শনিবার, ১০ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত পুরান ঢাকা *** এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা, ৪ যুগের কাহিনিতে সাজছে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ *** রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি, রাষ্ট্র সংলাপের আয়াসসহ ৪ জন ডিবি হেফাজতে *** নরেন্দ্র মোদিকে রাহুল গান্ধীর হুঁশিয়ারি, ‘মি. মোদি, আপনার যা খুশি করুন... সবাইকে গ্রেপ্তার করুন’ *** প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে *** দুর্গাপূজার আগে প্রতিমা ভাঙচুরের ধারাবাহিকতায় রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি *** সবাই পুরুষ জেনেও উড়োজাহাজে সিজেপি নেতাদের ধরতে নারী পুলিশ কেন *** সিজেপির নেতা–কর্মীদের ধরপাকড়ের পেছনে নরেন্দ্র মোদি সরকারের উদ্বেগ কী *** দিল্লিতে বিক্ষোভ: আটকের সংখ্যা বেড়ে ৫ হাজার *** দিল্লিতে বিক্ষোভ: মমতা, কেজরিওয়াল ও নেহা বোরা আটক

জয়ের অভিযোগ, দেশে আত্মগোপনে আল-কায়েদার শীর্ষ জঙ্গি—কে এই ইকরামুল?

বিশেষ প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৪২ অপরাহ্ন, ২২শে আগস্ট ২০২৬

#

ফাইল ছবি

আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের দাবি করা মাওলানা ইকরামুল হক এখন কোথায়—এই প্রশ্ন সামনে এসেছে আবার। ২০২৩ সালে ঢাকার মাদারটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ইকরামুল ২০২৪ সালের অক্টোবরে জামিনে মুক্তি পান। এরপর প্রায় ২২ মাস ধরে তার অবস্থান নিশ্চিত করতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এমন তথ্যই উঠে এসেছে সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে।

এই ঘটনাকে সামনে এনে আজ শনিবার নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। সেখানে তিনি ইকরামুলকে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তার অভিযোগ, জামিনে বের হওয়ার পর এত দিনেও একজন শীর্ষ জঙ্গি নেতাকে খুঁজে না পাওয়ার বিষয়টি গুরুতর নিরাপত্তা প্রশ্ন তৈরি করেছে।

জয় লিখেছেন, “মাওলানা ইকরামুল হক নামটি শুনলে হয়তো মনে হতে পারে তিনি একজন সাধারণ মাদ্রাসাশিক্ষক। কিন্তু বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে এই ব্যক্তি এখন অন্যতম বড় মাথাব্যথার কারণ। তিনি আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতা বলে অভিযোগ রয়েছে।”

জয়ের পোস্ট অনুযায়ী, ইকরামুল জামিনে মুক্ত হওয়ার পর প্রায় ২২ মাস ধরে নিখোঁজ। তার পাঁচটি কথিত ছদ্মনাম রয়েছে। এগুলো হলো আবু তালহা, মাওলানা সাবেত, নূর হোসেন, মনসুর ও মিলন। তার বিরুদ্ধে ভারতে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে বলেও পোস্টে দাবি করা হয়েছে।

ইকরামুল হক যে সময়ে জামিনে মুক্তি পান, সে সময় দেশে ক্ষমতায় ছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ওই সরকারের আমলেই ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে যান তিনি। এরপর থেকে তার অবস্থান নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে নেই।

অর্থাৎ, ইউনূস সরকারের আমলে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই ইকরামুল কার্যত পলাতক। প্রায় ২২ মাস ধরে তার অবস্থান শনাক্ত করতে না পারায় নিরাপত্তা মহলে প্রশ্ন উঠেছে, একজন কথিত শীর্ষ জঙ্গি নেতা কীভাবে জামিনে বেরিয়ে এত দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরের বাইরে থাকতে পারলেন।

ইকরামুলকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের যোগাযোগের যে অভিযোগ সামনে এসেছিল, সেই প্রেক্ষাপটে তার জামিনে মুক্তি এবং পরবর্তী সময়ে নিখোঁজ থাকার বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইকরামুলকে ২০২৩ সালের ৩০ মে ঢাকার মাদারটেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট বা সিটিটিসি। তার সঙ্গে তার স্ত্রী ফারিয়া আফরিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ঢাকার সবুজবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, ইকরামুলকে কয়েক দফা রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন বলে পুলিশ জানিয়েছিল।

ইকরামুলের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগের শুরুটা আরও আগে। ময়মনসিংহের বোরোরচরের বাসিন্দা ইকরামুল ঢাকার ফরিদাবাদ মাদ্রাসা থেকে ২০১৭ সালে দাওরায়ে হাদিস পাস করেন। পুলিশ ও তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসায় পড়ার সময় আনসার আল ইসলামের নেতা ওসমান গণি ওরফে আবু ইমরানের মাধ্যমে তিনি জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য ভারতে দেওবন্দে যান। সেখানে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার সঙ্গে যুক্ত হন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে তিনি সংগঠনটির দাওয়াহ বা প্রচার ও সদস্য সংগ্রহের কাজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন বলে পুলিশ জানায়।

ইকরামুলের বিরুদ্ধে ভারতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। পুলিশ বলেছিল, নূর হোসেন নামে একটি ভারতীয় পাসপোর্ট তার হাতে ছিল। তার স্ত্রীর নামেও মরিয়ম খাতুন পরিচয়ে আধার কার্ড করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীরা দাবি করেন। তার ঠিকানা দেওয়া হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের দিনহাটা এলাকায়।

ভারতের গণমাধ্যমেও ইকরামুলের গ্রেপ্তারের খবর তখন গুরুত্ব পায়। ২০২৩ সালের ৭ জুলাই টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, কলকাতা পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স ইকরামুল সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে ঢাকায় যায়। পত্রিকাটি তাকে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার দাওয়াহ ইউনিটের প্রধান এবং পূর্ব ভারতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর অন্যতম ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে। তার বিরুদ্ধে ভারতে প্রায় ১০টি মামলা থাকার কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়।

হিন্দুস্তান টাইমসও ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ইকরামুলের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশ করে। সেখানে তাকে ভারতের অন্যতম ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আল-কায়েদা সদস্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়। পত্রিকাটি জানায়, ঢাকায় সিটিটিসির হাতে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘদিনের অনুসন্ধানের অবসান ঘটে।

দ্য প্রিন্ট-এ প্রকাশিত বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনেও একই ধরনের তথ্য উঠে আসে। সেখানে বলা হয়, ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াডের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন বাংলাদেশি তরুণ জিজ্ঞাসাবাদে ইকরামুলের নাম জানিয়েছিলেন। তাকে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার দাওয়াহ ইউনিটের শীর্ষ নেতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ইকরামুলের সঙ্গে ভারতের জঙ্গি নেটওয়ার্কের যোগাযোগের বিষয়টিও তখন সামনে আসে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাসে গুজরাট থেকে চার বাংলাদেশি তরুণকে গ্রেপ্তার করেছিল ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ইকরামুলের নাম উঠে আসে বলে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছিল। এর আগে ২০২২ সালের অক্টোবরে মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পরও তার নাম ভারতীয় তদন্তকারীদের হাতে আসে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়।

ইকরামুলের গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়ে গবেষণামূলক বিশ্লেষণও প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার দাওয়াহ বিভাগের শীর্ষ নেতা ছিলেন এবং ভারত ও বাংলাদেশে সদস্য সংগ্রহে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদনে তার পাঁচটি ছদ্মনামের কথাও উল্লেখ করা হয়।

তবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে জামিনে মুক্তির পর ইকরামুলের অবস্থান নিয়ে এখন নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড–এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন ইকরামুল। এরপর প্রায় ২২ মাসেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি।

ইকরামুলের বাবা মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেছেন, তার ছেলে নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় পড়াতেন। তবে মাদ্রাসাটির নাম তিনি জানেন না। ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানও বলেছেন, ইকরামুল কোথাও একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন—এমন কথা তিনি শুনেছেন। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

এদিকে আলাপ–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক মাস আগে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইকরামুলের ময়মনসিংহের বোরোরচরের বাড়িতে গিয়ে তার বাবার সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে সেখান থেকেও তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বিষয়টিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। নিরাপত্তা পরিষদের বিশ্লেষণী সহায়তা ও নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ দলের ৩৮তম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা বাংলাদেশকে ব্যবহার করে সক্রিয় সেল গঠনের চেষ্টা করছে। সংগঠনটি বড় ঘাঁটির বদলে ছোট ও ছড়িয়ে থাকা সেলের দিকে যাচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটেই জয় তার পোস্টে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার বক্তব্যের মূল প্রশ্ন হলো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি একজন শীর্ষ জঙ্গি নেতার অবস্থান শনাক্ত করতে না পারে, তাহলে দেশে জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিস্তার ঠেকানো কতটা সম্ভব।

জয় লিখেছেন, “প্রায় ২২ মাস কেটে গেছে। অথচ পাঁচটি ভিন্ন নামে পরিচিত একজন মানুষের অবস্থান এখনও অজানা। এমন আপাতদৃষ্টিতে অসহায় পরিস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরি করতে পারে যে ক্ষমতার করিডোরের কাছাকাছি কেউ হয়তো পলাতক এই জঙ্গি নেতাকে সুরক্ষা দিচ্ছে।”

তবে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইকরামুলের কথিত যোগাযোগ বা তাকে কেউ আশ্রয় দিচ্ছেন—জয়ের এই অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ তার পোস্টে দেওয়া হয়নি।

সজীব ওয়াজেদ জয়

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত পুরান ঢাকা

🕒 প্রকাশ: ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা, ৪ যুগের কাহিনিতে সাজছে ব্যতিক্রমী পূজামণ্ডপ

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি, রাষ্ট্র সংলাপের আয়াসসহ ৪ জন ডিবি হেফাজতে

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩২ অপরাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

নরেন্দ্র মোদিকে রাহুল গান্ধীর হুঁশিয়ারি, ‘মি. মোদি, আপনার যা খুশি করুন... সবাইকে গ্রেপ্তার করুন’

🕒 প্রকাশ: ০৭:১৬ অপরাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে

🕒 প্রকাশ: ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, ১০ই অক্টোবর ২০২৬

Footer Up 970x250