ছবি : সংগৃহীত
সারা দেশে কোটাবিরোধী আন্দোলন শেষ হলেও মানুষের মধ্যে হতাশা শেষ হয়নি। কী যেনো নেই, শুধুই অস্থিরতা। কিসের সেই অস্থিরতা? ইন্টারনেট নেই? হ্যাঁ ইন্টারনেট! অফিস থেকে বাসায় ফিরেই যেই মুঠোফোনে মুখ গুজে থাকা হতো সেটাও যেনো হচ্ছে না। ইন্টারনেট না থাকায় অকেজো মনে হচ্ছে? এই সময়ে নিজেকে একা লাগাটাই স্বাভাবিক! এই একা লাগা দূর করতে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন, নানান কাজে। কিভাবে চলুন জেনে নেয়া যাক-
পরিবারকে সময় দিন
কর্মজীবীদের সারাক্ষণ অফিসের নানান কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। সাপ্তাহিক ছুটির দিনটিও দেখা যায় নানান কাজে শেষ হয়ে যায়। একমাত্র খাওয়ার টেবিল ছাড়া কারো সাথে তেমন কথাই হয়তো হয় না। অর্থাৎ পরিবারকে সময় খুব কমই দেওয়া হয়। তাই যেই সময়টাতে মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যস্ত থাকতেন, সেই সময়টাতে আপনার পরিবারের সদস্যদের সাথে মন খুলে কথা বলুন। তাদের মনোভাব জানার চেষ্টা করুন। তাদের ঘরের কাজে সাহায্য করুন। এতে করে আপনার ভেতরের একাকিত্ব মনোভাব কেটে যাবে এবং আপনার অবসর সময়টুকু প্রফুল্ল হয়ে উঠবে।
রান্নাবান্না
আমরা এখনো অনেকেই মনে করি মেয়েদেরই রান্না জানা উচিত। কিন্তু ছেলে মেয়ে সবারই রান্না জানা উচিত। এতে করে একজন আরেকজনের সহযোগিতায় আসা যায়। তাছাড়া অবসর সময়ে আপনি আপনার স্ত্রীকে কিংবা আপনি আপনার স্বামীকে তার পছন্দের কোন একটি খাবার রান্না করে খাওয়াতে পারেন। কিংবা আপনার বাবা-মাকে নতুন কোন রেসিপি বানিয়ে চমকে দিতে পারেন। এতে আপনার জীবন আরো সুখময় হয়ে উঠবে এবং আপনার অবসর সময়টাও কেটে যাবে। একাকিত্ব দূর হয়ে যাবে।
আরো পড়ুন : মনকে শান্ত রাখুন তিনটি ধাপে
বারান্দায় কিংবা ছাদে বাগান
অবসর সময়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে কিংবা একাকিত্ব দূর করতে নিজের বারান্দায় কিংবা ছাদে ছোট ছোট টবে বিভিন্ন সবজি কিংবা ফুল গাছ লাগাতে পারেন।
বই পড়ুন
কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় নিজের পছন্দের বইটা হয়তো এখন আর খোলা হয় না। সবসময় ফোনেই বেশি চোখ বুলানো হয়। কিন্তু ইন্টারনেট না থাকার এই সময়টাতে আপনার প্রিয় বইটির পেছনে সময় দিতে পারেন।
চাপ বাড়তে দেবেন না
যদি খুব বেশি চাপ অনুভব করেন তাহলে ৩০ মিনিটের মতো চোখ বন্ধ করে থাকুন। সব চিন্তা বাদ দিয়ে মনঃসংযোগ করুন। আর যদি এই সময়ের মধ্যে কিছুতেই চিন্তা সরানো না যায় তাহলে জোরে জোরে গভীরভাবে শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন।
নিজের মতো একটু ভিন্ন সময় বের করুন
একটু ভাবুনতো, ইন্টারনেট ছাড়া যখন পৃথিবীটা ছিল তখন কতই না সুন্দর ছিল। ঐ সময়টার কথা চিন্তা করে নিজের মতো করে একটু ভিন্ন সময় বের করুন। যেই সময়টাতে শুধু আপনি থাকবেন। এই সময়টাতে আপনি শরীরচর্চা, হাঁটাহাঁটি কিংবা কাগজ দিয়ে কিছু তৈরি কিংবা আপনার পছন্দমতো কোন একটি কাজ করতে পারেন।এতে আপনি কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
এস/কেবি