শুক্রবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার *** ‘খুলনা, বরিশাল, রাজশাহীকে আওয়ামী লীগের সরকার বিদেশের মতো বানিয়েছে’ *** প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন *** বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন ও প্রতিরক্ষা চুক্তি করার আহ্বান জানালেন ট্রাম্প *** মৌলবাদ সামাল দিতে আওয়ামী লীগকে ছাড় দেবে বিএনপি: বদিউর রহমান *** রমজানের প্রথম দিনেই ২০ টাকা হালি লেবুর দাম বেড়ে ১২০ *** বাসসের এমডি মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন *** এইচএসসি পরীক্ষার ফি বাড়ল ২১০ টাকা *** শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী *** সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

রপ্তানি, রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে ভর করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি: বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, ৮ই অক্টোবর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

গত অর্থবছরের (২০২৪–২৫) প্রথম ছয় মাসের বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের বাংলাদেশের অর্থনীতি। জোরালো রপ্তানি আয়, ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের বৃদ্ধি এতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। মঙ্গলবার (৭ই সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্ব সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয়ের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ নাজমুস সাদাত খান প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট দেশজ প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) ৪ দশমিক ৮ শতাংশে এবং পরের অর্থবছরে তা বেড়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও কর্মসংস্থানের সংকোচন, দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির উচ্চ হার বড় প্রতিবন্ধকতা হতে পারে। এতে দীর্ঘ মেয়াদে বৈষম্য বাড়ার আশঙ্কা আছে।

‘বাংলাদেশ আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদন বলছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে উন্নতির সম্ভাবনা থাকলেও দারিদ্র্য ও কর্মসংস্থানের সূচকে উদ্বেগের কারণ আছে। কারণ, জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়ে ২১ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ২০ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সময়ে কর্মসংস্থান-জনসংখ্যা অনুপাতও ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৭ শতাংশে, আর বেকারত্বের হার বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা এখনো বেশ উচ্চপর্যায়ে রয়ে গেছে; আগস্টে এটি ছিল ৮ দশমিক ৩ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিনিয়োগ স্থবিরতা, কর্মসংস্থান ঘাটতি, দুর্বল ব্যাংক খাত, খেলাপি ঋণ ও রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা বাংলাদেশে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ উদ্বেগ কর্মসংস্থান সংকটে। 

সংস্থাটির মতে, তরুণ ও নারীদের জন্য উৎপাদনমুখী খাতে কাজ না বাড়ালে সামাজিক বৈষম্য বাড়বে ও প্রবৃদ্ধি টেকসই হবে না। বর্তমানে ৩০ লাখ কর্মক্ষম মানুষ শ্রমবাজারের বাইরে রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৪ লাখ নারী।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রথম প্রান্তিকে বড় ধাক্কার কারণে পুরো ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি সামান্য কমে ৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশে নেমে এসেছিল। পিছিয়ে পড়ার কারণ হিসেবে বিনিয়োগ স্থবিরতা, উচ্চ সুদের হার ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গেছে এবং মূলধনি পণ্যের আমদানি কমেছে; ফলে নতুন প্রকল্প ও মূলধনি ব্যয় স্থগিত হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250