ছবি: সংগৃহীত
বছর দুয়েক আগে জোয়া আখতারের ‘দ্য আর্চিজ’-এর প্রিমিয়ারে সবশেষ দেখা গেছে সতীশ শাহকে। এর পর থেকে শরীরের অবনতি হতে থাকে তার। অস্ত্রোপচার করা হয়, তবু শেষ রক্ষা হয়নি। শনিবার (২৫শে অক্টোবর) না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতা। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
প্রায় চার দশকের ক্যারিয়ার তার। অভিনয় করেছেন ২০০টিরও বেশি সিনেমায়। নিজে খ্যাতি পেলেও প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখতেন স্ত্রীকে। এত এত প্রিমিয়ারে গিয়েছেন তবু কখনো তাকে স্ত্রীয়ের সঙ্গে দেখা যায়নি।
অভিনেতা নিজে অতীতে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি খুব একটা গোছানো মানুষ নন। কোনো জিনিস নিয়ে খুব বেশি প্ল্যানিং করতেও পারেন না। তার স্ত্রী মধু শাহ পেশায় পোশাকশিল্পী। তিনি তার পেশায় ব্যস্ত ছিলেন।
এখনকার মতো ‘দেখনদারি’ নয়, বরং নিজের ব্যক্তিগত জীবনে আড়ালে রাখতেই পছন্দ করতেন সতীশ ও তার স্ত্রী। জানা গেছে, স্ত্রীর জন্য ৫০ কোটির সম্পত্তি রেখে গেছেন অভিনেতা।
কৌতুকাভিনেতা হিসেবে সতীশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন আশির দশকে। ১৯৮৪ সালে ছোটপর্দায় ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’ নামে এক হিন্দি ধারাবাহিকে অভিনয় করতেন তিনি। এই ধারাবাহিকের ৫৫টি পর্বে ৫৫টি আলাদা চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল সতীশকে।
তার পর ক্যারিয়ারে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক ধারাবাহিকের পাশাপাশি হিন্দি ছবিতে অভিনয়েরও প্রস্তাব পান সতীশ।
তবে পারিশ্রমিক নিয়ে প্রথম দিকে বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছিল তাকে। সেই অভিজ্ঞতার কথা একবার জানিয়েছিলেন অভিনেতা।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন যে, ‘জানে ভি দো ইয়ারোঁ’ ছবিতে অভিনয় করে তিনি এক বারে পারিশ্রমিক পাননি। একাধিক কিস্তিতে সেই অর্থ দেওয়া হয়েছিল তাকে।
দীর্ঘ দিনের ব্যবধানে ৫০ অথবা ১০০ টাকার চেক সতীশকে লিখে দিতেন ছবি নির্মাতারা। অল্প অল্প করেই নাকি পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল তাকে। যদিও নব্বইয়ের দশক থেকে ভাগ্যের চাকা ঘোরে। পারিশ্রমিকেও ফেরে সাম্য।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন