শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কলেজের নবীনবরণে ‘গানের কনসার্ট’ বন্ধের দাবি কওমি শিক্ষার্থীদের *** ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে, দাবি ট্রাম্পের *** দেশে সাংবাদিকদের আত্মহত্যার ঘটনা বেশি কেন *** ব্রিকস যৌথ ঘোষণায় সম্মতি নেতাদের, একতরফা যুদ্ধের নিন্দা জানাবে জোট *** ডিএনসিসির ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসের স্টল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী *** আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি: প্রধানমন্ত্রী *** ফরিদপুরে কার্টনে ভরা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ৬ টুকরো মরদেহ উদ্ধার *** টুইন টাওয়ার থেকে লাফিয়ে পড়া সেই মানুষটি কে, ‘দ্য ফলিং ম্যান’ নিয়ে ২৫ বছরেও রহস্য *** কিশোরগঞ্জে গর্ভে থাকতেই চার শিশু বিক্রির অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ *** তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী সপ্তাহে পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি, ‘হঠাৎ সিদ্ধান্তের’ পেছনে যেসব কারণ জানা যাচ্ছে

বিশেষ প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, ২৩শে জুলাই ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলেও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা গত কয়েক মাসে খুব একটা সামনে আসেনি। সংবিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। ফলে রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের বিষয়টি তাৎক্ষণিক কোনো আলোচ্য বিষয় হবে না—এমন ধারণাই ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে। কিন্তু হঠাৎ করেই গতকাল বুধবার (২২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, আগামী সপ্তাহেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে পারেন। এরপর থেকেই রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেন দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকের সাবেক সম্পাদক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তাদের পোস্টে শুধু সম্ভাব্য পদত্যাগের কথাই নয়, সম্ভাব্য নতুন রাষ্ট্রপতির নাম নিয়েও আলোচনা উঠে আসে। এরপর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে অনুসন্ধান শুরু হয়।

সুখবর ডটকমের অনুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী সপ্তাহে পদত্যাগ করতে পারেন। তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলেছে, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়েই তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তিনি পদত্যাগ করে গুলশানের নিজ বাসভবনে উঠতে পারেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেননি। তবে মোবাইল ফোনে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি।

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

বর্তমান রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা নতুন হলেও দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছার কথা তিনি এর আগেই প্রকাশ করেছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মো. সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, “আমি সরে যেতে চাই। আমি চলে যেতে আগ্রহী।”

একই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।”

রাষ্ট্রপতি তখন আরও বলেছিলেন, “সব কনস্যুলেট, দূতাবাস ও হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতির প্রতিকৃতি, রাষ্ট্রপতির ছবি ছিল। হঠাৎ এক রাতেই সেগুলো উধাও করে ফেলা হয়েছে। এতে মানুষের কাছে একটি ভুল বার্তা গেছে যে সম্ভবত রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি খুবই অপমানিত বোধ করেছিলাম।”

আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০২৩ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন। আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনীত রাষ্ট্রপতিকে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তনের দাবি বিএনপির অনেক নেতা আগে থেকেই জানিয়ে আসছিলেন। বিরোধী দল থেকেও একাধিকবার তার পদত্যাগ বা অপসারণের দাবি উঠেছিল। তবে সরকার গঠনের পর পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে তেমন কোনো আলোচনা ছিল না।

এ বছরের মার্চে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “প্রশ্ন হচ্ছে, এখনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আলোচনা কেন? সংবিধান অনুযায়ী, বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ তো শেষ হয়নি।”

এই বক্তব্যের কয়েক মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের পেছনে শুধু স্বাস্থ্যগত কারণই নয়, আরও কিছু রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বাস্তবতাও ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে। যদিও এসব বিষয়ে সরকার বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি।

সুখবর ডটকম এ বিষয়ে সরকারের কয়েক মন্ত্রী এবং বিএনপির অন্তত ছয়জন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলেছে। তাদের কেউই সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তিনজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী আগামী সপ্তাহের মধ্যেই “কিছু একটা পরিবর্তন” হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাষ্ট্রপতি বর্তমানে শারীরিকভাবে অসুস্থ। সম্প্রতি তাকে দুই দফায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিউরোলজি-সংক্রান্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। আগামী মাসের প্রথম দিকে চিকিৎসার জন্য তার সিঙ্গাপুরে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের সম্ভাব্য ঢাকা সফরকে ঘিরে এমনিতেই রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। একই সময়ে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর সামনে আসায় অনেকেই ঘটনাগুলোকে একই প্রেক্ষাপটে দেখার চেষ্টা করছেন। যদিও এ ধরনের কোনো সম্পর্কের বিষয়ে সরকারি বা কূটনৈতিক কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, সার্জিও গোরের সম্ভাব্য সফর কেবল একটি নিয়মিত কূটনৈতিক সফর নয়; বরং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন, পররাষ্ট্রনীতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হতে পারে।

এ সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাও আলোচনায় রয়েছে। গত ১০ জুলাই রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দেশে ফিরে আদালতে হাজির হওয়ার ইচ্ছার কথা জানান। সেই ঘোষণার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়। অনেকের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের আলোচনা না থাকলেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতার পরই কেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি সামনে এলো।

রাজনৈতিক মহলে আরও একটি আলোচনা রয়েছে। সেটি হলো, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি পদে দেখতে পশ্চিমা কয়েকটি দেশের আগ্রহ বা সুপারিশ রয়েছে বলে অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোনো সরকারি নথি, আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কে নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন, সেটিও এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যতম আলোচনার বিষয়। বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত মানবাধিকারকর্মী আইরিন খান।

আইরিন খান আন্তর্জাতিক মানবাধিকার অঙ্গনের সুপরিচিত একটি নাম। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রথম নারী এবং প্রথম বাংলাদেশি মহাসচিব ছিলেন। পরে জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করার কারণে তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিত। তবে তাকে রাষ্ট্রপতি করার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা বা সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত হয়নি।

দলীয় সূত্রগুলো অবশ্য বলছে, রাষ্ট্রপতি পদে সবচেয়ে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম। বিএনপির ভেতরে তার নাম নতুন নয়। ২০২৩ সালে বগুড়ায় বিএনপির একটি বিভাগীয় সমাবেশে দলের নেতা জি এম সিরাজ বলেছিলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করলে তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী। আর রাষ্ট্রপতি হবেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।”

সেই বক্তব্যের পর থেকেই সময়-সময় তার নাম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় এসেছে। দলীয় নেতাদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতার কারণেই তিনি এগিয়ে রয়েছেন।

৭৯ বছর বয়সী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবার কুমিল্লা–১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন এবং ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।

বিএনপির একটি সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে কিছুটা কম সক্রিয়। নিজেকে অনেকটা আড়ালে রেখেছেন, যাতে তাকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি না হয়।

সম্ভাব্যদের তালিকায় আলোচনায় থাকা নাসিমুল গনিও প্রশাসনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তা। তিনি বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। ওই ব্যাচে তার মেধাক্রম ছিল ষষ্ঠ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাকে চুক্তিভিত্তিক মন্ত্রিপরিষদ সচিব করা হয়। জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর আগের মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশিদের চুক্তি বাতিল করে তার নিয়োগ দেওয়া হয়।

সংবিধানের ৪৮ ও ১২৩ অনুচ্ছেদ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নির্বাচন কমিশন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। এরপর মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই, আপত্তি নিষ্পত্তি ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষ হবে। যদি একজন বৈধ প্রার্থী থাকেন, তাহলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। আর একাধিক প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার তীব্রতা, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীরবতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ধারাবাহিক ইঙ্গিত এবং রাষ্ট্রপতির স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি—সব মিলিয়ে আগামী কয়েক দিন দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা, সম্ভাব্য মার্কিন কূটনৈতিক তৎপরতা এবং রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের আলোচনা—সবকিছু মিলিয়ে দেশের রাজনীতি নতুন এক সংবেদনশীল পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলেও বিশ্লেষকদের ধারণা।

মো. সাহাবুদ্দিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাফিজ উদ্দিন আহমদ আইরিন খান খন্দকার মোশাররফ হোসেন নাসিমুল গণি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250