ছবি: সংগৃহীত
দেশের বিরাজমান পরিস্থিতির পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্রের বিষয় নিয়ে আজ রোববার (৩১শে আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা করেছেন জামায়াত নেতারা। আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জামায়াত নেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অন্তর্বর্তী সরকারের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘একটি গ্রুপ আগে চাঁদাবাজি করত, এখন আরেকটা গ্রুপ চাঁদাবাজি করছে। কোথাও তো এই অন্তর্বর্তী সরকার এই দখলদারদের ব্যাপারে কোনো ভূমিকা নিয়েছে, আমরা এটা দেখি না।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘যে সরকার একটা বাসস্ট্যান্ড ক্লিয়ার করতে পারে না, একটা চাঁদাবাজকে ধরে শাস্তি দিতে পারে না, সেই সরকার এত বড় নির্বাচনে, এত বড় সন্ত্রাসী, এত কিছুকে কীভাবে ট্যাকেল করবে?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বলছি, আপনি এত দিন যা ছিলেন, এখন হচ্ছে সবচেয়ে বেশি কঠোর এবং শক্তিশালী প্রমাণের বিষয়। কারণ, নির্বাচন মতো বড় কাজটা আপনাকে করতে হবে।’
তাহের বলেন, ‘একটি দলের চাপে গতানুগতিক পদ্ধতিতে নির্বাচনে গেলে বেশির ভাগ দলের জন্য নির্বাচনে যাওয়া সংকুচিত হয়ে যাবে, প্রশ্নবোধক হয়ে যাবে, আমরা ট্রেন মিসও তো করে ফেলতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচন চাই ফেব্রুয়ারিতে, কিন্তু সকলে মিলে এসব প্রশ্নের একটা সমাধান করতে হবে এবং সকলের সন্তুষ্টি-সম্মতি এবং অংশগ্রহণের মাধ্যমেই নির্ধারিত সময়ে একটি সুষ্ঠু অবাধ উৎসবমুখর নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
তিনি জুলাই চার্টারের পূর্ণ বাস্তবায়ন চেয়ে বলেন, যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলো এই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে একমত হতে পারছে না, তাই ‘গণভোট ইজ দ্য সলিউশন’।
তিনি অভিযোগ করেন, এখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট হয়েছে, কারণ একটি দলকে আক্রমণাত্মক অবস্থানে রাখা হয়েছে, আর তাদের মতো দলকে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে যেতে হয়েছে।
আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে দ্বিতীয় স্বাধীনতার অন্যতম নায়ক উল্লেখ করে তার ওপর পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘তার ওপর পুলিশ যেভাবে হামলা করেছে তা ন্যক্কারজনক, অপ্রত্যাশিত বললে কম হবে। নতুন শব্দ তৈরি করে এ ঘটনার নিন্দা জানাতে হবে।’ তিনি এ ঘটনার তদন্ত করে যথাযথ বিচারের দাবি জানান।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন