ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের তিন দিনের ঢাকা সফরকে ঘিরে শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতেও বিস্তর আলোচনা চলছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সফরের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলে কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে নানা বিশ্লেষণ শুরু হয়।
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন এক বার্তায় বলেন, সার্জিও গোরের এই সফর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।
তবে সফরটিকে নিয়মিত কূটনৈতিক সফর হিসেবে দেখছে না ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সংবাদমাধ্যম, দিল্লিভিত্তিক কয়েকটি কৌশলগত বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম এবং ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের আলোচনায় সফরটির সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে একই সূত্রে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে এসব বিশ্লেষণ মূলত ভারতীয় গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ বা ভারতের সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের আলোচ্যসূচিতে আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা বা তার প্রত্যাবর্তনের বিষয় রয়েছে বলে নিশ্চিত করেনি। সূত্রগুলোর মতে, সফরে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর যুক্তি হলো, কূটনৈতিক সফরের আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচির বাইরেও অনেক সময় আঞ্চলিক রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে মতবিনিময় হয়ে থাকে। সেই কারণেই তারা সফরটির সময়, প্রেক্ষাপট এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করছে। সফরের সময়টিও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি চীন সফর করেছেন। এরপর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়া সফর করেছেন। একই সময়ে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা সফর করেছেন। পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগও আগের তুলনায় বেড়েছে।
এসব ঘটনাকে বাংলাদেশের বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতির অংশ হিসেবে দেখা হলেও ওয়াশিংটন এই পরিবর্তনগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সার্জিও গোর হচ্ছেন ওয়াশিংটন থেকে ঢাকা সফরকারী তৃতীয় জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।
এর আগে মার্চে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর এবং মে মাসে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ বাংলাদেশ সফর করেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো সফর নয়; বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের অংশ।
ভারতের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে, সার্জিও গোর একই সময়ে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত এবং ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে বাংলাদেশ ও ভারত—উভয় দেশই তার দায়িত্বের আওতায়। এই কারণেই তার ঢাকা সফরকে দিল্লি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিদিন গত ২২ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলে—শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই কেন সার্জিও গোরের ঢাকা সফরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?
পত্রিকাটি বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র ও বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে লিখেছে, সময়ের এই মিলকে তারা নিছক কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখছে না। তাদের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, শেখ হাসিনার ঘোষিত প্রত্যাবর্তন এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটি নিয়েই বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য। তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে গত ১০ জুলাই দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। ভারতে অবস্থানরত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভারতীয় বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয় নয়; এটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ গত প্রায় দুই বছর ধরে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন এবং তার নিরাপত্তা ও অবস্থান নিয়ে দিল্লিও একটি সংবেদনশীল অবস্থানে রয়েছে।
ভারতের কিছু গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা যদি সত্যিই দেশে ফিরে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হন, তাহলে সেটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করছে, সেটিও ভারতের কূটনৈতিক মহলের আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমে আরও বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, ভারতীয় কয়েক বিশ্লেষকের ধারণা, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার প্রশ্নে সব প্রধান রাজনৈতিক শক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েই আন্তর্জাতিক মহল আগ্রহী।
কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে এমনও দাবি করা হয়েছে যে, আওয়ামী লীগের কিছু নেতা অনানুষ্ঠানিকভাবে আশা করছেন বাংলাদেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যদি উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হয়, তাহলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং দলটির নেতাদের বিষয়গুলো পরোক্ষভাবে আলোচনায় আসতে পারে।
তবে আওয়ামী লীগের এসব প্রত্যাশার পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই। দলটির পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতা ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত নন। তাদের মতে, অতিরিক্ত প্রত্যাশা তৈরি করাও সমীচীন নয়।
ভারতীয় বিশ্লেষকদের আরেকটি বড় উদ্বেগের জায়গা চীন। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছে। অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, বন্দর, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক সংযোগ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশে চীনের প্রভাব বৃদ্ধি দিল্লির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাদের মতে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের সম্ভাব্য অগ্রগতি, বন্দর উন্নয়ন, অবকাঠামো বিনিয়োগ এবং সামুদ্রিক সহযোগিতা ভারতের কৌশলগত হিসাব-নিকাশে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
এই কারণেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের অনেক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সার্জিও গোরের ঢাকা সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কও আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের বিস্তার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ফলে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা, আঞ্চলিক সংযোগ প্রকল্প, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ওয়াশিংটনের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
কিছু ভারতীয় বিশ্লেষক আরও মনে করছেন, বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে একটি 'কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রে' পরিণত হয়েছে। বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর, উত্তর-পূর্ব ভারত, মিয়ানমার, রোহিঙ্গা সংকট এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল—সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে।
ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোতে আরও একটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। সেটি হলো, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ একদিকে চীন, অন্যদিকে রাশিয়া, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বজায় রাখছে। ভারতীয় বিশ্লেষকদের মতে, এই বহুমাত্রিক কূটনৈতিক ভারসাম্য ওয়াশিংটনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
ভারতের কিছু বিশ্লেষণে এমনও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ভারতের নিরাপত্তা স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। সীমান্ত নিরাপত্তা, উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ, আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য, জঙ্গিবাদ দমন এবং আঞ্চলিক সংযোগ প্রকল্পের কারণে দিল্লি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখে। সেই কারণেই সার্জিও গোরের ঢাকা সফর ভারতীয় নীতিনির্ধারকদেরও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সার্জিও গোরের সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময়। রোহিঙ্গা সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাই আলোচনার মূল বিষয় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
বাংলাদেশ বর্তমানে এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, যেখানে চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, তুরস্কসহ বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় ওয়াশিংটন বাংলাদেশের অবস্থান কীভাবে মূল্যায়ন করছে, সেটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি দিল্লিও বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
সব মিলিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোর মূল বক্তব্য হলো, সার্জিও গোরের ঢাকা সফরকে শুধু একটি নিয়মিত কূটনৈতিক সফর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তাদের মতে, সফরটির সঙ্গে ভারতের নিরাপত্তা-স্বার্থ, বাংলাদেশের পরিবর্তিত ভূরাজনীতি, চীনের প্রভাব, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ—এসব বিষয় কোনো না কোনোভাবে আলোচনার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে।
তবে একই সঙ্গে তারা এটিও স্বীকার করেছে যে, এসব মূল্যায়ন মূলত সংবাদমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, ভারত বা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সফরের সঙ্গে আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা বা ভারতের নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য যুক্ত থাকার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফলে বিষয়গুলোকে নিশ্চিত তথ্য নয়, বরং ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিশ্লেষণ ও কূটনৈতিক মূল্যায়নের প্রতিফলন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
খবরটি শেয়ার করুন