সোমবার, ১২ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্তরা’ এক হতে পারে, এমপিদের সতর্ক করলেন তারেক রহমান *** অপকর্মে জড়ালে নেতা-এমপি-মন্ত্রী কারও ছাড় নেই: প্রধানমন্ত্রী *** দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘প্রতারক’ দুয়োর জবাব মাঠেই দিল ম্যানসিটি *** সৌদি আরবের বিমানবন্দরে আবারও হুতিদের হামলা, টার্মিনালে আগুন *** রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আটকা পড়েছেন অন্তত ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী *** ‘লড়াই মাত্র শুরু’—দেশজুড়ে আন্দোলনের ঘোষণা ককরোচদের *** শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় *** রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে অঙ্গীকারবদ্ধ বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** সৌদিতে মক্কা-মদিনার বাইরে নতুন হামলার হুমকি হুতিদের

সাতক্ষীরায় বাণ্যিজ্যিকভাবে কুল চাষে ঝুঁকছেন বেকার যুবকরা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় বেকার যুবক ও চাষীদের অনেকেই বাণ্যিজ্যিকভাবে  কুল চাষে ঝুঁকছেন। সাতক্ষীরা জেলায় চলতি মৌসুমে ৮৪১ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হয়েছে।

এর মধ্যে বল সুন্দরী, ভারত সুন্দরী, থাই আপেল, বাউকুল, আপেল কুল, তাইওয়ান কুল, নারিকেলি, নাইনটিসহ নানা জাতের কুল রয়েছে। অন্য ফসলের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় এ জেলার বেশির ভাগ অনাবাদি জমি এখন সারি সারি কুল গাছে ছেয়ে গেছে। সাতক্ষীরার বেলে দোঁয়াশ মাটি ও নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া কুল চাষের উপযোগী। 

জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা ও চট্টগামসহ বিভিন্ন জেলাতে সরবরাহ করা হচ্ছে এ কুল। এবার উৎপাদনও মোটামুটি ভালো হয়েছে বলে জানান চাষীরা। সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রকার কুলের সুনাম রয়েছে দেশে-বিদেশে। কুল চাষ করে এ জেলার অনেকেই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। দূর করেছেন বেকারত্ব, হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান।

সাতক্ষীরা সদরের কুলচাষী শেখ মেহেদী হাসান মিঠু জানান, বাংলা সনের ফাল্গুন মাসের শেষের দিক থেকে পুরাতন কুল গাছের ডাল কেটে ফেলে জমিতে সেচ ও পরিচর্যার কাজ শুরু হয়। কার্তিক মাসের প্রথম দিকে কুল গাছে ফুল ধরার পর বিভিন্ন কীটনাশক স্প্রে করা হয়। এ সময় কুল ফুলে মৌমাছির মাধ্যমে পরাগায়ন ঘটে। অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম দিকে  গাছে কুল ধরা শুরু হলে স্বাস্থ্য হানিকর নয় এমন হর্মোন স্প্রে করা হয়। পৌষ মাসের শুরুতেই  কুল পাকতে শুরু করে।  শেষ ফাল্গুন পর্যন্ত কুল পাওয়া যায়। জেলায় প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার ও ১৫ হাজারের বেশি নারী ও পুরুষ শ্রমিক এসব কুল বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার নগরঘাটা এলাকার কুল চাষী দেবাশীষ বলেন, আমি মৎস্য ঘেরের বেড়িতে কুল গাছ লাগিয়েছি। ফলনও ভালো হয়েছে। এখন বাজারে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে কুল বিক্রি হচ্ছে। বাজার ভালো থাকলে আমি আশা করছি ১ লক্ষ টাকার বেশি কুল বিক্রি করতে পারব। বিঘা প্রতি ৫০ থেকে ৫৫ কুইন্টাল কুল পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।

আরও পড়ুন: হাওরে ধান চাষের পাশাপাশি হাঁসের খামার, লাভবান কৃষকরা

এসি/ আই.কে.জে


কুল চাষ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250