বৃহস্পতিবার, ৩রা সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ঘুষের অভিযোগে অপসারিত বিচারপতি জামায়াতে, ২২ বছর পর ফিরল সেই বিতর্ক, প্রশ্ন ‘পাপমুক্তির’ রাজনীতি নিয়ে *** ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লা উত্তোলন করলে আগে স্থানীয়দের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী *** ‘১৭ বছর বিএনপিকে টিকিয়ে রেখেছেন যুবলীগ নেতা, এখন তার বিরুদ্ধেই ষড়যন্ত্র’ *** চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস *** মাদ্রাসার জন্য পাকিস্তানে ভাঙা হলো ১০০ বছরের পুরোনো মন্দির *** জ্বালানিসংকট নিরসনে পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী *** সংবাদ পরিবেশনের পর সঠিক না হলে গণমাধ্যম তা সরিয়ে নিতে পারে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী *** দেশে ফেরার ঘোষণা ও সরকারের সঙ্গে ‘গোপন সমঝোতা’ প্রসঙ্গে কী বলছেন শেখ হাসিনা *** বাংলাদেশ থেকে ছয় মাসে দুই লাখ কর্মী নিয়োগে প্রতিমন্ত্রীর দাবি প্রত্যাখ্যান মালয়েশিয়ার *** দেশজুড়ে বোমা বিস্ফোরণ ও উদ্ধারে নতুন উদ্বেগ, পেছনে কি একই গোষ্ঠী?

ঘুষের অভিযোগে অপসারিত বিচারপতি জামায়াতে, ২২ বছর পর ফিরল সেই বিতর্ক, প্রশ্ন ‘পাপমুক্তির’ রাজনীতি নিয়ে

নবনীতা রায়

🕒 প্রকাশ: ১১:৩২ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে বিরল এক ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান এখন জামায়াতে ইসলামীতে। ২০০৪ সালে যাকে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারকের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছিল, ২২ বছর পর সেই ব্যক্তিকেই প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে দলে বরণ করেছে জামায়াত।

গতকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৬৫০ জন জামায়াতে যোগ দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান। ছিলেন বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, সাবেক সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা, আইনজীবী, ব্যবসায়ী, কওমি আলেম, সমাজকর্মী ও সাবেক ফুটবলার। জামায়াতের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান তাদের ফুল ও ইসলামি বই দিয়ে বরণ করেন।

এই ৬৫০ জনের মধ্যে শাহিদুর রহমানের নামটি আলাদা করে আলোচনায় এসেছে। কারণ তার রাজনৈতিক অতীতের চেয়েও আলোচিত তার বিচারিক অতীত। ২০০৩ সালে তার বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে একটি মামলায় জামিন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগটি তদন্তে যায় দেশের সাংবিধানিক বিচারিক জবাবদিহির বিশেষ ব্যবস্থা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে। তদন্তের পর তাকে অপসারণের সুপারিশ করা হয়। ২০০৪ সালে রাষ্ট্রপতি তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেন।

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত প্রতিবেদন নিয়েও পরে প্রকাশিত আদালতসংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত সেখানে ছিল না। আবার অভিযোগটির কোনো ভিত্তি নেই, এমন সিদ্ধান্তও ছিল না। বরং কাউন্সিলের মত ছিল, শাহিদুর রহমানের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা উচিত নয়।

এই জায়গাটিই এখনকার রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বিচারিক জবাবদিহির প্রক্রিয়ায় তদন্তের পর তাকে অপসারণ করা হয়েছিল। সেই অপসারণের আদেশ শেষ পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ আদালত বহাল রেখেছেন। ফলে তার অতীতকে নিছক ‘অভিযোগ’ বলে পাশ কাটানোর সুযোগও নেই।

ঘটনার শুরু ২০০৩ সালের ১ অক্টোবর। সেদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির তৎকালীন সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ আইনজীবীদের এক সভায় বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি ছিল একটি নারী নির্যাতন মামলায় অর্থের বিনিময়ে জামিন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসের। তখন ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগের কথাও প্রকাশ্যে আসে। প্রথম আলোসহ সে সময়ের সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছিল।

অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি আর আইনজীবীদের সভার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান বিষয়টি তদন্তের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে পাঠানোর উদ্যোগ নেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বিষয়টি কাউন্সিলে পাঠান।

তখন দেশে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায়। শাহিদুর রহমানকেও ওই সরকারের সময় হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ফলে অভিযোগের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক আছে কি না, সে প্রশ্নও তখন উঠেছিল।

তৎকালীন আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদের কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি রাজনৈতিক যোগসূত্রের কথা নাকচ করেছিলেন। তার যুক্তি ছিল, শাহিদুর রহমানকে তার সরকার নিয়োগ দিয়েছিল। আবার তার সরকার ক্ষমতায় থাকাকালেই তাকে অপসারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ একই সরকারের সময়ে নিয়োগ এবং অপসারণ—দুটিই ঘটেছে।

এরপর তদন্তের দায়িত্ব পড়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ওপর। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কাউন্সিল গঠিত হয়। অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি এম রুহুল আমিন ও বিচারপতি ফজলুল করিম। ২০০৩ সালের ৬ ডিসেম্বর কাউন্সিল শাহিদুর রহমানকে অপসারণের সুপারিশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিবেদন দেয়।

পরবর্তী ধাপটি ছিল রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত। ২০০৪ সালের ২০ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ৬ দফায় দেওয়া ক্ষমতাবলে শাহিদুর রহমানকে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারকের পদ থেকে অপসারণ করেন। সেদিনই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

এই ঘটনা বিচার বিভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে আরেকটি কারণে। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ছিল অত্যন্ত বিরল ঘটনা। পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত বিশ্লেষণেও দেখা যায়, দেশে এই কাউন্সিল খুব অল্প কয়েকবার সক্রিয় হয়েছিল। ফলে শাহিদুর রহমানের অপসারণ কেবল একজন বিচারকের চাকরি হারানোর ঘটনা ছিল না। এটি বিচারকদের জবাবদিহির ব্যবস্থারও একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে ওঠে।

শাহিদুর রহমান এই সিদ্ধান্ত মেনে নেননি। অপসারণের পরদিন, ২১ এপ্রিল ২০০৪, নিজের বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। সেখানে তিনি দাবি করেন, অপরাধ প্রমাণিত না হলেও তাকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। তিনি নিজেকে কুৎসিত রাজনীতির শিকার বলেও দাবি করেন।

এরপর শুরু হয় দীর্ঘ আইনি লড়াই। রাষ্ট্রপতির অপসারণের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন শাহিদুর রহমান। ২০০৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তার অপসারণের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন। এতে মনে হয়েছিল, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর হয়তো তিনি আবার বিচারকের পদে ফিরতে পারবেন।

কিন্তু সেই সম্ভাবনা স্থায়ী হয়নি। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেন আইনজীবী ইদ্রিসুর রহমান। পরে মামলাটি দীর্ঘ সময় আপিল বিভাগে বিচারাধীন থাকে। ২০০৫ সালের ২৫ এপ্রিল আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে আপিল শুনানির অনুমতি দেয়। এরপর চলে দীর্ঘ শুনানি।

অবশেষে ১০ বছর পর আসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। ২০১৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ রাষ্ট্রপতির দেওয়া অপসারণের আদেশ বহাল রাখে। অর্থাৎ ২০০৪ সালের অপসারণই চূড়ান্তভাবে বহাল থাকে। শাহিদুর রহমানের বিচারক পদে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

আপিল বিভাগের এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক ও বিচারিক গুরুত্ব কম নয়। কারণ হাইকোর্ট একসময় রাষ্ট্রপতির আদেশকে অবৈধ বলেছিলেন। কিন্তু আপিল বিভাগ সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে রাষ্ট্রপতির অপসারণের আদেশ বহাল রাখেন। ফলে শাহিদুর রহমানের বিচারিক জীবনের শেষ অধ্যায় নির্ধারিত হয় সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে।

এরপর দীর্ঘ ১১ বছর তার নাম জাতীয় রাজনীতিতে খুব একটা আলোচনায় ছিল না। কিন্তু গতকাল ১ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই তিনি আবার সামনে এলেন। এবার বিচারক হিসেবে নয়। জামায়াতের নতুন সদস্য হিসেবে।

জামায়াতের প্রকাশিত তালিকায় তার নাম রয়েছে। দলটির আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি নিজেও বক্তব্য দিয়েছেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মোট ৬৫০ জন ওই দিন জামায়াতে যোগ দেন। জামায়াত এটিকে তাদের দাওয়াতি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তুলে ধরেছে।

তবে শাহিদুর রহমানের যোগদানকে ঘিরে জামায়াতের কাছে একটি মৌলিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ২০০৩ ও ২০০৪ সালের সেই ঘটনা সম্পর্কে দলের অবস্থান কী?

জামায়াতের কয়েকজন নেতা এবং গণমাধ্যম সেলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে দলটি তার অতীতের ঘটনাকে কীভাবে মূল্যায়ন করছে, সেটি এখনো পরিষ্কার নয়।

এর মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন আজ বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শাহিদুর রহমানের জামায়াতে যোগদানকে ব্যঙ্গ করেন। তিনি লেখেন, শাহিদুর রহমান জামায়াতে যোগ দিয়ে অতীতের সব বিতর্ক থেকে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। জামায়াতকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দলটি অপরাধী ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন করে সঠিক পথে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।

রাশেদ খাঁনের পোস্টের সবচেয়ে রাজনৈতিকভাবে তীক্ষ্ণ অংশ ছিল ‘অপরাধী পাপমুক্তকরণ টিকিট’ প্রসঙ্গ। তিনি ব্যঙ্গ করে বলেন, ভোটের আগে জান্নাতের টিকিটের মতো জামায়াত বর্তমানে ‘অপরাধী পাপমুক্তকরণ টিকিট’ চালু করেছে বলে মনে হচ্ছে।

এই বক্তব্যের মধ্যে মূলত যে রাজনৈতিক প্রশ্নটি আছে, তা হলো—কোনো বিতর্কিত অতীত থাকা ব্যক্তিকে রাজনৈতিক দলে গ্রহণ করার মাধ্যমে কি তার অতীতও রাজনৈতিকভাবে বৈধতা পেয়ে যায়?

অবশ্য এর উত্তর সরল নয়। সংবিধান অনুযায়ী একজন নাগরিকের রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার অধিকার আছে। একজন সাবেক বিচারকও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারেন, যদি আইনগত কোনো বাধা না থাকে। ফলে শাহিদুর রহমানের জামায়াতে যোগদান নিজেই কোনো বেআইনি ঘটনা নয়। কিন্তু রাজনৈতিক বৈধতা আর নৈতিক প্রশ্ন এক নয়।

একজন সাধারণ রাজনৈতিক কর্মী আর বিচারকের ক্ষেত্রে মানুষের প্রত্যাশা এক নয়। বিচারকের আসনে বসা ব্যক্তির কাছ থেকে নিরপেক্ষতা, সততা ও বিচারিক মর্যাদা প্রত্যাশিত। তার বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে জামিন পাইয়ে দেওয়ার মতো অভিযোগ উঠলে তা স্বাভাবিকভাবেই গুরুতর হয়ে ওঠে। আর সেই অভিযোগের পর যদি সাংবিধানিক বিচারিক ব্যবস্থায় তদন্ত হয় এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির অপসারণের আদেশ সর্বোচ্চ আদালতে বহাল থাকে, তাহলে ঘটনাটি জনজীবন থেকে একেবারে মুছে যায় না।

এ কারণেই শাহিদুর রহমানের জামায়াতে যোগদান পুরোনো ফাইল খুলে দিয়েছে। আরও একটি বিষয় এখানে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৪ সালে যে সরকারের সময়ে শাহিদুর রহমানকে অপসারণ করা হয়েছিল, সেই সরকারই তাকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তখনকার আইনমন্ত্রীও বলেছিলেন, রাজনীতির সঙ্গে ঘটনাটির সম্পর্ক নেই। কিন্তু আজ যখন সেই সাবেক বিচারপতি একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন, তখন তার অতীতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও নতুন করে আলোচনায় আসছে।

সৈয়দ শাহিদুর রহমানের ক্ষেত্রে প্রশ্নটি তাই ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে গেছে। ২০০৩ সালের ১ অক্টোবরের অভিযোগ থেকে শুরু করে ২০০৩ সালের ৬ ডিসেম্বর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের সুপারিশ, ২০০৪ সালের ২০ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির অপসারণ, ২০০৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের রায় এবং ২০১৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত—সবকিছু মিলিয়ে তার একটি দীর্ঘ বিচারিক ইতিহাস রয়েছে। আর সেই ইতিহাসের পর।তিনি দাঁড়ালেন জামায়াতের মঞ্চে।

জামায়াতে ইসলামী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ঘুষের অভিযোগে অপসারিত বিচারপতি জামায়াতে, ২২ বছর পর ফিরল সেই বিতর্ক, প্রশ্ন ‘পাপমুক্তির’ রাজনীতি নিয়ে

🕒 প্রকাশ: ১১:৩২ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লা উত্তোলন করলে আগে স্থানীয়দের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ১১:০৪ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘১৭ বছর বিএনপিকে টিকিয়ে রেখেছেন যুবলীগ নেতা, এখন তার বিরুদ্ধেই ষড়যন্ত্র’

🕒 প্রকাশ: ১০:৫৬ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

🕒 প্রকাশ: ১০:৪১ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাদ্রাসার জন্য পাকিস্তানে ভাঙা হলো ১০০ বছরের পুরোনো মন্দির

🕒 প্রকাশ: ০৮:৪১ অপরাহ্ন, ২রা সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250