বৃহস্পতিবার, ৫ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বৈধ সমিতির কল্যাণ তহবিল চাঁদাবাজি নয়: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী *** প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় বিমানবন্দরে থাকবেন যারা *** দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে যা বলছেন ফারুক ওয়াসিফ *** ইরানের সব ড্রোন ঠেকানোর ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের না-ও থাকতে পারে: শীর্ষ মার্কিন সেনা কর্মকর্তা *** সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আনিস আলমগীরের জামিন *** নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রাজসাক্ষী সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা—দাবি জামায়াতের *** খালেদা জিয়াসহ এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান *** দুই মাসে নেই দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র—তবু চীন কেন চুপ *** সরকারে থাকা অবস্থায়, আগে-পরে জীবনে কখনো দুর্নীতি করিনি: আসিফ নজরুল *** রঙিন দোল উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা

প্রি-ডায়বেটিসে সতর্কতা

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, ১৪ই এপ্রিল ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

বর্তমানে ঘরে ঘরে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। জীবনযাত্রায় অনিয়ম এ রোগের মূল কারণ। ছোট-বড় সবাই এ সমস্যায় ভুগছে এখন।

ডায়বেটিস আক্রান্তের সংখ্যা এমনিতেই অনেকের জন্য বড় সমস্যা। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে দেহে একাধিক সমস্যা তো বাড়বেই। এই সমস্যা কিডনি ও চোখের ওপরও প্রভাব ফেলে। হার্টের সমস্যাও তো এখানে বাদ যায় না। সময় থাকতে থাকতেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

অতিরিক্ত ক্যালোরির খাবার খেলে এবং কোনও রকম শরীরচর্চা না করলে তখনই রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। আর এই সুগার যদি একবার ধরে তাকে তাড়ানো খুব মুশকিল।

এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার উপায় কি?  

সঠিক ডায়েট, শরীরচর্চা আর চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে তা সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন হরমোনের ক্ষরণ হয়। সেই হরমোন যদি খুব কম পরিমাণে ক্ষরিত হয় বা ক্ষরণ একেবারেই বন্ধ হয়ে যায় তখনই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে প্রি- ডায়াবেটিক বলা হয়। যেহেতু খুব বেশি বাড়ে না তাই একে টাইপ ২ ডায়াবেটিস বলা যায় না। অতিরিক্ত টেনশন, দীর্ঘদিন ধরে হরমোনের ওষুধ খেলে এই ধরণের সমস্যা আসতেই পারে। এই পর্যায়কে বর্ডার লাইন ডায়াবেটিস বলা হয়।

আরো পড়ুন : খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় জানা আছে কি?

সমস্যা তাহলে কোথায়?

এই প্রি-ডায়াবেটিস পর্যায়ে যদি রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা না যায় তাহলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস আসতে মোটেই খুব বেশি সময় লাগে না। টাইপ-২ ডায়াবেটিস শরীরের জন্য একেবারেই ভাল নয়। কারণ এই ডায়াবেটিসে স্নায়ুর উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। সেই সঙ্গে কিডনি এবং অন্যান্য অঙ্গেরও ক্ষতি হয়। আর তাই প্রি-ডায়াবেটিসে এই দুটি জিনিসের দিকে নজর দিতেই হবে। রোগীর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ভাবতেই হবে।

সম্প্রতি ভারতের NCBI-তে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, ডায়াবেটিসের এই পর্যায়ে কম ক্যালরি, কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স, উচ্চ ফাইবার এবং হাই প্রোটিন রয়েছে এরকম খাবারই বেশি করে খেতে হবে। রোজকার ডায়েটের মধ্যে মটরশুঁটি, কুইনোয়া, ওটস, বিভিন্ন ফল, সবজি, বাদাম, সয়াবিন, ডিম, মাংস, পনির ও বিভিন্ন বীজ রাখুন। রোজ ক্যালোরি আর প্রোটিন মেপে খেতে হবে। যত ক্যালোরির ডায়েট হবে তার সঙ্গে কত ক্যালোরি ঝরাতে পারছেন তাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

রোজ একটা করে ডিম সিদ্ধ করে খান। চিকেনও রোজ খান কিন্তু ৭৫ গ্রামের বেশি নয়। এছাড়াও সয়াবিন, ডাল, সবজা সিড, চিয়া সিডস, কুমড়ো বীজ এসব রোজ খেতে পারলে খুবই ভাল। সকালে উঠে খালিপেটে ৪ টে করে ভেজানো আমন্ড খান। যত স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন ততই সুস্থ থাকবেন। পাউরুটি বিশেষত ময়দার তৈরি যে কোনও রকম খাবার, মিষ্টি, সোডা, জুস, প্যাকেটজাত খাবার, অ্যালকোহল, জাঙ্ক ফুড, ক্যাফিন, চিনি রয়েছে এমন পানীয় থেকে একেবারেই দূরে থাকুন।

এস/  আই.কে.জে

প্রি-ডায়বেটিস

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250