ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসী সাংবাদিক শাহেদ আলম বলেছেন, ‘গত বছর নভেম্বরে যখন দেশে আসি, তখন প্রধান উপদেষ্টার কাছের মানুষদের বলেছি, জাতীয় পার্টিকে প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখেন। কারণ, ফ্যাসিবাদ এবং ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে বৃহৎ রাজনৈতিক এলায়েন্সকে শত্রু বানাবেন না। শত্রুর সংখ্যা যত কম হবে, আপনার উইনিং ক্যাপাসিটি তত বেশি হবে। যদি শত্রুর সংখ্যা বড় করে ফেলেন, লুজিং ক্যাপাসিটির সম্ভাবনা বেশি।'
সম্প্রতি এক টেলিভিশন টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন। শাহেদ আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগকে কোণঠাসা করার জন্য শুধু আওয়ামী লীগের যাদের হাতে রক্তের দাগ, তারা ছাড়া বাকি সবাইকে আস্থায় নিয়ে আসতে হবে। সেই ক্যাটাগরিতে জাতীয় পার্টিকে ঐকমত্য কমিশনে ডাকেননি, এটা অন্যায় হয়েছে। আমাকে উত্তর দেওয়া হয়েছিল, মাত্র ৫ আগস্ট হলো, এখনো মানুষের সেনসিটিভিটি যায়নি। আল্টিমেটলি জাতীয় পার্টি আসবে এই আলোচনায়। আমরা কি দেখলাম?’
শাহেদ বলেন, ‘আই এম নট অ্যাডভোকেটিং ফর জাতীয় পার্টিস পলিটিক্স। আই এম অ্যাডভোকেটিং ফর বাংলাদেশ, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা। ২০ কোটি মানুষের দেশ, ৩ পারসেন্ট জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমর্থকদেরকে আস্থায় নিতে পারেনি শেখ হাসিনা এ জন্য তারা ১৭ বছরে জ্বালাও পোড়া অস্থিতিশীলতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে।'
শাহেদ আরো বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনটা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চেয়েছেন শান্তিপূর্ণ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে। সেটা তিনি মুখের কথা বলেছেন কিন্তু করার জন্য তার জায়গা থেকে যে অপ্রিয় সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার কথা ছিল, তা তিনি এখনো নিতে পারেননি।’
খবরটি শেয়ার করুন