ছবি: সংগৃহীত
চীনা সামরিক বিমান জাপানি যুদ্ধবিমানের ওপর রাডার লক করার পর, চীনের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে জাপান। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাইওয়ানের সমর্থনে মন্তব্য করার পর, এই ঘটনা প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। খবর এএফপির।
গত মাসে তাকাইচি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, জাপান স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপে চীনের যে কোনো হামলার ক্ষেত্রে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে। দ্বীপটি চীন নিজের বলে দাবি করে এবং জবরদস্তি দখল করার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি তারা।
জাপানের তথ্য অনুযায়ী, চীনের লিয়াওনিং বিমানবাহিনীর জে-১৫ যুদ্ধবিমান শনিবার (৬ই ডিসেম্বর) ওকিনাওয়ার নিকটবর্তী আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাপানি বিমানগুলোর ওপর দুইবার রাডার লক করেছে।
এই ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা কেউ হতাহত হননি। তবে এই প্রথমবারের মতো জাপান এমন কোনো ঘটনা প্রকাশ করেছে।
লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণের পাশাপাশি অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের জন্য যুদ্ধবিমানগুলোতে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য তাদের রাডার ব্যবহার করে থাকে।
চীনের নৌবাহিনী জানিয়েছে, জাপানি বিমানগুলো ‘বারবার চীনা নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণ এলাকার কাছে এসে সমস্যা সৃষ্টি করেছে, যা চীনা পক্ষের স্বাভাবিক প্রশিক্ষণকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে এবং বিমানের নিরাপত্তাকে চরমভাবে বিপন্ন করেছে।’
এক বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, টোকিওর দাবি, ‘সম্পূর্ণভাবে বাস্তবতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ’ এবং জাপানকে ‘যথাযথভাবে অবিলম্বে অপবাদ ও কটূক্তি’ বন্ধ করতে হবে।
উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকেহিরো ফুনাকোশি সোমবার (৮ই ডিসেম্বর) চীনের রাষ্ট্রদূত উ জিয়াংহাওকে তলব করেন এবং ‘এই ধরনের বিপজ্জনক কাজ অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন