বুধবার, ১৪ই জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাহরানে প্রবাসীর বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালট, ব্যবস্থা চায় বিএনপি *** অভ্যুত্থানের পর দেশে আট মাস যেভাবে পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী *** পাকিস্তানের ‘দরদ’ দেখানোর প্রয়োজন নেই, বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রসঙ্গে হামিন *** চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি পেলেন ৯ জুলাই যোদ্ধা *** যে ইস্যুতে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি *** ‘সাংবাদিকদের স্নাতক হওয়ার বাধ্যবাধকতায় সাংবিধানিক অধিকার খর্ব হবে’ *** বাম ও মধ্যপন্থী মতাদর্শের তরুণদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আসছে *** শেখ হাসিনাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করল পিবিআই *** বাংলাদেশের বাহিনীগুলোর কোনো পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে নয়: ভারতীয় সেনাপ্রধান *** ইরানের সরকার স্বীকার করল নিহত ২০০০—বেসরকারি সূত্রমতে ১২০০০

মার্কিন যুদ্ধবিমান কিনতে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্ত সৌদি আরবকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, ১৭ই নভেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি সৌদি আরবের কাছে এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি করে, তবে সে চুক্তি রিয়াদের সঙ্গে তেল আবিবের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার শর্তে হতে হবে—এমন দাবি তুলেছে ইসরায়েল। বিষয়টি নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তা।

তাদের মতে, সৌদি আরবের এফ–৩৫ কেনায় ইসরায়েলের সরাসরি আপত্তি নেই, তবে অস্ত্রচুক্তির সঙ্গে সৌদি–ইসরায়েল পূর্ণ কূটনৈতিক স্বীকৃতি যুক্ত থাকা জরুরি।

আগামীকাল মঙ্গলবার (১৮ই নভেম্বর) হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস)। আলোচনায় এফ–৩৫ কেনা, দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি এবং সৌদি–ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ প্রধান ইস্যু হতে পারে।

যদিও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, এই সফরে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ আলোচনার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম।

গাজা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর গত মাসে ট্রাম্প ফোনে এমবিএসকে বলেন, তিনি আশা করছেন রিয়াদ ধীরে ধীরে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকে এগোবে।

পরে এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, সৌদি–ইসরায়েল সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য অস্ত্রচুক্তি তার আলোচ্য তালিকায় রয়েছে। তার ভাষায়, সৌদি আরব শিগগিরই আব্রাহাম চুক্তিতে যুক্ত হতে পারে বলেই তিনি ধারণা করছেন।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এফ–৩৫ বিক্রিতে তারা আপত্তি তুলছেন না, তবে চুক্তিটি অবশ্যই সৌদি–ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের বিনিময়ে হতে হবে। তাদের মতে, কোনো কূটনৈতিক ফলাফল ছাড়া এমন উন্নত অস্ত্র সরবরাহ করা ‘ভুল ও প্রতিক্রিয়াশীল’ হবে।

এক কর্মকর্তা বলেন, তুরস্ককে এফ–৩৫ দেওয়ার বিরোধিতা থাকলেও সৌদির ক্ষেত্রে উদ্বেগ তুলনামূলক কম—যদি এই চুক্তি আব্রাহাম চুক্তির আওতায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার অংশ হয়, যেমনটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে করা হয়েছিল।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে একমাত্র ইসরায়েলের কাছেই এফ–৩৫ রয়েছে। সৌদি আরব এই যুদ্ধবিমান পেলে আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যে পরিবর্তন আসবে, যা ইসরায়েলের কৌশলগত সুবিধাকে প্রভাবিত করতে পারে। ২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির অংশ হিসাবে আমিরাতকে এফ–৩৫ দেওয়ার বিষয়ে ইসরায়েল সম্মত হলেও পরে নিরাপত্তা শর্ত জটিল হওয়ায় তা বাস্তবায়িত হয়নি।

সৌদির সঙ্গে চুক্তি হলে ইসরায়েলও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনুরূপ নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চাইবে। একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তার ভাষায়, মূল আশঙ্কা হলো সৌদি আরবের ভৌগোলিক নিকটতা—সৌদি ভূখণ্ড থেকে এফ–৩৫ উড়ে ইসরায়েলে পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র কয়েক মিনিট।

জে.এস/

সৌদি–ইসরায়েল

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250