শনিবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘আসিফ নজরুল তৃতীয় শ্রেণির লেখক’ *** নরসিংদীতে কিশোরীকে অপহরণ ও হত্যা: প্রধান আসামি গাজীপুরে গ্রেপ্তার *** ফাওজুল কবিরের সরকারি বাসায় সাবেক উপদেষ্টাদের ইফতার ও নৈশভোজ *** আমি কিছু দেখিনি, ভুল কিছু করিনি—বিল ক্লিনটনের সাক্ষ্য *** হতাহত নিয়ে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের পাল্টাপাল্টি দাবি *** ‘কোনো নির্বাচনই শতভাগ নিখুঁত হয় না’ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার বিষয়টি তদন্ত হবে: মির্জা ফখরুল *** তালেবানের পৃষ্ঠপোষক থেকে কেন প্রতিপক্ষ হয়ে উঠল পাকিস্তান *** ‘ড. ইউনূসের সময়কালে অপসারণ চেষ্টা’—রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জামায়াত আমিরের *** কবি মোহন রায়হানকে ‘অপমান’ করায় উদীচীর নিন্দা

গাজায় মোট ৪৫৪ সেনা হারাল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, ১৭ই জুলাই ২০২৫

#

নিহত আইডিএফ সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে গত সোমবার (১৪ই জুলাই) একটি ট্যাংক বিস্ফোরণে তিন ইসরায়েলি সেনা নিহত এবং একজন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী—আইডিএফ।

টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা এই প্রাণঘাতী বিস্ফোরণের কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। গাজার উত্তরাঞ্চলে হামাসের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি অপারেশনাল ত্রুটি। নিহত তিন সেনার নাম স্টাফ সার্জেন্ট সোহাম মেনাহেম (২১), সার্জেন্ট শ্লোমো ইয়াকির শ্রেম (২০) ও সার্জেন্ট ইউলি ফ্যাক্টর (১৯)।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রাথমিক তদন্ত অনুসারে, গত সোমবার দুপুরে গাজার জাবালিয়া শহরের উত্তরাঞ্চলে একটি ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে। আইডিএফ প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করেছিল, ট্যাংকটি হামাসের রকেটচালিত গ্রেনেডের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর সামরিক বাহিনী বলতে শুরু করে, বিস্ফোরণটি ট্যাংকের ভেতরে একটি ত্রুটিপূর্ণ শেল বিস্ফোরিত হওয়ার কারণে ঘটে থাকতে পারে।

সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বিস্ফোরণের অন্যান্য কারণও তদন্ত করা হচ্ছে। এই তিন সেনার মৃত্যুর ফলে গাজায় স্থল অভিযান এবং গাজা সীমান্তে সামরিক অভিযানে ইসরায়েলি নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫৪ জনে দাঁড়াল।

সেনাদের মৃত্যুর খবর ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে গাজার মধ্যাঞ্চল থেকে দক্ষিণ ইসরায়েলে দুটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সেগুলো প্রতিহত করেছে। কোনো শহরে সাইরেন বাজানো হয়নি, তবে গাজা সীমান্তের কাছাকাছি উন্মুক্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, গাজায় বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি মাটিতে শুয়ে আছেন, তাদের চারপাশে দীর্ঘক্ষণ ধরে গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। আশপাশে মাটিতে আঘাত হানছে বুলেট। ঘটনাটি রাফাহ এলাকার গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) একটি বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইডিএফ জানিয়েছে, ভিডিওটি পর্যালোচনা করছে তারা। রাফাহতে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে আইডিএফের গুলিতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে দাবি সেনাবাহিনীর।

জিএইচএফ একটি ইসরায়েল-সমর্থিত মার্কিন সংস্থা। সংস্থাটি জাতিসংঘ এবং অন্যান্য সাহায্য সংস্থাগুলোর কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে। এই সংস্থার ত্রাণ কেন্দ্রে সহায়তা নিতে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর একাধিকবার নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। মে মাসের শেষ দিকে জিএইচএফের কার্যক্রম শুরুর পর থেকে সেখানে ইসরায়েলি হামলায় ইতিমধ্যে প্রায় ৮০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গাজা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

জে.এস/

ইসরায়েলি সেনা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250