বুধবার, ৪ঠা মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইরানের মাশহাদ শহরে দাফন করা হবে খামেনিকে *** ড. ইউনূস কি রাষ্ট্রপতি হওয়ার অপেক্ষায়? *** ‘পুলিশ হত্যাকাণ্ড কোনো অবস্থাতেই দায়মুক্তি পেতে পারে না’ *** হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি স্থানে ৪ বাংলাদেশি জাহাজ *** দুদিনের সফরে ঢাকায় মার্কিন সহকারী মন্ত্রী পল কাপুর *** আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব *** ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না আরব আমিরাত *** ‘ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতে বাংলাদেশ আঘাতপ্রাপ্ত হবে’ *** যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানে ‘পুনর্গঠন-বাণিজ্য’ করবে চীন, কিনবে সস্তায় তেল *** ঢাকার আইসিইউতে ৭ শতাংশ রোগীর শরীরে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক

নিরাপদ টয়লেট সবচেয়ে কম বরিশালে, বেশি ঢাকায়

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, ৫ই ডিসেম্বর ২০২৩

#

নিরাপদ টয়লেট। ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

দেশের ৫৫.৬৯% পরিবার নিরাপদ টয়লেট বা শৌচাগার সুবিধার আওতায় রয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৮.৮৯% নিরাপদ শৌচাগার সুবিধা ঢাকা বিভাগে। আর সবচেয়ে কম ৩৭.৯২% রয়েছে বরিশাল বিভাগে। ১.২৩% পরিবারের কোনো শৌচাগার সুবিধা নেই।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) গৃহগণনা ও জনশুমারির জাতীয় প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

নিরাপদ বলতে যেসব শৌচাগারে ফ্ল্যাশ করে বা পানি ঢেলে নিষ্কাশন ব্যবস্থা রয়েছে সেসব শৌচাগারকে নিরাপদ বুঝিয়েছে বিবিএস। ২০২২ সালে সারাদেশে জনশুমারি চলাকালে খানা জরিপ থেকে এসব তথ্য-উপাত্ত দিয়েছে বিবিএস।

বিবিএসের তথ্যমতে, দেশে মোট পরিবার রয়েছে ৪ কোটি ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬৭টি। এর মধ্যে নিরাপদ শৌচাগার সুবিধা রয়েছে ২ কোটি ২৪ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৪টি পরিবারের। অনিরাপদ শৌচাগার রয়েছে ৫১ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৮টি পরিবারে। বাকি পরিবারগুলোতে রয়েছে কাঁচা ও আধাকাঁচা শৌচাগার সুবিধা।

বিবিএসের তথ্য-উপাত্ত বলছে, দেশের ৭৩.২৫% পরিবারের একক শৌচাগার সুবিধা রয়েছে। শহরে ৭১.৮১% পরিবারের শৌচাগার সুবিধা রয়েছে। আর গ্রামে এই হার ৭৩.৯২%। দেশের ১.২৩% পরিবারের কোনো শৌচাগার সুবিধা নেই।

ঢাকা বিভাগের পর নিরাপদ শৌচাগার ব্যবহারে এগিয়ে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। এ বিভাগে ৫৮.৮৮% পরিবারের নিরাপদ শৌচাগার সুবিধা রয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা রাজশাহী বিভাগে এ হার ৫৫.২৬%। এছাড়া খুলনা বিভাগে ৫৪.৯২% এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮.৫৯% পরিবারে নিরাপদ শৌচাগার সুবিধা রয়েছে।

এ বিষয়ে ওয়াটারএইডের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক খায়রুল ইসলাম বলেন, “যেহেতু আমরা এখন উন্নত দেশের দিকে ধাবিত হচ্ছি, সেহেতু সরকারকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নিরাপদ টয়লেট ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিতে হবে। নিরাপদ টয়লেট ব্যবস্থাপনা না হলে নানা ধরনের সংক্রামক রোগ ছড়াতে থাকবে।”

ওআ/

টয়লেট

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250