বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের পরিচয় শনাক্ত হয় সঙ্গে থাকা মুঠোফোনের মাধ্যমে *** হানিফের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড *** ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো *** ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুর ১০ নম্বরে সড়ক অবরোধ *** দুই কারণে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ নেইমার *** গঙ্গা পানি চুক্তি নবায়নে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ *** নিখোঁজের পরদিন তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার *** আরব দলগুলোর উত্থানে বেশি আসন পেয়েও বেকায়দায় নেতানিয়াহুর জোট *** ইহুদি সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন নেতানিয়াহুই পেলেন, হুমকি দিলেন ইরানকে *** আরব দলগুলোর রেকর্ড সাফল্যের পর ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ নেতানিয়াহুর দলের

আজ বিশ্ব চিঠি দিবস, প্রিয়জনকে চিঠি লেখার দিন

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:০৩ অপরাহ্ন, ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

প্রতি বছর ১লা সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস’ পালিত হয়। এই দিনটি চিঠি লেখার গুরুত্ব এবং সেই ঐতিহ্যবাহী যোগাযোগ মাধ্যমের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উদযাপন করা হয়।

আজ রোববার (১লা সেপ্টেম্বর) বিশ্ব চিঠি দিবস। আজকের এই চিঠি দিবসকে কেন্দ্র করে কাগজ-কলমে আপনজনকে মনের কথাগুলো চিঠির মাধ্যমে জানিয়ে দিতে পারেন।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালে সর্বপ্রথম অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক রিচার্ড সিম্পকিনের হাত ধরেই এই দিবসের প্রচলন শুরু হয়।

মূলত, চিঠি লেখার ঐতিহ্য একসময় ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির আগ্রাসনে এই চর্চা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় মানুষ চিঠি লিখে নিজেদের মনের ভাব, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতেন। চিঠির মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলো আরও ঘনিষ্ঠ এবং গভীর হতো। একটি হাতের লেখা চিঠি ছিল ব্যক্তিগত স্পর্শের প্রতীক, যা আজকের ডিজিটাল বার্তায় পাওয়া যায় না। 

আরো পড়ুন : শীঘ্রই অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখা প্রকাশ করবেন প্রধান উপদেষ্টা

অপরদিকে প্রিয়জন ও পরিজনের কাছে লেখা প্রতিটি চিঠিই ছিল চিন্তাশীলতা ও আবেগের মিশ্রণ। চিঠি লেখার প্রক্রিয়াটি ছিল মন্থর এবং চিন্তাশীল। চিঠি লিখতে গেলে মানুষকে তার চিন্তাগুলোকে সুন্দরভাবে সাজাতে হতো। ধীরে ধীরে সেই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষের অভিজ্ঞতা এবং চিন্তাভাবনার গভীরতা ফুটে উঠতো। এছাড়া প্রাচীন চিঠিগুলো শুধু ব্যক্তিগত নয় বরং ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকেও মূল্যবান ছিল। অনেক ক্ষেত্রে চিঠি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর সাক্ষী ছিল এবং এই চিঠিগুলো আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত হতো। অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বের চিঠি আজও ইতিহাসবিদদের জন্য মূল্যবান দলিল হিসেবে কাজ করছে।

দেশীয় সংস্কৃতিতে আবহমান কাল থেকেই সংযোগ ও সম্পর্ক স্থাপনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে চিঠি বিবেচিত হয়ে আসছে। আগেরদিনে দূরত্বের ব্যবধান ঘোচানোর জন্য এই চিঠিই ছিল প্রধান মাধ্যম। বিদেশে থাকা প্রিয়জনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য চিঠি ছিল একমাত্র ভরসা। এর মাধ্যমে দূরত্বের মধ্যেও সম্পর্কগুলো টিকে থাকতো এবং গভীর হতো। আবার চিঠির উত্তর পাওয়ার জন্য যে অপেক্ষার প্রহর গোনা হতো, তা ছিল একটি আলাদা অভিজ্ঞতা। আগেরদিনে যারা চিঠি পাঠিয়ে যোগাযোগ রক্ষা করতেন তারা বলছেন, আজকের দ্রুত যোগাযোগের যুগে সেই অপেক্ষার মাধুর্য এবং উত্তেজনা আর অনুভূত হয় না।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ইমেইল, মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে চিঠি লেখার চর্চা অনেকটা হারিয়ে গেছে। মানুষ এখন সহজ এবং ত্বরিত মাধ্যমের দিকে ঝুঁকে পড়েছে, যার ফলে চিঠির সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।

এস/ আই.কে.জে/


চিঠি দিবস

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250