট করেন।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250