ফাইল ছবি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত। কারণ, দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। তাহলে এই অবস্থায় কী হবে দলটির ভবিষ্যৎ? ঢাকা-দিল্লির আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক আলোচনায় বিষয়টি এসেছে।
কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ঢাকার তরফে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। তারা চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন। যাদের ইমেজ অপেক্ষাকৃত ক্লিন তাদের পক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে সরকারের কোনো আপত্তি নেই।
কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে, তাদের কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না। মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকায় গত ১২ই মে এক প্রজ্ঞাপনে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (৯ই ডিসেম্বর) দৈনিক মানবজমিনের অনলাইন সংস্করণে 'ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন' শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকেও আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়ে সরকারের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়। তাদেরকেও সরকার একই জবাব দেয়।
ওদিকে আওয়ামী লীগের ক্লিন ইমেজের নেতাকর্মীদের নিয়ে সংগঠিত হতে চেয়েছিল একটি অংশ। কিন্তু শেখ হাসিনা তাতে মত দেননি। শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন, লড়াই করে ফের দলকে সংগঠিত করতে সক্ষম হবেন।
খবরটি শেয়ার করুন