ছবি: সংগৃহীত
মনের অজান্তে সবাই ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছে এবং বিচারের নামে তামাশা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। তিনি দাবি করেন, তাজুল ইসলাম, শিশির মনিরদের চালাকি পুরোটাই ফাঁস হয়ে গেছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচারের রায় ঘোষণার আগে তিনি একজন নিরপেক্ষ চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগের দাবি জানান।
আজ রোববার (১৬ই নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন কথা বলেন মো. তারেক রহমান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আমাদের দেশটাকে আমাদের ভালোবাসতে হবে, সেটা আমাদের মতো করে নয়। সবার মতো করে। ক্ষমতার এই দাপট থাকবে না, হুংকার নরম হয়ে আসবে। একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া পরবর্তী সরকার কোনোভাবেই শক্তিশালী হবে না।
তারেক বলেন, মনের অজান্তে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছে সবাই, বিচারের নামে তামাশা চলছে। এককালের মানবতাবিরোধী আসামির পক্ষ নেওয়া আইনজীবী তাজুল ইসলাম সাহেব আজ নিজেই মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত কারো বিচার করছে, এর চেয়ে হাস্যকর কী হতে পারে! বিষয়টা বিচারকে ৭১-এর মানবতাবিরোধীদের বিচারের প্রতিশোধের মতো লাগছে। রায় ঘোষণার আগে একজন নিরপেক্ষ ব্যাক্তিকে চিফ প্রসিকিউটর করার দাবি জানাচ্ছি। এটা বিচারকে অধিক গ্রহণযোগ্য করবে।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক বলেন, 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে মামলায় একটাই প্রশ্ন আমার, এই বিরাট হত্যাকাণ্ড কি একেবারেই মিথ্যা?'
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বিজয়ীদের কাছে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যে মামলাগুলো দিয়ে নাগরিকদের হয়রানি করা হচ্ছে, তার ৯০ শতাংশ কি মিথ্যা নয়? বলবেন ঘটনা সত্য, আমিও বলছি ঘটনা সত্য। প্রশ্ন হলো- একেকটা মামলায় ১৫০-২০০ জনকে জড়িয়ে অন্যায়ভাবে তা কি রাষ্ট্র প্রমাণ করতে পারবে? যার গুলিতে মারা গেছেন, তাকে ছাড়া সবাইকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। এই মিথ্যা মামলাগুলো জুলাইয়ের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়েছে নাকি বাড়িয়েছে।'
ওই পোস্টে তারেক বলেন, পলাতককে হয়ত ফাঁসির রায় দেবে, যাকে এ জীবনে দেশে আনা যাবে না, আর আটককে রাজসাক্ষী বানিয়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করবে।
খবরটি শেয়ার করুন