বুধবার, ১৪ই জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** অভ্যুত্থানের পর দেশে আট মাস যেভাবে পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী *** পাকিস্তানের ‘দরদ’ দেখানোর প্রয়োজন নেই, বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রসঙ্গে হামিন *** চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি পেলেন ৯ জুলাই যোদ্ধা *** যে ইস্যুতে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি *** ‘সাংবাদিকদের স্নাতক হওয়ার বাধ্যবাধকতায় সাংবিধানিক অধিকার খর্ব হবে’ *** বাম ও মধ্যপন্থী মতাদর্শের তরুণদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আসছে *** শেখ হাসিনাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করল পিবিআই *** বাংলাদেশের বাহিনীগুলোর কোনো পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে নয়: ভারতীয় সেনাপ্রধান *** ইরানের সরকার স্বীকার করল নিহত ২০০০—বেসরকারি সূত্রমতে ১২০০০ *** প্রবাসীদের সুখবর দিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

চাঁদে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:২২ অপরাহ্ন, ২৪শে ডিসেম্বর ২০২৫

#

ছবিসূত্র: রয়টার্স

রাশিয়া আগামী দশকের মধ্যে চাঁদে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে রাশিয়ার চন্দ্র মহাকাশ কর্মসূচি এবং রাশিয়া–চীনের যৌথ একটি গবেষণা কেন্দ্রকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। সূত্র: রয়টার্স।

বিশ্বের একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদ অনুসন্ধানে যখন যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ শক্তিধর দেশগুলো প্রতিযোগিতায় নেমেছে, তখন এই পরিকল্পনাকে রাশিয়ার জন্য একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মহাকাশ সংস্থা রসকসমস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ২০৩৬ সালের মধ্যে চাঁদে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ জন্য তারা লাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন নামের মহাকাশ সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

রসকসমসের মতে, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র রাশিয়ার চন্দ্র কর্মসূচির বিভিন্ন অংশে শক্তি জোগাবে। এর মধ্যে থাকবে চন্দ্র রোভার, একটি মানমন্দির এবং রাশিয়া–চীনের যৌথ আন্তর্জাতিক চন্দ্র গবেষণা কেন্দ্রের অবকাঠামো।

রসকসমস জানিয়েছে, ‘এই প্রকল্পটি একটি স্থায়ী ও কার্যকর বৈজ্ঞানিক চন্দ্র কেন্দ্র গড়ে তোলার দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি এককালীন মিশনের যুগ পেরিয়ে দীর্ঘমেয়াদি চন্দ্র অনুসন্ধান কর্মসূচিতে রূপান্তরের পথ তৈরি করবে।’

যদিও রসকসমস স্পষ্টভাবে বলেনি যে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পারমাণবিক হবে, তবে তারা নিশ্চিত করেছে, এই প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এবং শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কুরচাটভ ইনস্টিটিউট যুক্ত রয়েছে। 

১৯৬১ সালে সোভিয়েত মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশে পা রাখার পর থেকে মহাকাশ অনুসন্ধানে রাশিয়া নিজেকে একটি শীর্ষ শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে। তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে দেশটি যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্রমবর্ধমানভাবে চীনের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে।

জে.এস/

রাশিয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250